যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি স্টেডিয়ামে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের চোখধাঁধানো নৈপুণ্যে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের গ্রুপসেরা হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছে ব্রাজিল। ‘সি’ গ্রুপের এই ম্যাচে জোড়া গোল করে সেলেসাওদের জয়ের নায়ক বনে যান ভিনি। প্রথম দুই ম্যাচে একটি করে গোল করার পর এই ম্যাচেও নিজের গোলবন্যা ধরে রাখলেন এই ফরোয়ার্ড।
ব্রাজিলের দাপুটে পারফরম্যান্সের দিনে খেলার ৭৬ মিনিটে গ্যালারির দর্শকদের উল্লাসে ভাসিয়ে দীর্ঘ ৩২ মাস পর জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামেন সুপারস্টার নেইমার। তবে বাকি সময়ে তিনি কোনো গোল পাননি।
ম্যাচের শুরু থেকেই স্কটিশদের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে হলুদ জার্সিধারীরা। খেলার ