দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, তার স্ত্রী সীমা হামিদ এবং ছেলে জারিফ হামিদের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (১০ মে) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক
তিনটি আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ
দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন
ইসলাম এই আয়কর নথি জব্দের আবেদন জানিয়েছিলেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, দুর্নীতির অভিযোগের
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আয়কর সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা
করা জরুরি। নথিপত্রগুলো জব্দ করা না হলে তদন্ত প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘসময়ের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের নানা অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক। এরই ধারাবাহিকতায় তার স্ত্রী ও সন্তানের আর্থিক লেনদেনের তথ্যও এখন গোয়েন্দা জালে। আদালতের এই আদেশের ফলে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের প্রকৃত হিসাব এবং কর ফাঁকির কোনো ঘটনা আছে কি না, তা বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখার সুযোগ পেলেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, তার স্ত্রী সীমা হামিদ এবং ছেলে জারিফ হামিদের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (১০ মে) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক
তিনটি আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ
দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন
ইসলাম এই আয়কর নথি জব্দের আবেদন জানিয়েছিলেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, দুর্নীতির অভিযোগের
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আয়কর সংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা
করা জরুরি। নথিপত্রগুলো জব্দ করা না হলে তদন্ত প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘসময়ের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের নানা অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক। এরই ধারাবাহিকতায় তার স্ত্রী ও সন্তানের আর্থিক লেনদেনের তথ্যও এখন গোয়েন্দা জালে। আদালতের এই আদেশের ফলে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের প্রকৃত হিসাব এবং কর ফাঁকির কোনো ঘটনা আছে কি না, তা বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখার সুযোগ পেলেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন