ইহুদিবাদী ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং স্পর্শকাতর তথ্য পাচারের দায়ে ইরানে দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদ মাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা
হলেন: ইয়াকুব করিমপুর এবং নাসের বেকারজাদেহ।
তাদের বিরুদ্ধে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি
এবং শত্রুপক্ষকে গোপনীয় নথিপত্র সরবরাহের অকাট্য প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে দেশটির
বিচার বিভাগ।
নাসের
বেকারজাদেহের বিরুদ্ধে মারাত্মক সব অভিযোগ আনা
হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়, তিনি ইরানের
গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, ধর্মীয় ও প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের
ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক বিবরণ
সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও তিনি নাতাঞ্জ অঞ্চলের
স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো
সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ইসরায়েলিদের হাতে
তুলে দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, নাতাঞ্জ এলাকায় ইরানের একটি বৃহৎ ও
প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা অবস্থিত।
অন্যদিকে,
ইয়াকুব করিমপুরের বিরুদ্ধে মোসাদের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তার কাছে
সরাসরি সংবেদনশীল জাতীয় তথ্য পাচারের সুনির্দিষ্ট
অভিযোগ রয়েছে। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ইরানের সুপ্রিম
কোর্ট তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলে তা
কার্যকর করা হয়।
এর আগে গত মাসেও
মাহদি ফারিদ নামের এক ইরানি নাগরিককে
একই অভিযোগে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। ফারিদ
ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের
সিভিল ডিফেন্স কমিটির ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তার
উচ্চ পর্যায়ের রাষ্ট্রীয় প্রবেশাধিকার থাকায় তিনি সাইবার মাধ্যমে
মোসাদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলেন। আদালতে
নিজের অপরাধ স্বীকার করে ফারিদ জানান,
তিনি জেনেশুনেই মোসাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। তদন্তে তিনি মোসাদের সঙ্গে
যোগাযোগের প্রতিটি ধাপ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা
করেন।
ইরানের
পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,
জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা
এবং জায়নিস্ট শাসনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির বিরুদ্ধে
তেহরানের অবস্থান আপসহীন। এই দুই দণ্ড
কার্যকরের মাধ্যমে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে একটি কড়া বার্তা
দেওয়া হলো বলে মনে
করছেন বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
ইহুদিবাদী ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং স্পর্শকাতর তথ্য পাচারের দায়ে ইরানে দুই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদ মাধ্যম ফার্স নিউজ এজেন্সি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা
হলেন: ইয়াকুব করিমপুর এবং নাসের বেকারজাদেহ।
তাদের বিরুদ্ধে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি
এবং শত্রুপক্ষকে গোপনীয় নথিপত্র সরবরাহের অকাট্য প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে দেশটির
বিচার বিভাগ।
নাসের
বেকারজাদেহের বিরুদ্ধে মারাত্মক সব অভিযোগ আনা
হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে জানানো হয়, তিনি ইরানের
গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, ধর্মীয় ও প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের
ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক বিবরণ
সংগ্রহ করেছিলেন। এছাড়াও তিনি নাতাঞ্জ অঞ্চলের
স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো
সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ইসরায়েলিদের হাতে
তুলে দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, নাতাঞ্জ এলাকায় ইরানের একটি বৃহৎ ও
প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা অবস্থিত।
অন্যদিকে,
ইয়াকুব করিমপুরের বিরুদ্ধে মোসাদের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তার কাছে
সরাসরি সংবেদনশীল জাতীয় তথ্য পাচারের সুনির্দিষ্ট
অভিযোগ রয়েছে। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ইরানের সুপ্রিম
কোর্ট তাদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলে তা
কার্যকর করা হয়।
এর আগে গত মাসেও
মাহদি ফারিদ নামের এক ইরানি নাগরিককে
একই অভিযোগে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। ফারিদ
ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের
সিভিল ডিফেন্স কমিটির ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তার
উচ্চ পর্যায়ের রাষ্ট্রীয় প্রবেশাধিকার থাকায় তিনি সাইবার মাধ্যমে
মোসাদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলেন। আদালতে
নিজের অপরাধ স্বীকার করে ফারিদ জানান,
তিনি জেনেশুনেই মোসাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। তদন্তে তিনি মোসাদের সঙ্গে
যোগাযোগের প্রতিটি ধাপ বিস্তারিতভাবে বর্ণনা
করেন।
ইরানের
পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,
জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা
এবং জায়নিস্ট শাসনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির বিরুদ্ধে
তেহরানের অবস্থান আপসহীন। এই দুই দণ্ড
কার্যকরের মাধ্যমে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে একটি কড়া বার্তা
দেওয়া হলো বলে মনে
করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন