জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন ইস্যুতে সক্রিয় ও উচ্চকণ্ঠ থাকলেও ক্যাম্পাসে দেওয়া নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দৃশ্যমান স্থবিরতার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দীন আম্মারের বিরুদ্ধে। নির্বাচিত হবার পর অর্ধেক পার হলেও ঘোষিত অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি এখনো কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। তবে আম্মারের দাবি, ‘প্রশাসনিক অসহযোগিতার’ কারণে অনেক উদ্যোগ বাস্তবায়ন ‘সম্ভব হচ্ছে না’।
রাকসু নির্বাচনে ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেল থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হন আম্মার। তিনি পান ১১ হাজার ৪৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পান ৫ হাজার ৭২৭ ভোট। প্রায় দ্বিগুনেরও বেশী ভোটের ব্যবধানে জয়লাভের পাশাপাশি সিনেট সদস্য হিসেবেও ১২ হাজার ৮৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি। বিপুল জনসমর্থনের পরও সেই ‘আস্থার’ প্রতিফলন কার্যকর উদ্যোগে ‘পরিণত হয়নি’ বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জাতীয় ইস্যুতে ধারাবাহিকভাবে সরব থাকলেও ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে রাকসু জিএস আম্মারের কার্যকর কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই।
নির্বাচনি ইশতেহারে ক্যাম্পাসে পরিবেশবান্ধব সাশ্রয়ী যানবাহন চালুর প্রতিশ্রুতি দেন আম্মার। যেকোনো গন্তব্যে মাত্র ৫ টাকায় যাতায়াতের ঘোষণা থাকলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শোয়াইব বলেন, “বর্তমানে ক্যাম্পাসে সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা, যা ইশতেহারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভোটের জন্য অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার সামিল।”
পরিবহনের বিষয়ে আম্মার বলেন, “প্রথম অধিবেশনে ৪০টি ই-কার চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তা সম্ভব না হলে ২৫০টি রিকশা চালুর বিকল্প প্রস্তাবও রাখা হয়, যেখানে ভাড়া ৫ টাকার মধ্যে রাখার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাবে বিষয়টি এগোয়নি।” তিনি আরও জানান, ‘খুব শিগগিরই’ পরীক্ষামূলকভাবে ‘দুটি রিকশা চালুর’ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া পশ্চিমপাড়া, টুকিটাকি ও পরিবহন এলাকায় শিক্ষার্থীবান্ধব সুপারশপ স্থাপনের ঘোষণাও এখনো বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহের প্রতিশ্রুতি থাকলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। আম্মারের দাবি, সাতটি হলসংক্রান্ত প্রস্তাবনার সঙ্গে সুপারশপের বাজেট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আম্মার শিক্ষার্থীদের ‘আবেগের সঙ্গে প্রতারণা’ করেছে বলে অভিযোগ গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী শরীফুল ইসলাম তানবীরের। তিনি বলেন, “যেসব অঙ্গীকারের ভিত্তিতে আমরা তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছিলাম, দায়িত্বের অর্ধেক সময় পার হলেও তার বাস্তবায়ন শূন্যের কোঠায়। এতে তার অগ্রাধিকার ও দায়বদ্ধতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, আর শিক্ষার্থীদের আস্থাও দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে।”
তানবীর আরও বলেন, “শুরুতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ইস্যুতে তার সরবতা ছিল মূলত মিডিয়ার নজর কাড়ার জন্য। কিন্তু অর্ধেক সময় পার হলেও একটি প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন না হওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক এবং শিক্ষার্থীদের আবেগের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।”
ডিজিটাল ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে ‘আরইউ অ্যাপ’ চালুর প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়নের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবাগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার পরিকল্পনা থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আইসিটি সেন্টারের পরিচালক সাইফুল ইসলামের সঙ্গে সালাহ উদ্দীন আম্মারের বিভিন্ন সময় অনলাইনে বাকবিতণ্ডার কারণে সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। ফলে আইসিটি সেন্টারের সঙ্গে তার কোনো কার্যকর যোগাযোগ হয়নি এবং প্রকল্পটি স্থবির হয়ে আছে।
আইসিটির সমস্যার বিষয়ে আম্মার বলেন, “আইসিটি দপ্তরের সহযোগিতা ছাড়া এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব নয় এবং প্রয়োজনীয় তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে না।”
