কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে প্রায় অর্ধলক্ষ টাকাসহ সজল শেখ (২০) নামে এক তরুণ ছয় দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। গত ২৯ এপ্রিল রাত সাড়ে আটটা থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের জোতমোড়া গ্রামের শফিক শেখের ছেলে এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এ ঘটনায় সজলের বাবা ও তার প্রতিষ্ঠানের মালিক থানায় পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ করেছেন। সজলের বাবার দাবি, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা তার ছেলেকে অপহরণ করেছে। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের মালিকের দাবি, সজল কালেকশনের টাকা নিয়ে আত্মগোপন করেছেন।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুমারখালী পৌরসভার তেবাড়িয়া এলাকায় দ্বীন মোহাম্মদ সাচ্চুর ডিলারশিপের ব্যবসা রয়েছে। সেখানে সজল দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত। গত ২৯ এপ্রিল সকালে সজল ডিলার পয়েন্ট থেকে ভ্যানে পণ্য নিয়ে বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করতে বের হন। রাত সাড়ে আটটার দিকে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলেনি। তবে পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়ক থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় সজলের ভ্যানটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
প্রতিষ্ঠানের মালিক দ্বীন মোহাম্মদ সাচ্চু বলেন, ‘গত ৭ এপ্রিল রাতে সজল দাবি করেছিলেন যে তাকে মারধর করে ৮৫ হাজার টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু তদন্তে জানা গেছে, ছিনতাইয়ের ঘটনাটি সাজানো ছিল। বিষয়টি সজল টের পেয়ে ভয় পেয়ে যান এবং ২৯ এপ্রিল কালেকশনের ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়েছেন।’
ছেলের শোকে কাতর বাবা শফিক শেখ বলেন, ‘আগেও সজল একবার ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছিল। ২৯ এপ্রিল রাত থেকে ও নিখোঁজ। ও জীবিত না মৃত, তা আমরা বুঝতে পারছি না। ওকে উদ্ধার করা গেলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে।’
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই তরুণ স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে উদ্ধারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারের পর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাবে।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে প্রায় অর্ধলক্ষ টাকাসহ সজল শেখ (২০) নামে এক তরুণ ছয় দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। গত ২৯ এপ্রিল রাত সাড়ে আটটা থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের জোতমোড়া গ্রামের শফিক শেখের ছেলে এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এ ঘটনায় সজলের বাবা ও তার প্রতিষ্ঠানের মালিক থানায় পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ করেছেন। সজলের বাবার দাবি, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা তার ছেলেকে অপহরণ করেছে। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের মালিকের দাবি, সজল কালেকশনের টাকা নিয়ে আত্মগোপন করেছেন।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কুমারখালী পৌরসভার তেবাড়িয়া এলাকায় দ্বীন মোহাম্মদ সাচ্চুর ডিলারশিপের ব্যবসা রয়েছে। সেখানে সজল দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত। গত ২৯ এপ্রিল সকালে সজল ডিলার পয়েন্ট থেকে ভ্যানে পণ্য নিয়ে বিভিন্ন দোকানে সরবরাহ করতে বের হন। রাত সাড়ে আটটার দিকে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান মেলেনি। তবে পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়ক থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় সজলের ভ্যানটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
প্রতিষ্ঠানের মালিক দ্বীন মোহাম্মদ সাচ্চু বলেন, ‘গত ৭ এপ্রিল রাতে সজল দাবি করেছিলেন যে তাকে মারধর করে ৮৫ হাজার টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু তদন্তে জানা গেছে, ছিনতাইয়ের ঘটনাটি সাজানো ছিল। বিষয়টি সজল টের পেয়ে ভয় পেয়ে যান এবং ২৯ এপ্রিল কালেকশনের ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়েছেন।’
ছেলের শোকে কাতর বাবা শফিক শেখ বলেন, ‘আগেও সজল একবার ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছিল। ২৯ এপ্রিল রাত থেকে ও নিখোঁজ। ও জীবিত না মৃত, তা আমরা বুঝতে পারছি না। ওকে উদ্ধার করা গেলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে।’
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই তরুণ স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে উদ্ধারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারের পর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন