মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রথম দিন ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালানো ভয়াবহ হামলার চূড়ান্ত নিহতের তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত ওই মর্মান্তিক ঘটনায় মোট ১৫৫ জন নিহত হয়েছেন বলে মঙ্গলবার নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি।
আইআরআইবি এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দেওয়া তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে একটি বড় অংশই কোমলমতি শিশু। বিস্তারিত তালিকায় জানানো হয়েছে:
প্রাথমিক অবস্থায় নিহতের সংখ্যা ১৭৫ জন বলা হলেও, যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকায় ১৫৫ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত অবস্থানে হামলা শুরু করলে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। মার্কিন গণমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি ‘টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র’ ভুল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানায় এই বিপুল প্রাণহানি ঘটেছে।
তবে হামলার পর এক বিতর্কিত বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, এই ঘটনার জন্য ইরান নিজেই দায়ী হতে পারে। যদিও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের হাতে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো কোনো প্রযুক্তি নেই।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে দেওয়া এক ভিডিও ভাষণে এই হামলাকে ‘পরিকল্পিত এবং ইচ্ছাকৃত’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “যারা নিজেদের প্রযুক্তিকে সবচেয়ে নিখুঁত বলে দাবি করে, তাদের ক্ষেত্রে স্কুল বা ক্লিনিকের মতো জায়গায় হামলাকে ‘ভুল’ বলে চালিয়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটি একটি সুপরিকল্পিত আক্রমণ।”
বর্তমানে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের প্রথম দিন ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালানো ভয়াবহ হামলার চূড়ান্ত নিহতের তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত ওই মর্মান্তিক ঘটনায় মোট ১৫৫ জন নিহত হয়েছেন বলে মঙ্গলবার নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরআইবি।
আইআরআইবি এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দেওয়া তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে একটি বড় অংশই কোমলমতি শিশু। বিস্তারিত তালিকায় জানানো হয়েছে:
প্রাথমিক অবস্থায় নিহতের সংখ্যা ১৭৫ জন বলা হলেও, যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকায় ১৫৫ জনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত অবস্থানে হামলা শুরু করলে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়। মার্কিন গণমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি ‘টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র’ ভুল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানায় এই বিপুল প্রাণহানি ঘটেছে।
তবে হামলার পর এক বিতর্কিত বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, এই ঘটনার জন্য ইরান নিজেই দায়ী হতে পারে। যদিও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের হাতে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো কোনো প্রযুক্তি নেই।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে দেওয়া এক ভিডিও ভাষণে এই হামলাকে ‘পরিকল্পিত এবং ইচ্ছাকৃত’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “যারা নিজেদের প্রযুক্তিকে সবচেয়ে নিখুঁত বলে দাবি করে, তাদের ক্ষেত্রে স্কুল বা ক্লিনিকের মতো জায়গায় হামলাকে ‘ভুল’ বলে চালিয়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটি একটি সুপরিকল্পিত আক্রমণ।”
বর্তমানে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন