সরকারের নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মালিকপক্ষের ব্যক্তিগত স্বার্থও গণমাধ্যমের কার্যকারিতা নষ্ট করছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, অনেক সময় মালিকরা তাদের নিজস্ব প্রয়োজনে সংবাদমাধ্যমকে ব্যবহার করায় এর প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
শনিবার (২ মে) বিশ্ব
মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা
বিভাগ আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, “সরকার যেমন গণমাধ্যমের ওপর কর্তৃত্ব করতে চায়, মালিকপক্ষও তেমনি নিজ স্বার্থে একে কাজে লাগিয়ে এর
কার্যকারিতা বিনষ্ট করছে। আমাদের এখন ভারসাম্যপূর্ণ স্বাধীনতার দিকে মনোযোগ দিতে
হবে। আর এই স্বাধীনতার রোডম্যাপ তৈরির ক্ষেত্রে সংবাদপত্রের মালিকদেরই প্রধান
ভূমিকা পালন করতে হবে।” গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সরকার ও সংবাদমাধ্যম উভয়
পক্ষের মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বর্তমান সরকারের
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা প্রসঙ্গে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্বল্প সময়ের কাজের মাধ্যমেই তার লক্ষ্য
প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন। যেহেতু সমস্যাগুলো নতুন, তাই এর সমাধানও হতে হবে আধুনিক ও নতুন। এই সংকট উত্তরণে
বুদ্ধিদীপ্ত কৌশলের ওপর জোর দিয়ে তিনি তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
তরুণ সমাজই গণমাধ্যমের
স্বাধীনতা নিশ্চিতের প্রধান হাতিয়ার হতে পারে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী জানান, দেশের সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীদের তথ্য মন্ত্রণালয়ের
‘দক্ষ স্টেকহোল্ডার’ হিসেবে কাজে লাগানোর একটি পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এ নিয়ে
দ্রুতই কাজ সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গোলটেবিল আলোচনায় দেশের
মুক্ত গণমাধ্যম নিশ্চিতে একটি স্থানীয় ‘গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক’ চালুর প্রস্তাব
দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের
বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান গত বছরের
তুলনায় তিন ধাপ পিছিয়ে ১৫২তম হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দেশের গণমাধ্যমের পরিবেশ
উন্নয়নে সরকারের সদিচ্ছার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
আলোচনা সভায়
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিকতা
বিভাগের শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
সরকারের নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মালিকপক্ষের ব্যক্তিগত স্বার্থও গণমাধ্যমের কার্যকারিতা নষ্ট করছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, অনেক সময় মালিকরা তাদের নিজস্ব প্রয়োজনে সংবাদমাধ্যমকে ব্যবহার করায় এর প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
শনিবার (২ মে) বিশ্ব
মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা
বিভাগ আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, “সরকার যেমন গণমাধ্যমের ওপর কর্তৃত্ব করতে চায়, মালিকপক্ষও তেমনি নিজ স্বার্থে একে কাজে লাগিয়ে এর
কার্যকারিতা বিনষ্ট করছে। আমাদের এখন ভারসাম্যপূর্ণ স্বাধীনতার দিকে মনোযোগ দিতে
হবে। আর এই স্বাধীনতার রোডম্যাপ তৈরির ক্ষেত্রে সংবাদপত্রের মালিকদেরই প্রধান
ভূমিকা পালন করতে হবে।” গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় সরকার ও সংবাদমাধ্যম উভয়
পক্ষের মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বর্তমান সরকারের
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা প্রসঙ্গে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্বল্প সময়ের কাজের মাধ্যমেই তার লক্ষ্য
প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন। যেহেতু সমস্যাগুলো নতুন, তাই এর সমাধানও হতে হবে আধুনিক ও নতুন। এই সংকট উত্তরণে
বুদ্ধিদীপ্ত কৌশলের ওপর জোর দিয়ে তিনি তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
তরুণ সমাজই গণমাধ্যমের
স্বাধীনতা নিশ্চিতের প্রধান হাতিয়ার হতে পারে মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী জানান, দেশের সাংবাদিকতার শিক্ষার্থীদের তথ্য মন্ত্রণালয়ের
‘দক্ষ স্টেকহোল্ডার’ হিসেবে কাজে লাগানোর একটি পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এ নিয়ে
দ্রুতই কাজ সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গোলটেবিল আলোচনায় দেশের
মুক্ত গণমাধ্যম নিশ্চিতে একটি স্থানীয় ‘গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক’ চালুর প্রস্তাব
দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের
বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান গত বছরের
তুলনায় তিন ধাপ পিছিয়ে ১৫২তম হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দেশের গণমাধ্যমের পরিবেশ
উন্নয়নে সরকারের সদিচ্ছার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
আলোচনা সভায়
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিকতা
বিভাগের শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন