প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
আজ সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে
নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি
দলের সাথে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকারকালে মন্ত্রী বাংলাদেশে একটি এআই (AI) ট্রেনিং
সেন্টার স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "এই সেন্টারের মাধ্যমে দেশের
তরুণ-তরুণীদের আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এর ফলে আমাদের যুবসমাজ তথ্য-প্রযুক্তি বিপ্লবের অংশ হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ
পাবে।"
ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় চীনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার প্রশংসা
করে মন্ত্রী বলেন, দেশের টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর
অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে চীনা
প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের পরিমাণ ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। চীনা প্রযুক্তির
সহায়তায় দেশের প্রায় ৯৮ শতাংশ মানুষ মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধার আওতায় এসেছে।
এই বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশে ১০ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে স্থাপিত
চীনা মোবাইল কারখানায় প্রতি বছর প্রায় ৮ মিলিয়ন ডিভাইস উৎপাদিত হচ্ছে।
বৈঠকে ভবিষ্যতে ফাইভজি (5G) নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ,
ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া
২০২৭ সালে সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য ‘ওয়ার্ল্ড রেডিওকমিউনিকেশন কনফারেন্স’ (WRC-27) এবং
আইটিইউ কাউন্সিলে চীনের প্রার্থিতার বিষয়ে বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করেন রাষ্ট্রদূত।
বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি,
হুয়াওয়ের মা বেন, জেডটিইর মাও ইয়ংজুনসহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত
ছিলেন। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও চীনের এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে
আরও সুদৃঢ় হবে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
আজ সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে
নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি
দলের সাথে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকারকালে মন্ত্রী বাংলাদেশে একটি এআই (AI) ট্রেনিং
সেন্টার স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "এই সেন্টারের মাধ্যমে দেশের
তরুণ-তরুণীদের আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এর ফলে আমাদের যুবসমাজ তথ্য-প্রযুক্তি বিপ্লবের অংশ হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ
পাবে।"
ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় চীনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার প্রশংসা
করে মন্ত্রী বলেন, দেশের টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর
অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে চীনা
প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগের পরিমাণ ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। চীনা প্রযুক্তির
সহায়তায় দেশের প্রায় ৯৮ শতাংশ মানুষ মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধার আওতায় এসেছে।
এই বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশে ১০ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে স্থাপিত
চীনা মোবাইল কারখানায় প্রতি বছর প্রায় ৮ মিলিয়ন ডিভাইস উৎপাদিত হচ্ছে।
বৈঠকে ভবিষ্যতে ফাইভজি (5G) নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ,
ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া
২০২৭ সালে সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য ‘ওয়ার্ল্ড রেডিওকমিউনিকেশন কনফারেন্স’ (WRC-27) এবং
আইটিইউ কাউন্সিলে চীনের প্রার্থিতার বিষয়ে বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করেন রাষ্ট্রদূত।
বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি,
হুয়াওয়ের মা বেন, জেডটিইর মাও ইয়ংজুনসহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত
ছিলেন। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও চীনের এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে
আরও সুদৃঢ় হবে।

আপনার মতামত লিখুন