ভারত সরকার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠকে দেশটির পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। আগামী ৩০ জুন বিকেল থেকে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। একই দিন বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী অবসর নেবেন।
ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) এ তথ্য জানিয়েছে।
ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির সাবেক শিক্ষার্থী ধীরাজ শেঠ ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে সাঁজোয়া বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে তিনি অপারেশন, কৌশলগত পরিকল্পনা ও সক্ষমতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধসক্ষমতা বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরে তার অবদান উল্লেখযোগ্য।
ধীরাজ শেঠের কমান্ড দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে মরু অঞ্চলে একটি সাঁজোয়া রেজিমেন্ট, পশ্চিমাঞ্চলে একটি সাঁজোয়া ব্রিগেড এবং জম্মু ও কাশ্মিরে একটি সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনীর নেতৃত্ব।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান স্ট্রাইক বাহিনী ‘সুদর্শন চক্র কোর’-এর নেতৃত্ব দেন। পরে দিল্লি এলাকার জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সামরিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব তদারকি করেন।
আর্মি কমান্ডার হিসেবে পদোন্নতির পর তিনি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ড ও দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। এতে দুইটি অপারেশনাল আর্মি কমান্ডের নেতৃত্ব দেওয়ার বিরল অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
ধীরাজ শেঠ সামরিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। বিভিন্ন কোর্সে শীর্ষস্থান অর্জনের পাশাপাশি তিনি হায়ার কমান্ড কোর্স ও ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের স্নাতক। এ ছাড়া প্যারিসের মর্যাদাপূর্ণ কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্সেও অংশ নিয়েছিলেন।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
ভারত সরকার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠকে দেশটির পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। আগামী ৩০ জুন বিকেল থেকে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। একই দিন বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী অবসর নেবেন।
ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) এ তথ্য জানিয়েছে।
ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির সাবেক শিক্ষার্থী ধীরাজ শেঠ ১৯৮৬ সালের ডিসেম্বরে সাঁজোয়া বাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন। প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে তিনি অপারেশন, কৌশলগত পরিকল্পনা ও সক্ষমতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধসক্ষমতা বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরে তার অবদান উল্লেখযোগ্য।
ধীরাজ শেঠের কমান্ড দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে মরু অঞ্চলে একটি সাঁজোয়া রেজিমেন্ট, পশ্চিমাঞ্চলে একটি সাঁজোয়া ব্রিগেড এবং জম্মু ও কাশ্মিরে একটি সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনীর নেতৃত্ব।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান স্ট্রাইক বাহিনী ‘সুদর্শন চক্র কোর’-এর নেতৃত্ব দেন। পরে দিল্লি এলাকার জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সামরিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব তদারকি করেন।
আর্মি কমান্ডার হিসেবে পদোন্নতির পর তিনি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ড ও দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব পালন করেন। এতে দুইটি অপারেশনাল আর্মি কমান্ডের নেতৃত্ব দেওয়ার বিরল অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
ধীরাজ শেঠ সামরিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। বিভিন্ন কোর্সে শীর্ষস্থান অর্জনের পাশাপাশি তিনি হায়ার কমান্ড কোর্স ও ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের স্নাতক। এ ছাড়া প্যারিসের মর্যাদাপূর্ণ কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্সেও অংশ নিয়েছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন