রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরই কলকাতা পুলিশের একাধিক কর্মীর বদলি ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মোট ৯৩ জন পুলিশকর্মী- যাদের মধ্যে ইনস্পেক্টর, সাব-ইনস্পেক্টর ও কনস্টেবল রয়েছেন- তাদের উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
এই বদলিকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্মীদের একাংশের দাবি, এটি সাধারণ প্রশাসনিক রদবদল নয়, বরং “শাস্তিমূলক ট্রান্সফার”। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগের জেরে তাদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রশাসনিক মহলের একাংশের বক্তব্য, নির্বাচনের সময় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই বিষয়ে সরকারিভাবে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে এটা যদি পূর্বতন সরকারের মতো আচরণ হলে বিজেপির জন্য এটা খারাপ নজির স্থাপন নিশ্চিত l
সূত্রের দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় কিছু পুলিশকর্মীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে এই অভিযোগগুলি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বা প্রকাশ্য তদন্তের রিপোর্ট সামনে আসেনি।
উল্লেখ্য, সরকার পরিবর্তনের পর পুলিশ প্রশাসনে রদবদল নতুন কিছু নয়। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এবার এই বদলিকে ঘিরে “শাস্তিমূলক পদক্ষেপ” বনাম “প্রশাসনিক প্রয়োজন”- এই দুই ব্যাখ্যাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে।
ফলে এই ট্রান্সফারগুলি কতটা রুটিন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, আর কতটা অভিযোগভিত্তিক পদক্ষেপ- তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরই কলকাতা পুলিশের একাধিক কর্মীর বদলি ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মোট ৯৩ জন পুলিশকর্মী- যাদের মধ্যে ইনস্পেক্টর, সাব-ইনস্পেক্টর ও কনস্টেবল রয়েছেন- তাদের উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
এই বদলিকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্মীদের একাংশের দাবি, এটি সাধারণ প্রশাসনিক রদবদল নয়, বরং “শাস্তিমূলক ট্রান্সফার”। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনের সময় নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগের জেরে তাদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রশাসনিক মহলের একাংশের বক্তব্য, নির্বাচনের সময় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই বিষয়ে সরকারিভাবে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে এটা যদি পূর্বতন সরকারের মতো আচরণ হলে বিজেপির জন্য এটা খারাপ নজির স্থাপন নিশ্চিত l
সূত্রের দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় কিছু পুলিশকর্মীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে এই অভিযোগগুলি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বা প্রকাশ্য তদন্তের রিপোর্ট সামনে আসেনি।
উল্লেখ্য, সরকার পরিবর্তনের পর পুলিশ প্রশাসনে রদবদল নতুন কিছু নয়। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এবার এই বদলিকে ঘিরে “শাস্তিমূলক পদক্ষেপ” বনাম “প্রশাসনিক প্রয়োজন”- এই দুই ব্যাখ্যাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে।
ফলে এই ট্রান্সফারগুলি কতটা রুটিন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, আর কতটা অভিযোগভিত্তিক পদক্ষেপ- তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন