ইরানের পক্ষ থেকে আসা সাম্প্রতিক একটি প্রস্তাব নিয়ে সোমবার নিজের শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় খুলে দেওয়া এবং বৃহত্তর আলোচনার বিষয়ে তেহরানের প্রস্তাবটি নিয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট সাংবাদিকদের
জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট সকালে জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং ইরানের প্রস্তাবটি
বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে ট্রাম্প এই প্রস্তাব গ্রহণ করবেন কি না, সে বিষয়ে
নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি তিনি।
লিভিট আরও যোগ করেন, “ইরানকে নিয়ে প্রেসিডেন্টের ‘রেড লাইন’
বা চূড়ান্ত সীমা খুবই স্পষ্ট এবং তা তেহরানকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
তেহরানের প্রস্তাব অনুযায়ী, দুই দেশই নিজেদের ওপর আরোপিত
অবরোধগুলো তুলে নেবে। এর বিনিময়ে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। প্রস্তাবিত পরিকল্পনায়
তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পরবর্তী সময়ের জন্য স্থগিত রাখার কথা বলা
হয়েছে।
ইরানের এই প্রস্তাবের কঠোর সমালোচনা করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মার্কো রুবিও। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে
ইরানের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদা পূরণ করছে না।
রুবিও বলেন, “প্রণালী খুলে দেওয়ার অর্থ যদি হয়—ইরানের অনুমতি
নিতে হবে কিংবা তাদের অর্থ দিতে হবে, তবে সেটাকে প্রণালী খুলে দেওয়া বলা যায় না। ইরান
যদি একটি আন্তর্জাতিক জলপথ ব্যবহারের ক্ষেত্রে শর্ত চাপাতে চায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তা
কখনোই মেনে নেবে না।”
বিশ্বের মোট তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ
পরিবহন করা হয় এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে। ফলে এটি বন্ধ থাকায় বিশ্ব বাজারে জ্বালানির তীব্র
সংকট তৈরি হয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যম আক্সিওস ও এবিসি নিউজ-এর প্রতিবেদন
অনুযায়ী, ইরানের প্রস্তাবটি ওয়াশিংটনের নির্ধারিত ‘রেড লাইন’-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ
নয়।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের পক্ষ থেকে আসা সাম্প্রতিক একটি প্রস্তাব নিয়ে সোমবার নিজের শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ‘হরমুজ প্রণালি’ পুনরায় খুলে দেওয়া এবং বৃহত্তর আলোচনার বিষয়ে তেহরানের প্রস্তাবটি নিয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট সাংবাদিকদের
জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট সকালে জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং ইরানের প্রস্তাবটি
বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে ট্রাম্প এই প্রস্তাব গ্রহণ করবেন কি না, সে বিষয়ে
নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি তিনি।
লিভিট আরও যোগ করেন, “ইরানকে নিয়ে প্রেসিডেন্টের ‘রেড লাইন’
বা চূড়ান্ত সীমা খুবই স্পষ্ট এবং তা তেহরানকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
তেহরানের প্রস্তাব অনুযায়ী, দুই দেশই নিজেদের ওপর আরোপিত
অবরোধগুলো তুলে নেবে। এর বিনিময়ে ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। প্রস্তাবিত পরিকল্পনায়
তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পরবর্তী সময়ের জন্য স্থগিত রাখার কথা বলা
হয়েছে।
ইরানের এই প্রস্তাবের কঠোর সমালোচনা করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মার্কো রুবিও। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে
ইরানের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদা পূরণ করছে না।
রুবিও বলেন, “প্রণালী খুলে দেওয়ার অর্থ যদি হয়—ইরানের অনুমতি
নিতে হবে কিংবা তাদের অর্থ দিতে হবে, তবে সেটাকে প্রণালী খুলে দেওয়া বলা যায় না। ইরান
যদি একটি আন্তর্জাতিক জলপথ ব্যবহারের ক্ষেত্রে শর্ত চাপাতে চায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তা
কখনোই মেনে নেবে না।”
বিশ্বের মোট তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ
পরিবহন করা হয় এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে। ফলে এটি বন্ধ থাকায় বিশ্ব বাজারে জ্বালানির তীব্র
সংকট তৈরি হয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যম আক্সিওস ও এবিসি নিউজ-এর প্রতিবেদন
অনুযায়ী, ইরানের প্রস্তাবটি ওয়াশিংটনের নির্ধারিত ‘রেড লাইন’-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ
নয়।

আপনার মতামত লিখুন