আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস খুনের ঘটনার পর রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে সতর্ক হয়েছে প্রশাসন। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নবান্ন। সূত্রের খবর, আগামী কয়েক মাস তাঁর সুরক্ষায় একসঙ্গে কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ দু’স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হচ্ছে।
২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেতে শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালে বিরোধী দলনেতা হওয়ার পরও সেই নিরাপত্তা বজায় ছিল। যদিও সে সময় রাজ্য সরকারের তরফে পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়ার প্রস্তাব তিনি গ্রহণ করেননি। বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁর উপর একাধিক হামলার অভিযোগও সামনে আসে, যা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ায়।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাঁকে ‘জেড ক্যাটাগরি’ নিরাপত্তা দেয়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগ পর্যন্ত তাঁর সুরক্ষার দায়িত্বে ছিল মূলত কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে রাজ্য পুলিশও সক্রিয়ভাবে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে যুক্ত হয়েছে।
সম্প্রতি ৬ মে রাতে তাঁর ঘনিষ্ঠ সহায়ককে সুপারি কিলার দিয়ে খুন করার ঘটনায় প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এই ঘটনার পরই মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় স্তরে তাঁর জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তা বহাল রাখা হচ্ছে, পাশাপাশি রাজ্য সরকারের তরফেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
তবে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে অতিরিক্ত কড়াকড়িতে খুব একটা স্বচ্ছন্দ নন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। প্রশাসনের তরফে তাই এমন একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা চলছে, যাতে তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে, আবার সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বা সরকারি কর্মসূচিতে কোনও বাধা সৃষ্টি না হয়। নবান্নের এক আধিকারিকের কথায়, “প্রয়োজনীয় সবরকম নিরাপত্তা দেওয়া হবে, তবে মুখ্যমন্ত্রীর স্বাচ্ছন্দ্যও সমানভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।”

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস খুনের ঘটনার পর রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে সতর্ক হয়েছে প্রশাসন। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নবান্ন। সূত্রের খবর, আগামী কয়েক মাস তাঁর সুরক্ষায় একসঙ্গে কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ দু’স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হচ্ছে।
২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেতে শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২১ সালে বিরোধী দলনেতা হওয়ার পরও সেই নিরাপত্তা বজায় ছিল। যদিও সে সময় রাজ্য সরকারের তরফে পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়ার প্রস্তাব তিনি গ্রহণ করেননি। বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁর উপর একাধিক হামলার অভিযোগও সামনে আসে, যা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ায়।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাঁকে ‘জেড ক্যাটাগরি’ নিরাপত্তা দেয়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগ পর্যন্ত তাঁর সুরক্ষার দায়িত্বে ছিল মূলত কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে রাজ্য পুলিশও সক্রিয়ভাবে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে যুক্ত হয়েছে।
সম্প্রতি ৬ মে রাতে তাঁর ঘনিষ্ঠ সহায়ককে সুপারি কিলার দিয়ে খুন করার ঘটনায় প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এই ঘটনার পরই মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রের দাবি, কেন্দ্রীয় স্তরে তাঁর জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তা বহাল রাখা হচ্ছে, পাশাপাশি রাজ্য সরকারের তরফেও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
তবে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে অতিরিক্ত কড়াকড়িতে খুব একটা স্বচ্ছন্দ নন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। প্রশাসনের তরফে তাই এমন একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা চলছে, যাতে তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে, আবার সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বা সরকারি কর্মসূচিতে কোনও বাধা সৃষ্টি না হয়। নবান্নের এক আধিকারিকের কথায়, “প্রয়োজনীয় সবরকম নিরাপত্তা দেওয়া হবে, তবে মুখ্যমন্ত্রীর স্বাচ্ছন্দ্যও সমানভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।”

আপনার মতামত লিখুন