বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে বিএনপি কখনোই একমত পোষণ করেনি।
ফখরুল
জোর দিয়ে বলেন, জুলাই
সনদের প্রতিটি ধাপে বিএনপি অংশ
নিয়েছে এবং কিছু বিষয়ে
‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা
ভিন্নমত প্রদান করে স্বাক্ষর করেছে।
তবে এখন সবকিছুই বাস্তবায়ন
করতে হবে এমন দাবি
সঠিক নয়।
তার
মতে, উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতি এবং
সংবিধান সংস্কার পরিষদ; এই দুই বিষয়ে
তাদের স্পষ্ট দ্বিমত রয়েছে এবং যেকোনো বড়
সিদ্ধান্ত কেবলমাত্র সংসদের মাধ্যমেই হওয়া উচিত।
রাজধানীর
শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে
জিয়া পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মো. আব্দুল
কুদ্দুসের স্মরণসভায় তিনি এমন বক্তব্য দেন।
দলের
অবস্থান পরিষ্কার করে বিএনপি মহাসচিব
জানান, বিএনপি সবসময়ই সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তবে সংস্কারের নামে
অন্য রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে জামায়াত যে
আন্দোলন করছে, তার উদ্দেশ্য দেশকে
অস্থিতিশীল করা বলে তিনি
মন্তব্য করেন।
দেশের
বর্তমান প্রেক্ষাপটে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজ করে দেশকে এগিয়ে
নেওয়ার আহ্বান জানান। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ
করে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট
আওয়ামী লীগ এমন একটি
সমাজ তৈরি করেছে যেখানে
মানুষের নৈতিকতা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার
দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে।
বিগত
১৫ বছরের দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরে মির্জা
ফখরুল আরও বলেন, সরকারের
ভেতরে যত গভীরে যাওয়া
হচ্ছে, ততই উদ্বেগের চিত্র
ফুটে উঠছে। চারদিকে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির রাজত্ব
কায়েম হয়েছিলো। তাই তদবির ছাড়া
কোনো কাজই সম্পন্ন হচ্ছে
না। এই পরিস্থিতি থেকে
উত্তরণ জরুরি বলে তিনি মনে
করেন।
স্মরণসভায়
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র
যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং
শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
অধ্যাপক ড. মো. আবদুল
লতিফ।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে বিএনপি কখনোই একমত পোষণ করেনি।
ফখরুল
জোর দিয়ে বলেন, জুলাই
সনদের প্রতিটি ধাপে বিএনপি অংশ
নিয়েছে এবং কিছু বিষয়ে
‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা
ভিন্নমত প্রদান করে স্বাক্ষর করেছে।
তবে এখন সবকিছুই বাস্তবায়ন
করতে হবে এমন দাবি
সঠিক নয়।
তার
মতে, উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতি এবং
সংবিধান সংস্কার পরিষদ; এই দুই বিষয়ে
তাদের স্পষ্ট দ্বিমত রয়েছে এবং যেকোনো বড়
সিদ্ধান্ত কেবলমাত্র সংসদের মাধ্যমেই হওয়া উচিত।
রাজধানীর
শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে
জিয়া পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মো. আব্দুল
কুদ্দুসের স্মরণসভায় তিনি এমন বক্তব্য দেন।
দলের
অবস্থান পরিষ্কার করে বিএনপি মহাসচিব
জানান, বিএনপি সবসময়ই সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তবে সংস্কারের নামে
অন্য রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে জামায়াত যে
আন্দোলন করছে, তার উদ্দেশ্য দেশকে
অস্থিতিশীল করা বলে তিনি
মন্তব্য করেন।
দেশের
বর্তমান প্রেক্ষাপটে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজ করে দেশকে এগিয়ে
নেওয়ার আহ্বান জানান। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ
করে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট
আওয়ামী লীগ এমন একটি
সমাজ তৈরি করেছে যেখানে
মানুষের নৈতিকতা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শেখ হাসিনার সরকার
দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে।
বিগত
১৫ বছরের দুঃশাসনের চিত্র তুলে ধরে মির্জা
ফখরুল আরও বলেন, সরকারের
ভেতরে যত গভীরে যাওয়া
হচ্ছে, ততই উদ্বেগের চিত্র
ফুটে উঠছে। চারদিকে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির রাজত্ব
কায়েম হয়েছিলো। তাই তদবির ছাড়া
কোনো কাজই সম্পন্ন হচ্ছে
না। এই পরিস্থিতি থেকে
উত্তরণ জরুরি বলে তিনি মনে
করেন।
স্মরণসভায়
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র
যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং
শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
অধ্যাপক ড. মো. আবদুল
লতিফ।

আপনার মতামত লিখুন