ব্যুরো খুলছেন ভোটপ্রার্থী —তাও আবার ম্যারেজ রেজিস্ট্রি ব্যুরো! শুনতে যেন বিয়ে পাগলুদের বিয়ের অফার এক্কেবারে আধা-ঘরোয়া ম্যাচমেকিং সার্ভিস! ভারতের হরিয়ানার এক পৌরনির্বাচনকে ঘিরে এই অভিনব প্রতিশ্রুতি এখন রীতিমতো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বড় কোনো ভোট নয়, ছোট্ট পৌরনির্বাচন- কিন্তু প্রতিশ্রুতি একেবারে ‘বড় লেভেলের’। ভোটারদের মন জিততে গিয়ে প্রার্থীর এই ঘোষণা এখন যেমন কৌতূহল তৈরি করেছে, তেমনই খানিকটা হাসির খোরাকও জুগিয়েছে সবার মাঝে।
পৌর প্রার্থীর দাবি, এই ম্যারেজ রেজিস্ট্রি ব্যুরো খোলা হলে এলাকার অবিবাহিত যুবক-যুবতীদের বিয়ের সমস্যা মিটবে, পরিবারগুলিও সহজে উপযুক্ত পাত্র-পাত্রীর খোঁজ পাবে। কথাটা শুনতে যতটা ‘সহায়ক উদ্যোগ’, ততটাই আবার প্রশ্নও উঠছে- এটা কি সত্যিই প্রশাসনিক কাজ, নাকি ভোটের আগে বাড়তি আকর্ষণ?
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, এই মন্তব্য আসলে হরিয়ানার লিঙ্গবৈষম্য, কন্যাভ্রূণ হত্যা এবং নারী-পুরুষের অনুপাতের সমস্যাকেই আবার সামনে এনে দিল। বাস্তব সমস্যার সমাধান না করে এভাবে ‘ব্যুরো’ খোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়েও সন্দেহ থাকছে।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১৪ সালে একই ধরনের মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বিজেপি নেতা ওমপ্রকাশ ধনকার। ফলে অনেকেই বলছেন- রাজনীতিতে নতুন আইডিয়ার অভাব নেই, কিন্তু কখনো সেই আইডিয়াই হয়ে ওঠে ট্রোলের খোরাক।
সব মিলিয়ে, এই পৌরভোটে ‘রাস্তাঘাট-জল-নর্দমা’র পাশাপাশি এবার যুক্ত হল ‘বিয়ের বন্দোবস্ত’ও। এখন দেখার, ভোটাররা এটাকে উন্নয়ন হিসেবে নেন, নাকি বলেন- “এবার কি ভোটের সঙ্গে বিয়ের কার্ডও ফ্রি?”

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
ব্যুরো খুলছেন ভোটপ্রার্থী —তাও আবার ম্যারেজ রেজিস্ট্রি ব্যুরো! শুনতে যেন বিয়ে পাগলুদের বিয়ের অফার এক্কেবারে আধা-ঘরোয়া ম্যাচমেকিং সার্ভিস! ভারতের হরিয়ানার এক পৌরনির্বাচনকে ঘিরে এই অভিনব প্রতিশ্রুতি এখন রীতিমতো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বড় কোনো ভোট নয়, ছোট্ট পৌরনির্বাচন- কিন্তু প্রতিশ্রুতি একেবারে ‘বড় লেভেলের’। ভোটারদের মন জিততে গিয়ে প্রার্থীর এই ঘোষণা এখন যেমন কৌতূহল তৈরি করেছে, তেমনই খানিকটা হাসির খোরাকও জুগিয়েছে সবার মাঝে।
পৌর প্রার্থীর দাবি, এই ম্যারেজ রেজিস্ট্রি ব্যুরো খোলা হলে এলাকার অবিবাহিত যুবক-যুবতীদের বিয়ের সমস্যা মিটবে, পরিবারগুলিও সহজে উপযুক্ত পাত্র-পাত্রীর খোঁজ পাবে। কথাটা শুনতে যতটা ‘সহায়ক উদ্যোগ’, ততটাই আবার প্রশ্নও উঠছে- এটা কি সত্যিই প্রশাসনিক কাজ, নাকি ভোটের আগে বাড়তি আকর্ষণ?
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, এই মন্তব্য আসলে হরিয়ানার লিঙ্গবৈষম্য, কন্যাভ্রূণ হত্যা এবং নারী-পুরুষের অনুপাতের সমস্যাকেই আবার সামনে এনে দিল। বাস্তব সমস্যার সমাধান না করে এভাবে ‘ব্যুরো’ খোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়েও সন্দেহ থাকছে।
উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১৪ সালে একই ধরনের মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বিজেপি নেতা ওমপ্রকাশ ধনকার। ফলে অনেকেই বলছেন- রাজনীতিতে নতুন আইডিয়ার অভাব নেই, কিন্তু কখনো সেই আইডিয়াই হয়ে ওঠে ট্রোলের খোরাক।
সব মিলিয়ে, এই পৌরভোটে ‘রাস্তাঘাট-জল-নর্দমা’র পাশাপাশি এবার যুক্ত হল ‘বিয়ের বন্দোবস্ত’ও। এখন দেখার, ভোটাররা এটাকে উন্নয়ন হিসেবে নেন, নাকি বলেন- “এবার কি ভোটের সঙ্গে বিয়ের কার্ডও ফ্রি?”

আপনার মতামত লিখুন