নোয়াখালীর হাতিয়া ও কবিরহাট উপজেলায় গত দুই দিনে পৃথক ঘটনায় পানিতে ডুবে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোতে এবং এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সোমবার (১১ মে) সকাল ৯টার দিকে হাতিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চরলইট্রা গ্রামে পুকুরে ডুবে মারা যায় নুসরাত বেগম মরিয়ম (৬)। সে স্থানীয় বাসিন্দা মিরাজের মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, বসতঘরের পাশের পুকুরে পড়ে গিয়ে নিখোঁজ হয় মরিয়ম। স্বজনদের খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বেলা ১১টার দিকে পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে গতকাল রোববার ভোরে হাতিয়ার সোনাদিয়া ইউনিয়নে মো. ফরিদের ছেলে সাইমুন (৪) নামের এক শিশুর মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। গত শনিবার বিকেল থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। পরদিন ভোরে বাড়ির পাশের পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখেন স্বজনেরা।
এদিকে সোমবার সকালে কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নে নিহা (৩) ও জান্নাত (৫) নামের দুই শিশু মাটি কাটার ফলে তৈরি হওয়া গর্তের পানিতে ডুবে মারা গেছে। নিহা স্থানীয় বাসিন্দা জোবায়েদের মেয়ে এবং জান্নাত ইউসুফের মেয়ে।
স্বজনেরা জানান, শিশু দুটি সকালে বাড়ির পাশে খেলছিল। একপর্যায়ে তারা গর্তের পানিতে পড়ে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, ঘটনাগুলো অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুর্ঘটনাজনিত। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এ বিষয়ে কথা বলতে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
আপনার মতামত লিখুন