সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গ: দ্বিতীয় দফায়ও রেকর্ড ভোট কী বার্তা দিচ্ছে


দীপক মূখার্জী, কলকাতা
দীপক মূখার্জী, কলকাতা
প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম

পশ্চিমবঙ্গ: দ্বিতীয় দফায়ও রেকর্ড ভোট কী বার্তা দিচ্ছে
দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ।

দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই পরিষ্কার- পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে এবার এক অভূতপূর্ব অংশগ্রহণের ছবি তৈরি হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটে দিনভর বুথে বুথে লম্বা লাইন, আর শেষ পর্যন্ত ভোটের হার পৌঁছেছে রেকর্ডের কাছাকাছি।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ। শেষ মুহূর্তের ট্রেন্ড অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই হার প্রায় ৯৩ শতাংশের ঘরে পৌঁছেছে বলে অনুমান করছেন সংশ্লিষ্টরা, যা প্রথম দফাকেও ছাপিয়ে যাবে। প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল ১৫২ আসনে ৯২ শতাংশের বেশী ভোট পড়েছিলো। এবার বুধবার বাকী ১৪২ আসনে ভোট হয়েছে।

এই বিপুল ভোটেই লুকিয়ে রয়েছে এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন — এই উচ্চ অংশগ্রহণ কি পরিবর্তনের ইঙ্গিত, নাকি সংগঠিত ভোটব্যাঙ্কের আরও শক্তিশালী উপস্থিতি?

রাজনৈতিক বিশ্লেষণে সাধারণভাবে বেশি ভোট পড়াকে ‘অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি’-র ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হয়। সেই তত্ত্বকে সামনে রেখে বিজেপি এই ফলাফলকে ‘পরিবর্তনের হাওয়া’ হিসেবে তুলে ধরছে। পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, প্রথম দফাতেই বিজেপি ‘বিপুল আসনের’ দিকে এগিয়েছে, আর দ্বিতীয় দফার এই রেকর্ড ভোট ‘সেই প্রবণতাকে’ আরও ‘জোরালো করেছে’।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অংশগ্রহণকে ‘গণতন্ত্রের উৎসব’ এবং ‘পরিবর্তনের ইচ্ছা’র প্রতিফলন হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের বক্তব্য, মানুষ ঢেলে ভোট দিচ্ছেন মানেই শাসক দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জমেছে।

তবে এই ব্যাখ্যার ভিতরেই রয়েছে একাধিক জটিলতা। বিজেপিরই একাংশ মনে করছে, শুধুমাত্র ভোটের শতাংশ দিয়ে সরল সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। বিশেষ করে ভোটার তালিকার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনের জেরে লাখ লাখ ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টি ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের অসন্তোষ তৈরি করেছে, যা ভোটের আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

এই জায়গাতেই সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যা দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি, এই বিপুল ভোট আসলে ‘অধিকার রক্ষার ভোট’। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা এবং কেন্দ্রীয় প্রভাব নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার বিরুদ্ধেই মানুষ ব্যাপকভাবে ভোট দিয়েছেন। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, “এই লড়াই শুধুমাত্র ক্ষমতার নয়, মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার লড়াই — আর সেই কারণেই বিপুল অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে।”

মাঠের বাস্তব চিত্র এই তর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে। একদিকে যেমন সর্বত্র দীর্ঘ লাইনে ভোটারদের উপস্থিতি নজর কেড়েছে, তেমনই অন্যদিকে একাধিক জায়গায় উত্তেজনা ও বিতর্কও সামনে এসেছে। পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম, হাওড়ার বালি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাতগাছিয়ার মতো এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লাঠিচার্জ, অতিসক্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। ভোটের আগে রাজ্যে প্রায় আড়াই হাজার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা নির্বাচনে ‘বাধা তৈরি করতে পারেন’- এমন আগাম অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে রাজ্য পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে। ফলে এই দফার ভোটে ‘নিরাপত্তা বনাম হস্তক্ষেপ’— এই বিতর্কও গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে।

ভৌগোলিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, পূর্ব বর্ধমান সবচেয়ে বেশি ভোটদানের হার (৯২.৪৬%) নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। নদিয়াতেও ৯০.২৮% ভোট পড়েছে। এছাড়া হুগলি, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা এবং দুই ২৪ পরগণাতেও উচ্চ ভোটদানের প্রবণতা দেখা গিয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে ভোটের হার রাজ্যের গড়ের তুলনায় বেশি, যা নির্বাচনী সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

২০২১ সালের নির্বাচনের দিকে তাকালে দেখা যায়, এই ১৪২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ১২৩টি আসনে জয় পেয়েছিল, যেখানে বিজেপি পেয়েছিল ১৮টি। ফলে এবারের দ্বিতীয় দফা শাসকদলের জন্য শক্ত ঘাঁটি রক্ষা করার পরীক্ষা, আর বিজেপির জন্য সেই ঘাঁটিতে ধাক্কা দেওয়ার সুযোগ।

জাতীয় রাজনীতির প্রভাবও এই দফায় স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দাবি করেছেন, বাংলায় ‘নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার পরিবেশ’ তৈরি হয়েছে, আর সেই কারণেই মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছেন। অন্যদিকে বিরোধী শিবির এই নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক কাঠামো বনাম কেন্দ্রীয় প্রভাবের লড়াই হিসেবে তুলে ধরছে। ফলে এই ভোট শুধুমাত্র রাজ্যের নয়, বৃহত্তর জাতীয় রাজনীতিরও প্রতিফলন।

সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার ভোট এক জটিল কিন্তু স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—বাংলার নির্বাচনে এবার লড়াই বহুমাত্রিক। এখানে শুধু ভোটের শতাংশ নয়, বরং ভোটের ভৌগোলিক বণ্টন, সামাজিক সমীকরণ, প্রশাসনিক ভূমিকা এবং রাজনৈতিক ন্যারেটিভ — সব মিলিয়েই নির্ধারিত হবে চূড়ান্ত ফলাফল।

এখন সমস্ত হিসাব বন্দি ইভিএমে। ৪ মে ফল প্রকাশের দিনেই জানা যাবে— এই রেকর্ড ভোট কি সত্যিই পরিবর্তনের ঢেউ তুলেছে, নাকি বিদ্যমান শক্তিকেই আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করবে পশ্চিমবঙ্গে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


পশ্চিমবঙ্গ: দ্বিতীয় দফায়ও রেকর্ড ভোট কী বার্তা দিচ্ছে

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই পরিষ্কার- পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে এবার এক অভূতপূর্ব অংশগ্রহণের ছবি তৈরি হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে শুরু হওয়া ভোটে দিনভর বুথে বুথে লম্বা লাইন, আর শেষ পর্যন্ত ভোটের হার পৌঁছেছে রেকর্ডের কাছাকাছি।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ। শেষ মুহূর্তের ট্রেন্ড অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই হার প্রায় ৯৩ শতাংশের ঘরে পৌঁছেছে বলে অনুমান করছেন সংশ্লিষ্টরা, যা প্রথম দফাকেও ছাপিয়ে যাবে। প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল ১৫২ আসনে ৯২ শতাংশের বেশী ভোট পড়েছিলো। এবার বুধবার বাকী ১৪২ আসনে ভোট হয়েছে।

এই বিপুল ভোটেই লুকিয়ে রয়েছে এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন — এই উচ্চ অংশগ্রহণ কি পরিবর্তনের ইঙ্গিত, নাকি সংগঠিত ভোটব্যাঙ্কের আরও শক্তিশালী উপস্থিতি?

রাজনৈতিক বিশ্লেষণে সাধারণভাবে বেশি ভোট পড়াকে ‘অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি’-র ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হয়। সেই তত্ত্বকে সামনে রেখে বিজেপি এই ফলাফলকে ‘পরিবর্তনের হাওয়া’ হিসেবে তুলে ধরছে। পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, প্রথম দফাতেই বিজেপি ‘বিপুল আসনের’ দিকে এগিয়েছে, আর দ্বিতীয় দফার এই রেকর্ড ভোট ‘সেই প্রবণতাকে’ আরও ‘জোরালো করেছে’।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অংশগ্রহণকে ‘গণতন্ত্রের উৎসব’ এবং ‘পরিবর্তনের ইচ্ছা’র প্রতিফলন হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের বক্তব্য, মানুষ ঢেলে ভোট দিচ্ছেন মানেই শাসক দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জমেছে।

