চকচকে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ি আর ২৪ দফা ইশতেহার নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ২৩টি পদের মধ্যে ২০টিতে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ প্রভাব প্রতিষ্ঠা করে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’। একই কমিটিতে ‘আধিপত্যবিরোধী’ প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হন সালাউদ্দিন আম্মার। তবে অর্ধেক মেয়াদ পার হলেও ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।
নির্বাচনের পর পেরিয়ে
গেছে ছয় মাস, তবে ইশতেহারের অধিকাংশ প্রতিশ্রুতিই রয়ে গেছে কাগজে-কলমে। এখন রাকসুর
নির্বাচিতদের একে-অন্যকে দোষারোপ ও অনলাইন বাকযুদ্ধই প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে
উঠেছে।
গত ৬ এপ্রিল জামায়াত
নেতা ও আইনজীবী শিশির মোহাম্মদ মনির এবং এবি পার্টির ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে
আলোচক করে গণভোট বিষয়ক সভার আয়োজন করেছিল রাকসু। সেই সভার বিষয়ে জানতেন না বলে দাবি
করেন রাকসু জিএস আম্মার। তিনি বলেন, ফেইসবুকে পোস্ট হওয়ার পর তিনি বিষয়টি ‘জানতে পারেন’।
রাকসুর যে কোনো আয়োজনে সভাপতিত্ব বা স্বাগত বক্তব্য রাখা এবং জিএস ও পরাজিত প্রার্থীদের
‘একই স্পেস’ দেওয়া নিয়ে ‘সৌন্দর্য ও পদের’ নীতিগত প্রশ্ন তুলেন আম্মার।
তিনি বলেন, “রাকসুর
বিষয়ে কোনো আলোচনা তুললেই সাথে সাথে শিবিরের সবাই কাউন্টার দিতে হাজির হয়।”
তবে বিতর্ক ও সাহিত্য
সম্পাদক ইমরান লস্কর দাবি করেন, ‘৪ তারিখ রাত ১১:২৭ মিনিটে’ রাকসুর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে
‘জানানো হয়’ শিশির মনির ৬ তারিখের সেমিনারে আসছেন। অথচ ‘আম্মার ১০ মিনিট আগে’, অর্থাৎ
১১:১৭ মিনিটে ওই গ্রুপে কথা বলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আম্মারের
শেয়ার করা একটি স্ক্রিনশটে ইমরান লস্করের কিছু বক্তব্য দেখা যায়, যেখানে তিনি বলেন,
“আমার দপ্তরের প্রোগ্রাম আমি ঠিক করব। আমার মন চাইলে কাজ করবো, না চাইলে করবো না। ভিপি-জিএস-এজিএস
এখানে নাগ গলাতে আসবেন না দয়া করে।”
স্ক্রিনশটে টাকার
বিষয়ে লস্কর আম্মারকে বলেন, “আমার দপ্তরের টাকা তুমি দিতে বাধ্য। এই বাধ্যবাধকতার জায়গায়
পাওয়ার খাটাতে এসো না ভাই।”
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ
করে বলেন, নির্বাচনের সময় দেওয়া আশ্বাসগুলো এখন অনেকটাই ‘কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ’। ইশতেহার
বাস্তবায়নের চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অন্যকে দায়ী করার প্রবণতাই বেশি দেখা
যাচ্ছে।
শিক্ষার্থী এবং
অন্যান্য সংঘঠনের অভিযোগ, রাবি শিবিরের সবাই ‘প্রমাণ করতে ব্যস্ত’ সালাউদ্দিন আম্মার
‘তাদের দলভুক্ত নয়’। তবে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ হিসেবে সালাউদ্দিন আম্মার শিবিরের ‘পারপাসই
সার্ভ করবে নিশ্চিন্তে’। আর তার কাজগুলোকে রাবি শিবিরও ‘নিন্দা জানাবে’। তারা
রাবি শিক্ষার্থীদের ‘বলদ বানাবার’ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