একইভাবে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)’ গঠন, ১০ মিনিটে সমস্যা সমাধান ও অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি।
রাকসুর প্রথম অধিবেশনে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছিল জানিয়ে আম্মার বলেন, “কিন্তু প্রশাসন এখনো কোনো উদ্যোগ নেয়নি। আমার একার কিছু করার এখতিয়ার নেই যদি প্রশাসন সহযোগিতা না করে। আমি সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করতে পারি।”
তবে পূর্ণ আবাসিকতা ইস্যুতে কিছু উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন তিনি। তার দাবি, শিগগিরই ৪৬ জন শিক্ষার্থীর জন্য মাসে ৬ হাজার এবং আরও ২০ জন অনাবাসিক শিক্ষার্থীকে মাসে ১ হাজার টাকা করে ‘সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে’, যা এক ‘সিনিয়র ভাইয়ের সহযোগিতায়’ বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।
‘সামর্থ্যের বাইরে’ ইশতেহার দিয়ে শিক্ষার্থীদের ‘ব্যবহার করা হয়েছে’ বলে অভিযোগ রাবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহবায়ক ফুয়াদ রাতুলের। তিনি বলেন, “রাকসুর সাংস্কৃতিক কিছু আয়োজন ছাড়া বড় কোনো কাজ করার এখতিয়ার থাকে না। তারা মূলত প্রেসার গ্রুপ হিসেবে কাজ করে। কিন্তু নির্বাচনের সময় সামর্থ্যের বাইরে ইশতেহার দিয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হয়েছে। নির্বাচিত হওয়ার পর আন্দোলনের মাধ্যমে অধিকার আদায়ে তারা এখনো জোরালো ভূমিকা রাখতে পারেনি।”
রাকসুর জিএস সালাহউদ্দীন আম্মার
মেহেদী মারুফ আরও বলেন, “জনসমর্থন নিয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর ইশতেহার বাস্তবায়নে ব্যর্থতা শুধু ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতা নয়; এটি সামগ্রিকভাবে ছাত্ররাজনীতির প্রতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্থাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।”
তবে সালাহউদ্দীন আম্মার বলেন, “নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি ইশতেহার বাস্তবায়নে। নানা সময় প্রশাসন সহযোগিতা না করলেও বিকল্প পথে উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু অসহযোগিতার কারণে কাজ এগোয়নি।”

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন ইস্যুতে সক্রিয় ও উচ্চকণ্ঠ থাকলেও ক্যাম্পাসে দেওয়া নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দৃশ্যমান স্থবিরতার অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দীন আম্মারের বিরুদ্ধে। নির্বাচিত হবার পর অর্ধেক পার হলেও ঘোষিত অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি এখনো কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। তবে আম্মারের দাবি, ‘প্রশাসনিক অসহযোগিতার’ কারণে অনেক উদ্যোগ বাস্তবায়ন ‘সম্ভব হচ্ছে না’।
রাকসু নির্বাচনে ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেল থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হন আম্মার। তিনি পান ১১ হাজার ৪৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পান ৫ হাজার ৭২৭ ভোট। প্রায় দ্বিগুনেরও বেশী ভোটের ব্যবধানে জয়লাভের পাশাপাশি সিনেট সদস্য হিসেবেও ১২ হাজার ৮৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি। বিপুল জনসমর্থনের পরও সেই ‘আস্থার’ প্রতিফলন কার্যকর উদ্যোগে ‘পরিণত হয়নি’ বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জাতীয় ইস্যুতে ধারাবাহিকভাবে সরব থাকলেও ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে রাকসু জিএস আম্মারের কার্যকর কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই।
নির্বাচনি ইশতেহারে ক্যাম্পাসে পরিবেশবান্ধব সাশ্রয়ী যানবাহন চালুর প্রতিশ্রুতি দেন আম্মার। যেকোনো গন্তব্যে মাত্র ৫ টাকায় যাতায়াতের ঘোষণা থাকলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শোয়াইব বলেন, “বর্তমানে ক্যাম্পাসে সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা, যা ইশতেহারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভোটের জন্য অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার সামিল।”
