যারা আমার জানাজা পড়াবে না বলে প্রচার করছে, তারা মূলত জামায়াতের লোক বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। গতকাল শনিবার (২ মে) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কড়া মন্তব্য করেন।
ফজলুর রহমান বলেন,
“যারা এসব কথা বলছে তারা
জামায়াতের লোক। আমার জানাজা পড়ানোর মানুষের অভাব হবে না। আল্লাহ যদি কপালে লিখে
রাখেন,
তবে আমার জানাজা পড়ানোর জন্য
জামায়াতের ওয়াহাবীদের প্রয়োজন হবে না। যারা বলছে জানাজা পড়াবে না,
আল্লাহ হয়তো তাদের আমার আগেই
নিয়ে যেতে পারেন।”
নিজের ধর্মীয় ও
রাজনৈতিক দর্শনের পার্থক্য তুলে ধরে এই সংসদ সদস্য বলেন,
“আমি এমপি হয়েছি,
এটি আমার রাজনৈতিক পরিচয় কিন্তু
আমার আধ্যাত্মিক বিশ্বাস আলাদা। আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলে বিশ্বাসী,
কোরআনে বিশ্বাসী মানুষ। আমি
সুফিবাদী ধারার অনুসারী।”
তিনি আরও যোগ করেন,
“আমি আহলে সুন্নাত ওয়াল
জামায়াতের লোক। আমার বহু পীর-আউলিয়া, গাউস-কুতুব ও দরবেশ হুজুররা আছেন। আমি বিশ্বাস করি,
যেদিন আমার লাশ তাদের সামনে
রাখা হবে,
সেদিন জানাজা পড়ার মানুষের কোনো
কমতি হবে না।”
উল্লেখ্য,
সম্প্রতি স্থানীয় রাজনীতিতে
জানাজা পড়ানো নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের প্রেক্ষিতেই সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান নিজের
অবস্থান পরিষ্কার করেন।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
যারা আমার জানাজা পড়াবে না বলে প্রচার করছে, তারা মূলত জামায়াতের লোক বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। গতকাল শনিবার (২ মে) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কড়া মন্তব্য করেন।
ফজলুর রহমান বলেন,
“যারা এসব কথা বলছে তারা
জামায়াতের লোক। আমার জানাজা পড়ানোর মানুষের অভাব হবে না। আল্লাহ যদি কপালে লিখে
রাখেন,
তবে আমার জানাজা পড়ানোর জন্য
জামায়াতের ওয়াহাবীদের প্রয়োজন হবে না। যারা বলছে জানাজা পড়াবে না,
আল্লাহ হয়তো তাদের আমার আগেই
নিয়ে যেতে পারেন।”
নিজের ধর্মীয় ও
রাজনৈতিক দর্শনের পার্থক্য তুলে ধরে এই সংসদ সদস্য বলেন,
“আমি এমপি হয়েছি,
এটি আমার রাজনৈতিক পরিচয় কিন্তু
আমার আধ্যাত্মিক বিশ্বাস আলাদা। আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলে বিশ্বাসী,
কোরআনে বিশ্বাসী মানুষ। আমি
সুফিবাদী ধারার অনুসারী।”
তিনি আরও যোগ করেন,
“আমি আহলে সুন্নাত ওয়াল
জামায়াতের লোক। আমার বহু পীর-আউলিয়া, গাউস-কুতুব ও দরবেশ হুজুররা আছেন। আমি বিশ্বাস করি,
যেদিন আমার লাশ তাদের সামনে
রাখা হবে,
সেদিন জানাজা পড়ার মানুষের কোনো
কমতি হবে না।”
উল্লেখ্য,
সম্প্রতি স্থানীয় রাজনীতিতে
জানাজা পড়ানো নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের প্রেক্ষিতেই সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান নিজের
অবস্থান পরিষ্কার করেন।

আপনার মতামত লিখুন