বিভাগের শিক্ষার্থী শরীফুল ইসলাম তানবীর বলেন, “এখন সহজে বোঝা যায় কে গুপ্ত শিবির আর
কে প্রকাশ্য শিবির। এতদিন পর্যন্ত আম্মার নিদিষ্ট একটা দলের গুণগান গাইছে এবং নিদিষ্ট
দলের লোকদের সমর্থন করে গেছে। এটা মানুষ দেখানো গুপ্ত শিবির আর প্রকাশ্য শিবিরের মধ্যে
একটা পাতানো যুদ্ধ।”
ছাত্রদল নেতা কাফি
বলেন, "গুপ্ত শিবির আম্মার। তারা যা করতেছে এটাকে আমাদের বগুড়ার ভাষায় বলে ‘ছল
শোতানা গপ্পো’ মানে বাচ্চাকে ঘুম পাড়ানি কল্পকাহিনী। তাদের নাটক আমরা বুঝি। শিবির অবস্থা
বেগতিক দেখে আগামী রাকসুর জন্য আম্মারকে অশিবির প্রমাণ করার নাটক করতেছে। এসব কেউ খায়
না। আম্মার গোলাম আযমের চেয়েও বড় শিবির।"
রাবি শাখা ছাত্র
অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আল শাহরিয়ার শুভ বলেন, "রাবি শিবিরের সবাই
প্রমাণ করতে ব্যস্ত সালাউদ্দিন আম্মার তাদের দলভুক্ত নয়। তারপর সাধারণ শিক্ষার্থী
হিসেবে সালাউদ্দিন তাদেরই পারপাস সার্ভ করবে নিশ্চিন্তে। আর তার কাজগুলোকে রাবি
শিবিরও নিন্দা জানাবে। রাবি শিক্ষার্থীদের তারা বলদ ভাবেন।”
সম্প্রতি এক বক্তব্যে
জিএস সালাউদ্দিন আম্মার অভিযোগ করেন, “রাকসুর অধিকাংশ সদস্য শিবির সমর্থিত হওয়ায় ভিন্ন
মতের প্রতিনিধিদের মতামত যথাযথ গুরুত্ব পায় না।”
তিনি বলেন, “আমিসহ
কয়েকজন ভিন্ন প্যানেল থেকে নির্বাচিত হওয়ায় আমাদের মতামত অনেক সময় উপেক্ষিত হয়। অনেক
সময় ভিপির সংশ্লিষ্টতায় প্রোগ্রাম আয়োজন ও অতিথি নির্বাচন করা হয়। সাম্প্রতিক একটি
সেমিনারে আমি ইচ্ছাকৃতভাবে উপস্থিত হইনি।”
তবে এজিএস সালমান
সাব্বির এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রোগ্রাম হয়নি যেখানে
কারো মতামত উপেক্ষা করে জোরপূর্বক কিছু করা হয়েছে। প্রত্যেক সম্পাদক নিজ নিজ অবস্থান
থেকে কাজ করে যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন,
“জিএস বরাবরই মিডিয়ার সামনে সহানুভূতি পাওয়ার জন্য এমন বক্তব্য দিয়ে থাকেন। কোনো সমস্যা
থাকলে তা অভ্যন্তরীণ সভায় উত্থাপন করা উচিত।”
তিনি অভিযোগ করে
বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও জিএস একাধিকবার অন্য সম্পাদকদের দায়ী করে নিজেকে নির্দোষ
প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। রাকসুর ভালো কাজের কৃতিত্ব তিনি নেন, আর ব্যর্থতার দায় চাপান
শিবিরের ওপর।”
এ বিষয়ে রাকসুর
ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, “জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের কিছু বক্তব্য সামাজিক
মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তিনি কিছু ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন। শিবির প্যানেলের
বাইরে তিনজনের মতামত গ্রহণ করা হয় না—এমন অভিযোগ সত্য নয়; অধিবেশনে কোনো অ্যাজেন্ডা
মতামতের কারণে বাদ যাওয়ার নজির নেই।”
তিনি আরও বলেন,
“ভিপির কনসার্নে প্রোগ্রাম ও অতিথি নির্বাচন হয় — এটিও সঠিক নয়। রাকসুর নিয়ম অনুযায়ী
সম্পাদকগণ নিজেরাই প্রোগ্রাম আয়োজন করেন।”

