সংবাদ

কোস্টগার্ডে যুক্ত হচ্ছে নজরদারি হেলিকপ্টার


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৬ মে ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম

কোস্টগার্ডে যুক্ত হচ্ছে নজরদারি হেলিকপ্টার
কোস্টগার্ডের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতে বহরে যুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক নজরদারি হেলিকপ্টার

মাদক ও মানব পাচার, জলদস্যুতা ও অবৈধ মাছ শিকার রোধে কোস্টগার্ডের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতে বহরে যুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক নজরদারি হেলিকপ্টার। উন্নত সেন্সর, রাডার ও রিয়েল-টাইম ডাটা ট্রান্সমিশন প্রযুক্তিসমৃদ্ধ এসব হেলিকপ্টার উপকূলীয় ও গভীর সমুদ্রে দ্রুত নজরদারি ও তাৎক্ষণিক অভিযানে সহায়তা করবে।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, আধুনিক জাহাজ, ড্রোন, নজরদারি ব্যবস্থা ও জনবল বৃদ্ধির মাধ্যমে কোস্টগার্ডকে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

কোস্টগার্ডের বহরে যুক্ত হচ্ছে উন্নত প্রযুক্তির হেলিকপ্টার। এতে সন্দেহভাজন নৌযান দ্রুত শনাক্ত করা এবং টহল জাহাজ ও উপকূলীয় ইউনিটগুলোকে তাৎক্ষণিক তথ্য পাঠানো সহজ হবে। সমুদ্র অভিযানের গতি ও নির্ভুলতা উভয়ই বাড়বে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।

একইসঙ্গে একটি সমন্বিত ‘মেরিটাইম সার্ভেইলেন্স সিস্টেম’ তৈরির কাজও এগিয়ে চলেছে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে উপকূলীয় জলসীমা, প্রধান জাহাজ চলাচল পথ ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে সার্বক্ষণিক ডিজিটাল নজরদারি চালানো সম্ভব হবে। স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, রাডার স্টেশন ও ড্রোনকে কেন্দ্রীয় কাঠামোর আওতায় এনে একটি সমন্বিত সামুদ্রিক নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই লক্ষ্য।

আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কোস্টগার্ডে ইতোমধ্যে ড্রোন প্রযুক্তি, অফশোর টহল জাহাজ, ফাস্ট পেট্রোল ক্রাফট ও উচ্চগতির বোট যুক্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি বাহিনীর বহরে একটি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশনসহ তিনটি নজরদারি ড্রোন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

জাইকার অর্থায়নে একটি মাল্টি-রোল রেসপন্স ভেসেল ও দুটি অফশোর পেট্রোল ভেসেল নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এ ছাড়া খুলনা শিপইয়ার্ডের মাধ্যমে বুলেটপ্রুফ হাই-স্পিড বোট কেনার লক্ষ্যে সম্প্রতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

কোস্টগার্ডের জাহাজ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একটি আধুনিক ডকইয়ার্ড স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৯টি পুরনো জাহাজের পরিবর্তে দেশীয় শিপইয়ার্ডে নির্মিত ৯টি নতুন টহল জাহাজ যুক্ত করা হবে।

বাহিনীর জনবল বাড়িয়ে প্রায় ১০ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হেলিকপ্টার ও সমন্বিত নজরদারি ব্যবস্থা যুক্ত হলে একটি আধুনিক ‘মেরিটাইম ডোমেইন অ্যাওয়ারনেস’ বা সমুদ্রসীমার ওপর সার্বিক নজরদারি কাঠামো গড়ে তোলা সহজ হবে। সূত্র: বাসস।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬


কোস্টগার্ডে যুক্ত হচ্ছে নজরদারি হেলিকপ্টার

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

মাদক ও মানব পাচার, জলদস্যুতা ও অবৈধ মাছ শিকার রোধে কোস্টগার্ডের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াতে বহরে যুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক নজরদারি হেলিকপ্টার। উন্নত সেন্সর, রাডার ও রিয়েল-টাইম ডাটা ট্রান্সমিশন প্রযুক্তিসমৃদ্ধ এসব হেলিকপ্টার উপকূলীয় ও গভীর সমুদ্রে দ্রুত নজরদারি ও তাৎক্ষণিক অভিযানে সহায়তা করবে।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, আধুনিক জাহাজ, ড্রোন, নজরদারি ব্যবস্থা ও জনবল বৃদ্ধির মাধ্যমে কোস্টগার্ডকে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

কোস্টগার্ডের বহরে যুক্ত হচ্ছে উন্নত প্রযুক্তির হেলিকপ্টার। এতে সন্দেহভাজন নৌযান দ্রুত শনাক্ত করা এবং টহল জাহাজ ও উপকূলীয় ইউনিটগুলোকে তাৎক্ষণিক তথ্য পাঠানো সহজ হবে। সমুদ্র অভিযানের গতি ও নির্ভুলতা উভয়ই বাড়বে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।

একইসঙ্গে একটি সমন্বিত ‘মেরিটাইম সার্ভেইলেন্স সিস্টেম’ তৈরির কাজও এগিয়ে চলেছে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে উপকূলীয় জলসীমা, প্রধান জাহাজ চলাচল পথ ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে সার্বক্ষণিক ডিজিটাল নজরদারি চালানো সম্ভব হবে। স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, রাডার স্টেশন ও ড্রোনকে কেন্দ্রীয় কাঠামোর আওতায় এনে একটি সমন্বিত সামুদ্রিক নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই লক্ষ্য।

আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কোস্টগার্ডে ইতোমধ্যে ড্রোন প্রযুক্তি, অফশোর টহল জাহাজ, ফাস্ট পেট্রোল ক্রাফট ও উচ্চগতির বোট যুক্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি বাহিনীর বহরে একটি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশনসহ তিনটি নজরদারি ড্রোন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

জাইকার অর্থায়নে একটি মাল্টি-রোল রেসপন্স ভেসেল ও দুটি অফশোর পেট্রোল ভেসেল নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এ ছাড়া খুলনা শিপইয়ার্ডের মাধ্যমে বুলেটপ্রুফ হাই-স্পিড বোট কেনার লক্ষ্যে সম্প্রতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

কোস্টগার্ডের জাহাজ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একটি আধুনিক ডকইয়ার্ড স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৯টি পুরনো জাহাজের পরিবর্তে দেশীয় শিপইয়ার্ডে নির্মিত ৯টি নতুন টহল জাহাজ যুক্ত করা হবে।

বাহিনীর জনবল বাড়িয়ে প্রায় ১০ হাজারে উন্নীত করার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হেলিকপ্টার ও সমন্বিত নজরদারি ব্যবস্থা যুক্ত হলে একটি আধুনিক ‘মেরিটাইম ডোমেইন অ্যাওয়ারনেস’ বা সমুদ্রসীমার ওপর সার্বিক নজরদারি কাঠামো গড়ে তোলা সহজ হবে। সূত্র: বাসস।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত