বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের জেরে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নুরুল কবীর ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্পাদক পরিষদ মনে করে, এ ঘটনা বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এবং রাষ্ট্র সংস্কারবিষয়ক ৩১ দফা কর্মসূচিতে ঘোষিত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের অঙ্গীকারের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।’
সংবাদে আপত্তি থাকলে তার প্রতিকারের বিদ্যমান কাঠামোর কথা উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদনের বিষয়ে কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি, তিনি রাষ্ট্রের যে পদেই থাকুন, আপত্তি থাকলে প্রতিকার পাওয়ার জন্য দেশে বিদ্যমান আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ জানাতে পারেন, যা এ ধরনের অভিযোগের বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য প্রতিষ্ঠিত আইনসম্মত প্রতিষ্ঠান।’
আগের সরকারের আমলের উদাহরণ টেনে সম্পাদক পরিষদ বলছে, ‘এ ঘটনায় একজন সাংবাদিকের করা মামলায় আরেকজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অতীতেও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির প্রবণতা দেখা গেছে। বর্তমান ঘটনার মধ্য দিয়ে সেই উদ্বেগজনক ধারার পুনরাবৃত্তি ঘটল।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানোর প্রবণতা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। বিশ্ব সংবাদমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের বর্তমান ১৫২তম অবস্থানের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের ঘটনা গণমাধ্যম স্বাধীনতার অবনতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে।’
বিবৃতিতে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে রেজানুর ইসলামের মুক্তি দাবি করেছে সম্পাদক পরিষদ। তারা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের পরিবর্তে প্রেস কাউন্সিলের মাধ্যমে প্রতিকার ব্যবস্থার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের জেরে ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নুরুল কবীর ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্পাদক পরিষদ মনে করে, এ ঘটনা বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার এবং রাষ্ট্র সংস্কারবিষয়ক ৩১ দফা কর্মসূচিতে ঘোষিত গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের অঙ্গীকারের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।’
সংবাদে আপত্তি থাকলে তার প্রতিকারের বিদ্যমান কাঠামোর কথা উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কোনো সংবাদ বা প্রতিবেদনের বিষয়ে কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি, তিনি রাষ্ট্রের যে পদেই থাকুন, আপত্তি থাকলে প্রতিকার পাওয়ার জন্য দেশে বিদ্যমান আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ জানাতে পারেন, যা এ ধরনের অভিযোগের বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য প্রতিষ্ঠিত আইনসম্মত প্রতিষ্ঠান।’
আগের সরকারের আমলের উদাহরণ টেনে সম্পাদক পরিষদ বলছে, ‘এ ঘটনায় একজন সাংবাদিকের করা মামলায় আরেকজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অতীতেও আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির প্রবণতা দেখা গেছে। বর্তমান ঘটনার মধ্য দিয়ে সেই উদ্বেগজনক ধারার পুনরাবৃত্তি ঘটল।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানোর প্রবণতা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। বিশ্ব সংবাদমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের বর্তমান ১৫২তম অবস্থানের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের ঘটনা গণমাধ্যম স্বাধীনতার অবনতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে।’
বিবৃতিতে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে রেজানুর ইসলামের মুক্তি দাবি করেছে সম্পাদক পরিষদ। তারা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তারের পরিবর্তে প্রেস কাউন্সিলের মাধ্যমে প্রতিকার ব্যবস্থার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন