ম্যাচের শুরুটা অবশ্য জার্মানির প্রত্যাশামতোই হয়েছিল। খেলার মাত্র ৬ মিনিটে মিডফিল্ডার ফেলিক্স এনমেচার গোলে এগিয়ে যায় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে মাত্র ১ লাখ ৫৮ হাজার জনসংখ্যার দেশ কুরাসাও দমে যায়নি।
ম্যাচের ২১ মিনিটে বিশ্বকে চমকে দিয়ে সমতায় ফেরে তারা। ডান প্রান্ত থেকে রাইটব্যাক লিভানো কোমেনেনসিয়া বক্সের ভেতর বল পেয়ে দুর্দান্ত এক বাঁ পায়ের শটে পরাস্ত করেন জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারকে। বল জালে জড়াতেই গ্যালারিতে থাকা কুরাসাও সমর্থকেরা উল্লাসে ফেটে পড়েন এবং কোমেনেনসিয়া রেসলিং তারকা জন সিনার বিখ্যাত ভঙ্গিতে গোল উদ্যাপন করেন।
ইতিহাস গড়া এই গোলের পর ধারাভাষ্যকার ইয়ান ডার্ক আবেগভরা কণ্ঠে বলেন, "হিউস্টনে ইতিহাস। মাত্র এক লাখের একটু বেশি মানুষের একটি দেশ কোটি কোটি মানুষকে বিস্মিত করে দিয়েছে।"
তবে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট দেশ কুরাসাওয়ের এই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। জার্মান শিবিরে যে সাময়িক আতঙ্কের মেঘ জমেছিল, তা দ্রুতই কেটে যায়। ৩৮ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে গোল করে জার্মানিকে আবারও ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন নিকো শ্লটারবেক।
এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বক্সের মধ্যে ফেলিক্স এনমেচাকে ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় জার্মানি। স্পটকিক থেকে নিখুঁত শটে কাই হাভার্টজ গোল করলে ৩-১ ব্যবধান নিয়ে বিরতিতে যায় দল।
দ্বিতীয়ার্ধে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে এবং জার্মানি একের পর এক গোল করতে থাকে। ৫২ মিনিটে ইয়োশুয়া কিমিখের পাস থেকে জামাল মুসিয়ালা গোল করে ব্যবধান ৪-১ করেন।
এরপর ৬৮ মিনিটে লেফটব্যাক নাথানিয়েল ব্রাউন এবং ৭৮ মিনিটে ডেনিজ উনদাভ গোলদাতাদের তালিকায় নাম লেখান। ম্যাচের শেষ দিকে কাই হাভার্টজ নিজের দ্বিতীয় ও দলের সপ্তম গোলটি করলে ৭-১ গোলের বিশাল জয় নিশ্চিত হয়।
একপর্যায়ে সমতায় ফিরে লড়াইয়ের আভাস দিলেও শেষ পর্যন্ত জার্মানির আক্রমণের প্রবল ঢেউ সামলাতে পারেনি নবাগত কুরাসাও। এই দাপুটে জয়ে ‘ই’ গ্রুপ থেকে নিজেদের শক্তিমত্তার জোরালো জানান দিল জার্মানরা।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য জার্মানির প্রত্যাশামতোই হয়েছিল। খেলার মাত্র ৬ মিনিটে মিডফিল্ডার ফেলিক্স এনমেচার গোলে এগিয়ে যায় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে মাত্র ১ লাখ ৫৮ হাজার জনসংখ্যার দেশ কুরাসাও দমে যায়নি।
ম্যাচের ২১ মিনিটে বিশ্বকে চমকে দিয়ে সমতায় ফেরে তারা। ডান প্রান্ত থেকে রাইটব্যাক লিভানো কোমেনেনসিয়া বক্সের ভেতর বল পেয়ে দুর্দান্ত এক বাঁ পায়ের শটে পরাস্ত করেন জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারকে। বল জালে জড়াতেই গ্যালারিতে থাকা কুরাসাও সমর্থকেরা উল্লাসে ফেটে পড়েন এবং কোমেনেনসিয়া রেসলিং তারকা জন সিনার বিখ্যাত ভঙ্গিতে গোল উদ্যাপন করেন।
ইতিহাস গড়া এই গোলের পর ধারাভাষ্যকার ইয়ান ডার্ক আবেগভরা কণ্ঠে বলেন, "হিউস্টনে ইতিহাস। মাত্র এক লাখের একটু বেশি মানুষের একটি দেশ কোটি কোটি মানুষকে বিস্মিত করে দিয়েছে।"
তবে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট দেশ কুরাসাওয়ের এই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। জার্মান শিবিরে যে সাময়িক আতঙ্কের মেঘ জমেছিল, তা দ্রুতই কেটে যায়। ৩৮ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে গোল করে জার্মানিকে আবারও ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন নিকো শ্লটারবেক।
এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বক্সের মধ্যে ফেলিক্স এনমেচাকে ফাউল করা হলে পেনাল্টি পায় জার্মানি। স্পটকিক থেকে নিখুঁত শটে কাই হাভার্টজ গোল করলে ৩-১ ব্যবধান নিয়ে বিরতিতে যায় দল।
দ্বিতীয়ার্ধে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে এবং জার্মানি একের পর এক গোল করতে থাকে। ৫২ মিনিটে ইয়োশুয়া কিমিখের পাস থেকে জামাল মুসিয়ালা গোল করে ব্যবধান ৪-১ করেন।
এরপর ৬৮ মিনিটে লেফটব্যাক নাথানিয়েল ব্রাউন এবং ৭৮ মিনিটে ডেনিজ উনদাভ গোলদাতাদের তালিকায় নাম লেখান। ম্যাচের শেষ দিকে কাই হাভার্টজ নিজের দ্বিতীয় ও দলের সপ্তম গোলটি করলে ৭-১ গোলের বিশাল জয় নিশ্চিত হয়।
একপর্যায়ে সমতায় ফিরে লড়াইয়ের আভাস দিলেও শেষ পর্যন্ত জার্মানির আক্রমণের প্রবল ঢেউ সামলাতে পারেনি নবাগত কুরাসাও। এই দাপুটে জয়ে ‘ই’ গ্রুপ থেকে নিজেদের শক্তিমত্তার জোরালো জানান দিল জার্মানরা।

আপনার মতামত লিখুন