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
চকচকে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুড়ি আর ২৪ দফা ইশতেহার নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ২৩টি পদের মধ্যে ২০টিতে জয় পেয়ে নিরঙ্কুশ প্রভাব প্রতিষ্ঠা করে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’। একই কমিটিতে ‘আধিপত্যবিরোধী’ প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নির্বাচিত হন সালাউদ্দিন আম্মার। তবে অর্ধেক মেয়াদ পার হলেও ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।
নির্বাচনের পর পেরিয়ে
গেছে ছয় মাস, তবে ইশতেহারের অধিকাংশ প্রতিশ্রুতিই রয়ে গেছে কাগজে-কলমে। এখন রাকসুর
নির্বাচিতদের একে-অন্যকে দোষারোপ ও অনলাইন বাকযুদ্ধই প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে
উঠেছে।
গত ৬ এপ্রিল জামায়াত
নেতা ও আইনজীবী শিশির মোহাম্মদ মনির এবং এবি পার্টির ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে
আলোচক করে গণভোট বিষয়ক সভার আয়োজন করেছিল রাকসু। সেই সভার বিষয়ে জানতেন না বলে দাবি
করেন রাকসু জিএস আম্মার। তিনি বলেন, ফেইসবুকে পোস্ট হওয়ার পর তিনি বিষয়টি ‘জানতে পারেন’।
রাকসুর যে কোনো আয়োজনে সভাপতিত্ব বা স্বাগত বক্তব্য রাখা এবং জিএস ও পরাজিত প্রার্থীদের
‘একই স্পেস’ দেওয়া নিয়ে ‘সৌন্দর্য ও পদের’ নীতিগত প্রশ্ন তুলেন আম্মার।
তিনি বলেন, “রাকসুর
বিষয়ে কোনো আলোচনা তুললেই সাথে সাথে শিবিরের সবাই কাউন্টার দিতে হাজির হয়।”
তবে বিতর্ক ও সাহিত্য
সম্পাদক ইমরান লস্কর দাবি করেন, ‘৪ তারিখ রাত ১১:২৭ মিনিটে’ রাকসুর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে
‘জানানো হয়’ শিশির মনির ৬ তারিখের সেমিনারে আসছেন। অথচ ‘আম্মার ১০ মিনিট আগে’, অর্থাৎ
১১:১৭ মিনিটে ওই গ্রুপে কথা বলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আম্মারের
শেয়ার করা একটি স্ক্রিনশটে ইমরান লস্করের কিছু বক্তব্য দেখা যায়, যেখানে তিনি বলেন,
“আমার দপ্তরের প্রোগ্রাম আমি ঠিক করব। আমার মন চাইলে কাজ করবো, না চাইলে করবো না। ভিপি-জিএস-এজিএস
এখানে নাগ গলাতে আসবেন না দয়া করে।”
স্ক্রিনশটে টাকার
বিষয়ে লস্কর আম্মারকে বলেন, “আমার দপ্তরের টাকা তুমি দিতে বাধ্য। এই বাধ্যবাধকতার জায়গায়
পাওয়ার খাটাতে এসো না ভাই।”
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ
করে বলেন, নির্বাচনের সময় দেওয়া আশ্বাসগুলো এখন অনেকটাই ‘কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ’। ইশতেহার
বাস্তবায়নের চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অন্যকে দায়ী করার প্রবণতাই বেশি দেখা
যাচ্ছে।
শিক্ষার্থী এবং
অন্যান্য সংঘঠনের অভিযোগ, রাবি শিবিরের সবাই ‘প্রমাণ করতে ব্যস্ত’ সালাউদ্দিন আম্মার
‘তাদের দলভুক্ত নয়’। তবে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ হিসেবে সালাউদ্দিন আম্মার শিবিরের ‘পারপাসই
সার্ভ করবে নিশ্চিন্তে’। আর তার কাজগুলোকে রাবি শিবিরও ‘নিন্দা জানাবে’। তারা
রাবি শিক্ষার্থীদের ‘বলদ বানাবার’ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা
বিভাগের শিক্ষার্থী শরীফুল ইসলাম তানবীর বলেন, “এখন সহজে বোঝা যায় কে গুপ্ত শিবির আর
কে প্রকাশ্য শিবির। এতদিন পর্যন্ত আম্মার নিদিষ্ট একটা দলের গুণগান গাইছে এবং নিদিষ্ট
দলের লোকদের সমর্থন করে গেছে। এটা মানুষ দেখানো গুপ্ত শিবির আর প্রকাশ্য শিবিরের মধ্যে
একটা পাতানো যুদ্ধ।”
ছাত্রদল নেতা কাফি
বলেন, "গুপ্ত শিবির আম্মার। তারা যা করতেছে এটাকে আমাদের বগুড়ার ভাষায় বলে ‘ছল
শোতানা গপ্পো’ মানে বাচ্চাকে ঘুম পাড়ানি কল্পকাহিনী। তাদের নাটক আমরা বুঝি। শিবির অবস্থা
বেগতিক দেখে আগামী রাকসুর জন্য আম্মারকে অশিবির প্রমাণ করার নাটক করতেছে। এসব কেউ খায়
না। আম্মার গোলাম আযমের চেয়েও বড় শিবির।"
রাবি শাখা ছাত্র
অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আল শাহরিয়ার শুভ বলেন, "রাবি শিবিরের সবাই
প্রমাণ করতে ব্যস্ত সালাউদ্দিন আম্মার তাদের দলভুক্ত নয়। তারপর সাধারণ শিক্ষার্থী
হিসেবে সালাউদ্দিন তাদেরই পারপাস সার্ভ করবে নিশ্চিন্তে। আর তার কাজগুলোকে রাবি
শিবিরও নিন্দা জানাবে। রাবি শিক্ষার্থীদের তারা বলদ ভাবেন।”
সম্প্রতি এক বক্তব্যে
জিএস সালাউদ্দিন আম্মার অভিযোগ করেন, “রাকসুর অধিকাংশ সদস্য শিবির সমর্থিত হওয়ায় ভিন্ন
মতের প্রতিনিধিদের মতামত যথাযথ গুরুত্ব পায় না।”
তিনি বলেন, “আমিসহ
কয়েকজন ভিন্ন প্যানেল থেকে নির্বাচিত হওয়ায় আমাদের মতামত অনেক সময় উপেক্ষিত হয়। অনেক
সময় ভিপির সংশ্লিষ্টতায় প্রোগ্রাম আয়োজন ও অতিথি নির্বাচন করা হয়। সাম্প্রতিক একটি
সেমিনারে আমি ইচ্ছাকৃতভাবে উপস্থিত হইনি।”
তবে এজিএস সালমান
সাব্বির এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রোগ্রাম হয়নি যেখানে
কারো মতামত উপেক্ষা করে জোরপূর্বক কিছু করা হয়েছে। প্রত্যেক সম্পাদক নিজ নিজ অবস্থান
থেকে কাজ করে যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন,
“জিএস বরাবরই মিডিয়ার সামনে সহানুভূতি পাওয়ার জন্য এমন বক্তব্য দিয়ে থাকেন। কোনো সমস্যা
থাকলে তা অভ্যন্তরীণ সভায় উত্থাপন করা উচিত।”
তিনি অভিযোগ করে
বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও জিএস একাধিকবার অন্য সম্পাদকদের দায়ী করে নিজেকে নির্দোষ
প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। রাকসুর ভালো কাজের কৃতিত্ব তিনি নেন, আর ব্যর্থতার দায় চাপান
শিবিরের ওপর।”
এ বিষয়ে রাকসুর
ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, “জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের কিছু বক্তব্য সামাজিক
মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তিনি কিছু ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন। শিবির প্যানেলের
বাইরে তিনজনের মতামত গ্রহণ করা হয় না—এমন অভিযোগ সত্য নয়; অধিবেশনে কোনো অ্যাজেন্ডা
মতামতের কারণে বাদ যাওয়ার নজির নেই।”
তিনি আরও বলেন,
“ভিপির কনসার্নে প্রোগ্রাম ও অতিথি নির্বাচন হয় — এটিও সঠিক নয়। রাকসুর নিয়ম অনুযায়ী
সম্পাদকগণ নিজেরাই প্রোগ্রাম আয়োজন করেন।”

আপনার মতামত লিখুন