সংবাদ

জালিয়াতি ধরা পড়ল ইউএনওর তদন্তে, ইউপি সচিব ও উদ্যোক্তা কারাগারে


প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা
প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা
প্রকাশ: ৯ মে ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম

জালিয়াতি ধরা পড়ল ইউএনওর তদন্তে, ইউপি সচিব ও উদ্যোক্তা কারাগারে
চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর ইউনিয়নে জন্মসনদ জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার ইউপি সচিব ও উদ্যোক্তা। ছবি : সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় জন্মসনদ ও গুরুত্বপূর্ণ নথি জালিয়াতির অভিযোগে সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সচিব রায়হান মাহমুদ (৩০) ও উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাদের পুলিশে সোপর্দ করেন। শনিবার (৯ মে) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সচিব রায়হান মাহমুদ ও উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলাম যোগসাজশ করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কুমিল্লা ও মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন জেলার মানুষকে চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা সাজিয়ে জাল জন্মসনদ দিচ্ছিলেন। সম্প্রতি এমন একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে সদর উপজেলা প্রশাসন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পাশাপাশি এই জালিয়াতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও বেশ কিছু নথিপত্র জব্দ করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গত শুক্রবার কার্যালয়ে তলব করা হলে তারা জালিয়াতির কথা স্বীকার করেন। সরকারি পদে থেকে এমন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের দর্শনা থানার পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিমেল রানা জানান, জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে দুপুরে তাদের চুয়াডাঙ্গা আদালতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬


জালিয়াতি ধরা পড়ল ইউএনওর তদন্তে, ইউপি সচিব ও উদ্যোক্তা কারাগারে

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬

featured Image

চুয়াডাঙ্গায় জন্মসনদ ও গুরুত্বপূর্ণ নথি জালিয়াতির অভিযোগে সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সচিব রায়হান মাহমুদ (৩০) ও উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাত দুইটার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাদের পুলিশে সোপর্দ করেন। শনিবার (৯ মে) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সচিব রায়হান মাহমুদ ও উদ্যোক্তা আরিফুল ইসলাম যোগসাজশ করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কুমিল্লা ও মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন জেলার মানুষকে চুয়াডাঙ্গার বেগমপুর ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা সাজিয়ে জাল জন্মসনদ দিচ্ছিলেন। সম্প্রতি এমন একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে সদর উপজেলা প্রশাসন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পাশাপাশি এই জালিয়াতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও বেশ কিছু নথিপত্র জব্দ করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গত শুক্রবার কার্যালয়ে তলব করা হলে তারা জালিয়াতির কথা স্বীকার করেন। সরকারি পদে থেকে এমন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের দর্শনা থানার পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিমেল রানা জানান, জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে দুপুরে তাদের চুয়াডাঙ্গা আদালতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত