লক্ষ্মীপুরের রায়পুর বাজার মহিলা কলেজ সড়কের চলমান ড্রেন নির্মাণ কাজ জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। খনন করা মাটি রাস্তার পাশে ফেলে রাখায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই বাজার এলাকায় পানি জমে কাদার স্তূপ তৈরি হয়। যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, পথচারীরাও স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছেন না।
দুটি সড়কে মোট ৩৩ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে ড্রেন নির্মাণের কাজ প্রায় এক বছর আগে শুরু হয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা ও তদারকির অভাবে কাজের অগ্রগতি ধীর। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল বৃষ্টির পানি ডাকাতিয়া নদীতে নিষ্কাশন করা। কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। খনন করা মাটি অপসারণ না করায় পানি আটকে থাকছে। এ ধরনের অব্যবস্থাপনা জনদুর্ভোগ বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত খননকৃত মাটি সরিয়ে নেওয়া এবং পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পৌর প্রশাসক জানিয়েছেন, বর্ষার কারণে সমস্যা বেড়েছে এবং ঠিকাদারের মাধ্যমে দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবতার মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে, সেটিই এখানে মূল সমস্যা। ড্রেন নির্মাণের উদ্দেশ্য জনসুবিধা বাড়ানো। সেই লক্ষ্য পূরণ করতে হলে পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও তদারকির মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। খনন করা মাটি অপসারণ, পানি চলাচলের পথ নিশ্চিত করা এবং সড়ক চলাচলের উপযোগী রাখা জরুরি। একই সঙ্গে কাজের গতি বাড়াতে হবে। কাজের মান বজায় রাখতে হবে।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর বাজার মহিলা কলেজ সড়কের চলমান ড্রেন নির্মাণ কাজ জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। খনন করা মাটি রাস্তার পাশে ফেলে রাখায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টিতেই বাজার এলাকায় পানি জমে কাদার স্তূপ তৈরি হয়। যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, পথচারীরাও স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছেন না।
দুটি সড়কে মোট ৩৩ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে ড্রেন নির্মাণের কাজ প্রায় এক বছর আগে শুরু হয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা ও তদারকির অভাবে কাজের অগ্রগতি ধীর। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল বৃষ্টির পানি ডাকাতিয়া নদীতে নিষ্কাশন করা। কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। খনন করা মাটি অপসারণ না করায় পানি আটকে থাকছে। এ ধরনের অব্যবস্থাপনা জনদুর্ভোগ বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা দ্রুত খননকৃত মাটি সরিয়ে নেওয়া এবং পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পৌর প্রশাসক জানিয়েছেন, বর্ষার কারণে সমস্যা বেড়েছে এবং ঠিকাদারের মাধ্যমে দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবতার মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে, সেটিই এখানে মূল সমস্যা। ড্রেন নির্মাণের উদ্দেশ্য জনসুবিধা বাড়ানো। সেই লক্ষ্য পূরণ করতে হলে পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও তদারকির মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করাই এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ। খনন করা মাটি অপসারণ, পানি চলাচলের পথ নিশ্চিত করা এবং সড়ক চলাচলের উপযোগী রাখা জরুরি। একই সঙ্গে কাজের গতি বাড়াতে হবে। কাজের মান বজায় রাখতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন