বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি বদলে যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত ঠিকানাও। এতদিন কলকাতায় এলে তার নির্ভরতা ছিল চিনার পার্কের ফ্ল্যাটে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর এবার তার নতুন ঠিকানা হতে চলেছে আলিপুরের ‘সৌজন্য’।
তৃণমূল আমলে ভিভিআইপিদের থাকার জন্য তৈরি এই ‘সৌজন্য’ ভবনটির উদ্বোধন করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ২০১৮ সালে। আলিপুরের জাজেস কোর্ট রোডে অবস্থিত এই উচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন আবাসনই এখন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হবে বলেই সূত্রের খবর।
ইতোমধ্যেই সেখানে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে, যদিও কবে থেকে শুভেন্দু সেখানে বসবাস শুরু করবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
রাজনৈতিক জীবনে কলকাতার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলেও শুভেন্দু অধিকারীর শিকড় পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে। তার পৈতৃক বাড়ি ‘শান্তিকুঞ্জ’-এই রয়েছেন বাবা-মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা। সুযোগ পেলেই কাঁথির ওই বাড়িতেই ফিরে যান তিনি।
তবে শুধুই ঠিকানা বদল নয়, শুভেন্দু অধিকারীর আর্থিক হলফনামাও এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জমা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৫.৮৭ লক্ষ টাকা- যা অনেক রাজনৈতিক মহলের কাছে ‘ব্যতিক্রমী’ বলেই মনে করা হচ্ছে। এর মধ্যে অস্থাবর সম্পত্তি ২৪.৫৭ লক্ষ টাকা এবং স্থাবর সম্পত্তি ৬১.৩০ লক্ষ টাকার।
সবচেয়ে বেশি চমক দিয়েছে তার ব্যক্তিগত সম্পদের খতিয়ান- হাতে নগদ মাত্র ১২ হাজার টাকা, কোনও ব্যক্তিগত গাড়ি নেই। এমনকি গয়নার ঘরেও ‘শূন্য’ উল্লেখ। এই সরল সম্পত্তি বিবরণ ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা উসকে দিয়েছে।
একদিকে প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অভিষেক, অন্যদিকে ব্যক্তিগত জীবনে সাদামাটা আর্থিক চিত্র- এই দুই বিপরীত স্রোতের মধ্যেই শুরু হচ্ছে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পথচলা।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি বদলে যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত ঠিকানাও। এতদিন কলকাতায় এলে তার নির্ভরতা ছিল চিনার পার্কের ফ্ল্যাটে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর এবার তার নতুন ঠিকানা হতে চলেছে আলিপুরের ‘সৌজন্য’।
তৃণমূল আমলে ভিভিআইপিদের থাকার জন্য তৈরি এই ‘সৌজন্য’ ভবনটির উদ্বোধন করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ২০১৮ সালে। আলিপুরের জাজেস কোর্ট রোডে অবস্থিত এই উচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন আবাসনই এখন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হবে বলেই সূত্রের খবর।
ইতোমধ্যেই সেখানে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু হয়েছে, যদিও কবে থেকে শুভেন্দু সেখানে বসবাস শুরু করবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
রাজনৈতিক জীবনে কলকাতার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলেও শুভেন্দু অধিকারীর শিকড় পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে। তার পৈতৃক বাড়ি ‘শান্তিকুঞ্জ’-এই রয়েছেন বাবা-মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা। সুযোগ পেলেই কাঁথির ওই বাড়িতেই ফিরে যান তিনি।
তবে শুধুই ঠিকানা বদল নয়, শুভেন্দু অধিকারীর আর্থিক হলফনামাও এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জমা দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৫.৮৭ লক্ষ টাকা- যা অনেক রাজনৈতিক মহলের কাছে ‘ব্যতিক্রমী’ বলেই মনে করা হচ্ছে। এর মধ্যে অস্থাবর সম্পত্তি ২৪.৫৭ লক্ষ টাকা এবং স্থাবর সম্পত্তি ৬১.৩০ লক্ষ টাকার।
সবচেয়ে বেশি চমক দিয়েছে তার ব্যক্তিগত সম্পদের খতিয়ান- হাতে নগদ মাত্র ১২ হাজার টাকা, কোনও ব্যক্তিগত গাড়ি নেই। এমনকি গয়নার ঘরেও ‘শূন্য’ উল্লেখ। এই সরল সম্পত্তি বিবরণ ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা উসকে দিয়েছে।
একদিকে প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অভিষেক, অন্যদিকে ব্যক্তিগত জীবনে সাদামাটা আর্থিক চিত্র- এই দুই বিপরীত স্রোতের মধ্যেই শুরু হচ্ছে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পথচলা।

আপনার মতামত লিখুন