তবে এই ব্যাখ্যার ভিতরেই রয়েছে একাধিক জটিলতা। বিজেপিরই একাংশ মনে করছে, শুধুমাত্র ভোটের শতাংশ দিয়ে সরল সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। বিশেষ করে ভোটার তালিকার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনের জেরে লাখ লাখ ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার বিষয়টি ভোটারদের মধ্যে এক ধরনের অসন্তোষ তৈরি করেছে, যা ভোটের আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

এই জায়গাতেই সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যা দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি, এই বিপুল ভোট আসলে ‘অধিকার রক্ষার ভোট’। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা এবং কেন্দ্রীয় প্রভাব নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার বিরুদ্ধেই মানুষ ব্যাপকভাবে ভোট দিয়েছেন। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, “এই লড়াই শুধুমাত্র ক্ষমতার নয়, মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার লড়াই — আর সেই কারণেই বিপুল অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে।”

মাঠের বাস্তব চিত্র এই তর্ককে আরও জটিল করে তুলেছে। একদিকে যেমন সর্বত্র দীর্ঘ লাইনে ভোটারদের উপস্থিতি নজর কেড়েছে, তেমনই অন্যদিকে একাধিক জায়গায় উত্তেজনা ও বিতর্কও সামনে এসেছে। পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম, হাওড়ার বালি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাতগাছিয়ার মতো এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লাঠিচার্জ, অতিসক্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। ভোটের আগে রাজ্যে প্রায় আড়াই হাজার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা নির্বাচনে ‘বাধা তৈরি করতে পারেন’- এমন আগাম অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে রাজ্য পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে। ফলে এই দফার ভোটে ‘নিরাপত্তা বনাম হস্তক্ষেপ’— এই বিতর্কও গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে।

ভৌগোলিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, পূর্ব বর্ধমান সবচেয়ে বেশি ভোটদানের হার (৯২.৪৬%) নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। নদিয়াতেও ৯০.২৮% ভোট পড়েছে। এছাড়া হুগলি, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা এবং দুই ২৪ পরগণাতেও উচ্চ ভোটদানের প্রবণতা দেখা গিয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে ভোটের হার রাজ্যের গড়ের তুলনায় বেশি, যা নির্বাচনী সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

২০২১ সালের নির্বাচনের দিকে তাকালে দেখা যায়, এই ১৪২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ১২৩টি আসনে জয় পেয়েছিল, যেখানে বিজেপি পেয়েছিল ১৮টি। ফলে এবারের দ্বিতীয় দফা শাসকদলের জন্য শক্ত ঘাঁটি রক্ষা করার পরীক্ষা, আর বিজেপির জন্য সেই ঘাঁটিতে ধাক্কা দেওয়ার সুযোগ।

জাতীয় রাজনীতির প্রভাবও এই দফায় স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দাবি করেছেন, বাংলায় ‘নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার পরিবেশ’ তৈরি হয়েছে, আর সেই কারণেই মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছেন। অন্যদিকে বিরোধী শিবির এই নির্বাচনকে গণতান্ত্রিক কাঠামো বনাম কেন্দ্রীয় প্রভাবের লড়াই হিসেবে তুলে ধরছে। ফলে এই ভোট শুধুমাত্র রাজ্যের নয়, বৃহত্তর জাতীয় রাজনীতিরও প্রতিফলন।

সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার ভোট এক জটিল কিন্তু স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—বাংলার নির্বাচনে এবার লড়াই বহুমাত্রিক। এখানে শুধু ভোটের শতাংশ নয়, বরং ভোটের ভৌগোলিক বণ্টন, সামাজিক সমীকরণ, প্রশাসনিক ভূমিকা এবং রাজনৈতিক ন্যারেটিভ — সব মিলিয়েই নির্ধারিত হবে চূড়ান্ত ফলাফল।

এখন সমস্ত হিসাব বন্দি ইভিএমে। ৪ মে ফল প্রকাশের দিনেই জানা যাবে— এই রেকর্ড ভোট কি সত্যিই পরিবর্তনের ঢেউ তুলেছে, নাকি বিদ্যমান শক্তিকেই আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করবে পশ্চিমবঙ্গে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত