দেশের সংবিধানকে নিজেদের অস্তিত্ব, নিজেদের আবেগ বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সংসদে বিরোধী দলের সদস্যদের উদ্দেশ করে বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, “আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, বিশেষ করে আমাদের সম্মানিত এক সদস্য বলেছেন যে আমি সংবিধানকে ধরে রাখার চেষ্টা করেছি এবং বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছি। হ্যাঁ, আমি করেছি, কারণ এই সংবিধান আমাদের অস্তিত্ব, আমাদের আবেগ এবং ১৯৭১ সালে লাখ লাখ শহীদের রক্তের সঙ্গে জড়িত।’
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী দিনে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এই সংবিধানের অনেকগুলো ধারা ও অধ্যায় বারবার পরিবর্তন করে একে একটা ‘ছেঁড়া পাতায়’ পরিণত করা হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “তারপরও এটি আমাদের সংবিধান, যার জন্য আমরা যুদ্ধ করেছি। (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) সালাহউদ্দিন সাহেব অত্যন্ত সত্য কথা বলেছেন যে রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান। ৫ আগস্টের পর এই রাষ্ট্রপতি না থাকলে রাষ্ট্রে চরম অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হতো, আমরা হয়তো জাতিকে রক্ষা করতে পারতাম কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।”
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘পরিবর্তনের প্রতীক’ আখ্যা দিয়ে ফখরুল বলেন, “আমাদের নেতা (তারেক রহমান) দারিদ্র্য বিমোচন এবং সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে নারীর ক্ষমতায়নে কাজ শুরু করেছেন। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষির উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন, যা তার রক্তে আছে।”
লন্ডনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠকের কথা প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, “লন্ডনের ঐতিহাসিক বৈঠক নিয়ে যারা বিদ্রূপ করেন, আমি তাদের তীব্র নিন্দা জানাই। লন্ডনে আমাদের চেয়ারম্যান এবং তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার মধ্যে সেই বৈঠক হয়েছিল বলেই আজ আমরা এই পার্লামেন্টে বসতে পেরেছি। ওই বৈঠকেই নির্বাচন এবং প্রধান উপদেষ্টা ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি ঠিক হয়েছিল।”
আজকের বিরোধী দল ও সরকারি দলের একসঙ্গে বিগত আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, “আমরা বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘ সংগ্রাম করেছি, অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন বা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৫ আগস্টের পর অনেকের চেহারা বদলে গেছে, যাঁরা এখন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বিভিন্ন উক্তি করছেন, যা গণতন্ত্রকে সাহায্য করে না। তাঁরা নির্বাচনকে “ইঞ্জিনিয়ারিং” বলছেন, যা এ দেশের মানুষ মেনে নেবে না।”

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
দেশের সংবিধানকে নিজেদের অস্তিত্ব, নিজেদের আবেগ বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সংসদে বিরোধী দলের সদস্যদের উদ্দেশ করে বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, “আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, বিশেষ করে আমাদের সম্মানিত এক সদস্য বলেছেন যে আমি সংবিধানকে ধরে রাখার চেষ্টা করেছি এবং বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছি। হ্যাঁ, আমি করেছি, কারণ এই সংবিধান আমাদের অস্তিত্ব, আমাদের আবেগ এবং ১৯৭১ সালে লাখ লাখ শহীদের রক্তের সঙ্গে জড়িত।’
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী দিনে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এই সংবিধানের অনেকগুলো ধারা ও অধ্যায় বারবার পরিবর্তন করে একে একটা ‘ছেঁড়া পাতায়’ পরিণত করা হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, “তারপরও এটি আমাদের সংবিধান, যার জন্য আমরা যুদ্ধ করেছি। (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) সালাহউদ্দিন সাহেব অত্যন্ত সত্য কথা বলেছেন যে রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান। ৫ আগস্টের পর এই রাষ্ট্রপতি না থাকলে রাষ্ট্রে চরম অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হতো, আমরা হয়তো জাতিকে রক্ষা করতে পারতাম কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।”
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘পরিবর্তনের প্রতীক’ আখ্যা দিয়ে ফখরুল বলেন, “আমাদের নেতা (তারেক রহমান) দারিদ্র্য বিমোচন এবং সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে নারীর ক্ষমতায়নে কাজ শুরু করেছেন। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষির উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টা কাজ করছেন, যা তার রক্তে আছে।”
লন্ডনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠকের কথা প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, “লন্ডনের ঐতিহাসিক বৈঠক নিয়ে যারা বিদ্রূপ করেন, আমি তাদের তীব্র নিন্দা জানাই। লন্ডনে আমাদের চেয়ারম্যান এবং তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার মধ্যে সেই বৈঠক হয়েছিল বলেই আজ আমরা এই পার্লামেন্টে বসতে পেরেছি। ওই বৈঠকেই নির্বাচন এবং প্রধান উপদেষ্টা ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি ঠিক হয়েছিল।”
আজকের বিরোধী দল ও সরকারি দলের একসঙ্গে বিগত আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কথা উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, “আমরা বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘ সংগ্রাম করেছি, অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন বা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৫ আগস্টের পর অনেকের চেহারা বদলে গেছে, যাঁরা এখন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বিভিন্ন উক্তি করছেন, যা গণতন্ত্রকে সাহায্য করে না। তাঁরা নির্বাচনকে “ইঞ্জিনিয়ারিং” বলছেন, যা এ দেশের মানুষ মেনে নেবে না।”

আপনার মতামত লিখুন