ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজের কাছে একটি জলাশয় থেকে উদ্ধার করা খণ্ডিত মরদেহের পোশাকের সঙ্গে নিখোঁজ নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির পোশাকের মিল পাওয়া গেছে। তবে এটি যে নিশ্চয়ই বৃষ্টির মরদেহ, তা নিশ্চিত হতে আরও পরীক্ষার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজের প্রায় দুই সপ্তাহ পর এখনো পুরোপুরি রহস্য উদঘাটন করতে পারেননি তদন্তকারীরা। লিমনের মরদেহ উদ্ধারের পর গত ২৬ এপ্রিল আরেকটি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেটি বৃষ্টির কি না, তা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে।
আদালতে জমা দেওয়া একটি ফৌজদারি হলফনামায় বলা হয়েছে, সিসিটিভির ফুটেজে শেষবার নাহিদা বৃষ্টিকে যে পোশাকে দেখা গিয়েছিল, উদ্ধার করা মরদেহের খণ্ডিত অংশের পোশাকের সঙ্গেও তার মিল রয়েছে। তবে এটি যে একই পোশাক, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়, ‘সিসিটিভির ফুটেজে নাহিদা বৃষ্টিকে শেষবার যে আলাদা ধরনের পোশাকে দেখা গেছে। মরদেহটির পরনে থাকা পোশাকের সঙ্গে তার মিল আছে। দুটোই একই ধরনের পোশাক।’
এখন পর্যন্ত পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি যে এটি বৃষ্টির মরদেহ। ডিএনএ পরীক্ষার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
গত শুক্রবার টাম্পা বে এলাকার হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজের কাছ থেকে লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সেদিনই গ্রেপ্তার করা হয় লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহকে।
২৬ বছর বয়সী এই মার্কিন নাগরিকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মাত্রার (ফার্স্ট ডিগ্রি) হত্যার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। হিশামের বিরুদ্ধে লিমন ও বৃষ্টি- দুজনকে হত্যার অভিযোগ আনা হলেও বৃষ্টির মরদেহ এখনো নিশ্চিত করে শনাক্ত করা যায়নি।
গত ২৮ এপ্রিল আদালত হিশাম আবুঘরবেহর জামিন আবেদন বাতিল করে তাকে কারাগারে রাখার নির্দেশ দেন। আগামী ১২ মে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে, লিমনের প্রথম জানাজা ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার মরদেহ ঢাকা পৌঁছাবে ৪ মে বলে জানিয়েছে পরিবার।
বৃষ্টির পরিবার এখনো অপেক্ষায় আছে- ফ্লোরিডার জলাশয় থেকে উদ্ধার করা খণ্ডিত মরদেহটি সত্যিই তাদের মেয়ের কি না। ডিএনএ প্রতিবেদন আসার আগ পর্যন্ত সেই শঙ্কা ও উদ্বেগ নিয়ে বাঁচতে হবে তাদের।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজের কাছে একটি জলাশয় থেকে উদ্ধার করা খণ্ডিত মরদেহের পোশাকের সঙ্গে নিখোঁজ নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির পোশাকের মিল পাওয়া গেছে। তবে এটি যে নিশ্চয়ই বৃষ্টির মরদেহ, তা নিশ্চিত হতে আরও পরীক্ষার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজের প্রায় দুই সপ্তাহ পর এখনো পুরোপুরি রহস্য উদঘাটন করতে পারেননি তদন্তকারীরা। লিমনের মরদেহ উদ্ধারের পর গত ২৬ এপ্রিল আরেকটি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেটি বৃষ্টির কি না, তা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে।
আদালতে জমা দেওয়া একটি ফৌজদারি হলফনামায় বলা হয়েছে, সিসিটিভির ফুটেজে শেষবার নাহিদা বৃষ্টিকে যে পোশাকে দেখা গিয়েছিল, উদ্ধার করা মরদেহের খণ্ডিত অংশের পোশাকের সঙ্গেও তার মিল রয়েছে। তবে এটি যে একই পোশাক, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়, ‘সিসিটিভির ফুটেজে নাহিদা বৃষ্টিকে শেষবার যে আলাদা ধরনের পোশাকে দেখা গেছে। মরদেহটির পরনে থাকা পোশাকের সঙ্গে তার মিল আছে। দুটোই একই ধরনের পোশাক।’
এখন পর্যন্ত পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি যে এটি বৃষ্টির মরদেহ। ডিএনএ পরীক্ষার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
গত শুক্রবার টাম্পা বে এলাকার হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজের কাছ থেকে লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সেদিনই গ্রেপ্তার করা হয় লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহকে।
২৬ বছর বয়সী এই মার্কিন নাগরিকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মাত্রার (ফার্স্ট ডিগ্রি) হত্যার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। হিশামের বিরুদ্ধে লিমন ও বৃষ্টি- দুজনকে হত্যার অভিযোগ আনা হলেও বৃষ্টির মরদেহ এখনো নিশ্চিত করে শনাক্ত করা যায়নি।
গত ২৮ এপ্রিল আদালত হিশাম আবুঘরবেহর জামিন আবেদন বাতিল করে তাকে কারাগারে রাখার নির্দেশ দেন। আগামী ১২ মে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে, লিমনের প্রথম জানাজা ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। তার মরদেহ ঢাকা পৌঁছাবে ৪ মে বলে জানিয়েছে পরিবার।
বৃষ্টির পরিবার এখনো অপেক্ষায় আছে- ফ্লোরিডার জলাশয় থেকে উদ্ধার করা খণ্ডিত মরদেহটি সত্যিই তাদের মেয়ের কি না। ডিএনএ প্রতিবেদন আসার আগ পর্যন্ত সেই শঙ্কা ও উদ্বেগ নিয়ে বাঁচতে হবে তাদের।

আপনার মতামত লিখুন