পরিবহনের বিষয়ে আম্মার বলেন, “প্রথম অধিবেশনে ৪০টি ই-কার চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তা সম্ভব না হলে ২৫০টি রিকশা চালুর বিকল্প প্রস্তাবও রাখা হয়, যেখানে ভাড়া ৫ টাকার মধ্যে রাখার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাবে বিষয়টি এগোয়নি।” তিনি আরও জানান, ‘খুব শিগগিরই’ পরীক্ষামূলকভাবে ‘দুটি রিকশা চালুর’ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া পশ্চিমপাড়া, টুকিটাকি ও পরিবহন এলাকায় শিক্ষার্থীবান্ধব সুপারশপ স্থাপনের ঘোষণাও এখনো বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। পরিচয়পত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহের প্রতিশ্রুতি থাকলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। আম্মারের দাবি, সাতটি হলসংক্রান্ত প্রস্তাবনার সঙ্গে সুপারশপের বাজেট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আম্মার শিক্ষার্থীদের ‘আবেগের সঙ্গে প্রতারণা’ করেছে বলে অভিযোগ গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী শরীফুল ইসলাম তানবীরের। তিনি বলেন, “যেসব অঙ্গীকারের ভিত্তিতে আমরা তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছিলাম, দায়িত্বের অর্ধেক সময় পার হলেও তার বাস্তবায়ন শূন্যের কোঠায়। এতে তার অগ্রাধিকার ও দায়বদ্ধতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, আর শিক্ষার্থীদের আস্থাও দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে।”
তানবীর আরও বলেন, “শুরুতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ইস্যুতে তার সরবতা ছিল মূলত মিডিয়ার নজর কাড়ার জন্য। কিন্তু অর্ধেক সময় পার হলেও একটি প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন না হওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক এবং শিক্ষার্থীদের আবেগের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।”
ডিজিটাল ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে ‘আরইউ অ্যাপ’ চালুর প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়নের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবাগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার পরিকল্পনা থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগের অভাব রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আইসিটি সেন্টারের পরিচালক সাইফুল ইসলামের সঙ্গে সালাহ উদ্দীন আম্মারের বিভিন্ন সময় অনলাইনে বাকবিতণ্ডার কারণে সমন্বয়হীনতা তৈরি হয়েছে। ফলে আইসিটি সেন্টারের সঙ্গে তার কোনো কার্যকর যোগাযোগ হয়নি এবং প্রকল্পটি স্থবির হয়ে আছে।
আইসিটির সমস্যার বিষয়ে আম্মার বলেন, “আইসিটি দপ্তরের সহযোগিতা ছাড়া এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব নয় এবং প্রয়োজনীয় তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে না।”
একইভাবে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)’ গঠন, ১০ মিনিটে সমস্যা সমাধান ও অভিযোগ নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি।
রাকসুর প্রথম অধিবেশনে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছিল জানিয়ে আম্মার বলেন, “কিন্তু প্রশাসন এখনো কোনো উদ্যোগ নেয়নি। আমার একার কিছু করার এখতিয়ার নেই যদি প্রশাসন সহযোগিতা না করে। আমি সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করতে পারি।”
তবে পূর্ণ আবাসিকতা ইস্যুতে কিছু উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন তিনি। তার দাবি, শিগগিরই ৪৬ জন শিক্ষার্থীর জন্য মাসে ৬ হাজার এবং আরও ২০ জন অনাবাসিক শিক্ষার্থীকে মাসে ১ হাজার টাকা করে ‘সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে’, যা এক ‘সিনিয়র ভাইয়ের সহযোগিতায়’ বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।
‘সামর্থ্যের বাইরে’ ইশতেহার দিয়ে শিক্ষার্থীদের ‘ব্যবহার করা হয়েছে’ বলে অভিযোগ রাবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহবায়ক ফুয়াদ রাতুলের। তিনি বলেন, “রাকসুর সাংস্কৃতিক কিছু আয়োজন ছাড়া বড় কোনো কাজ করার এখতিয়ার থাকে না। তারা মূলত প্রেসার গ্রুপ হিসেবে কাজ করে। কিন্তু নির্বাচনের সময় সামর্থ্যের বাইরে ইশতেহার দিয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হয়েছে। নির্বাচিত হওয়ার পর আন্দোলনের মাধ্যমে অধিকার আদায়ে তারা এখনো জোরালো ভূমিকা রাখতে পারেনি।”
রাকসুর জিএস সালাহউদ্দীন আম্মার
মেহেদী মারুফ আরও বলেন, “জনসমর্থন নিয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর ইশতেহার বাস্তবায়নে ব্যর্থতা শুধু ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতা নয়; এটি সামগ্রিকভাবে ছাত্ররাজনীতির প্রতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্থাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।”
তবে সালাহউদ্দীন আম্মার বলেন, “নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি ইশতেহার বাস্তবায়নে। নানা সময় প্রশাসন সহযোগিতা না করলেও বিকল্প পথে উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু অসহযোগিতার কারণে কাজ এগোয়নি।”

আপনার মতামত লিখুন