বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ৪৬নং গাজী মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনটি দীর্ঘ দশ বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে, বারান্দার পিলার ভেঙে রড বেরিয়ে এসেছে। এই ভবনে প্রতিদিন শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক একাধিকবার লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভবনের অবস্থা সম্পর্কে জানিয়েছেন। তবে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুধু এই একটি বিদ্যালয় নয়, উপজেলার ২৫টি বিদ্যালয়ের ভবন একইরকম জরাজীর্ণ। তিনি বিকল্প হিসেবে অস্থায়ী ঘর তুলে পাঠদানের পরামর্শ দিয়েছেন।
শিক্ষার পরিবেশ নিরাপদ হওয়া একটি মৌলিক শর্ত। কিন্তু ৪৬নং গাজী মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র সে বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। দীর্ঘ প্রায় এক দশক ধরে একটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চলছে। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। একটি বিদ্যালয়ের ভবন শুধু ইট-পাথরের কাঠামো নয়। বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের শেখার নিরাপদ জায়গা। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ অন্যান্য বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ কাজে অহেতুক দেরি হলে আর সে কারণে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় সংশ্লিষ্টরা এড়াতে পারবেন না।
সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার অবকাঠামো উন্নয়নে প্রতি বছর বরাদ্দ থাকে। তারপরও ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলো কেন সংস্কার করা হচ্ছে না তা খতিয়ে দেখা দরকার।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ৪৬নং গাজী মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনটি দীর্ঘ দশ বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে, বারান্দার পিলার ভেঙে রড বেরিয়ে এসেছে। এই ভবনে প্রতিদিন শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক একাধিকবার লিখিতভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভবনের অবস্থা সম্পর্কে জানিয়েছেন। তবে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুধু এই একটি বিদ্যালয় নয়, উপজেলার ২৫টি বিদ্যালয়ের ভবন একইরকম জরাজীর্ণ। তিনি বিকল্প হিসেবে অস্থায়ী ঘর তুলে পাঠদানের পরামর্শ দিয়েছেন।
শিক্ষার পরিবেশ নিরাপদ হওয়া একটি মৌলিক শর্ত। কিন্তু ৪৬নং গাজী মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র সে বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। দীর্ঘ প্রায় এক দশক ধরে একটি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান চলছে। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। একটি বিদ্যালয়ের ভবন শুধু ইট-পাথরের কাঠামো নয়। বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের শেখার নিরাপদ জায়গা। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ অন্যান্য বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ কাজে অহেতুক দেরি হলে আর সে কারণে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় সংশ্লিষ্টরা এড়াতে পারবেন না।
সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার অবকাঠামো উন্নয়নে প্রতি বছর বরাদ্দ থাকে। তারপরও ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলো কেন সংস্কার করা হচ্ছে না তা খতিয়ে দেখা দরকার।

আপনার মতামত লিখুন