তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরকলহ এবার সরাসরি সংসদের কেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছে। দলের লোকসভা নেতা অভিষেক ব্যানার্জী বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়ে লোকসভা স্পিকারের কাছে অযোগ্যতার আবেদন জমা দিয়েছেন।
দলের অভিযোগ, প্রায় ২০ জন সাংসদ তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত হওয়ার পর দলত্যাগ করে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরির চেষ্টা করছেন। তাঁরা নিজেদের একটি আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন এবং অন্য একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। তৃণমূলের মতে, এই পদক্ষেপ সরাসরি ভোটারদের দেওয়া ম্যান্ডেটের বিরোধী।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী কোনও নির্বাচিত প্রতিনিধি যদি স্বেচ্ছায় নিজের দল ত্যাগ করেন, তবে তার সাংসদ পদ বাতিল হতে পারে। তার বক্তব্য, এখানে যে ‘মার্জার’-এর দাবি করা হচ্ছে, তা বাস্তবে আইনসম্মত নয়, কারণ বৈধ সংযুক্তির ক্ষেত্রে দলের বৃহত্তর অংশের সম্মতি প্রয়োজন—শুধু কয়েকজন সাংসদের সিদ্ধান্তে তা সম্ভব নয়।
অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের অবস্থানকে বৈধতা দেওয়ার জন্য সংসদে আলাদা পরিচয় দাবি করছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পদক্ষেপ মূলত আইনি জটিলতা এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে, যাতে সাংসদ পদ অক্ষুণ্ণ রাখা যায়।
এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—দল ভাঙার যে কোনও প্রচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে এবং সাংবিধানিক পথেই তার সমাধান চাওয়া হবে। এখন সমস্ত নজর লোকসভা স্পিকারের সিদ্ধান্তের দিকে, কারণ তাঁর রায়ই ঠিক করবে বিদ্রোহী সাংসদদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং একই সঙ্গে জাতীয় রাজনীতির পরবর্তী সমীকরণ কোন দিকে এগোবে।
এই ঘটনাকে ঘিরে স্পষ্ট, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এখন জাতীয় স্তরে বড় রাজনৈতিক প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা আগামী দিনে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরকলহ এবার সরাসরি সংসদের কেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছে। দলের লোকসভা নেতা অভিষেক ব্যানার্জী বিদ্রোহী সাংসদদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়ে লোকসভা স্পিকারের কাছে অযোগ্যতার আবেদন জমা দিয়েছেন।
দলের অভিযোগ, প্রায় ২০ জন সাংসদ তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত হওয়ার পর দলত্যাগ করে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরির চেষ্টা করছেন। তাঁরা নিজেদের একটি আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন এবং অন্য একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। তৃণমূলের মতে, এই পদক্ষেপ সরাসরি ভোটারদের দেওয়া ম্যান্ডেটের বিরোধী।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী কোনও নির্বাচিত প্রতিনিধি যদি স্বেচ্ছায় নিজের দল ত্যাগ করেন, তবে তার সাংসদ পদ বাতিল হতে পারে। তার বক্তব্য, এখানে যে ‘মার্জার’-এর দাবি করা হচ্ছে, তা বাস্তবে আইনসম্মত নয়, কারণ বৈধ সংযুক্তির ক্ষেত্রে দলের বৃহত্তর অংশের সম্মতি প্রয়োজন—শুধু কয়েকজন সাংসদের সিদ্ধান্তে তা সম্ভব নয়।
অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের অবস্থানকে বৈধতা দেওয়ার জন্য সংসদে আলাদা পরিচয় দাবি করছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পদক্ষেপ মূলত আইনি জটিলতা এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে, যাতে সাংসদ পদ অক্ষুণ্ণ রাখা যায়।
এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—দল ভাঙার যে কোনও প্রচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে এবং সাংবিধানিক পথেই তার সমাধান চাওয়া হবে। এখন সমস্ত নজর লোকসভা স্পিকারের সিদ্ধান্তের দিকে, কারণ তাঁর রায়ই ঠিক করবে বিদ্রোহী সাংসদদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং একই সঙ্গে জাতীয় রাজনীতির পরবর্তী সমীকরণ কোন দিকে এগোবে।
এই ঘটনাকে ঘিরে স্পষ্ট, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এখন জাতীয় স্তরে বড় রাজনৈতিক প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা আগামী দিনে দেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন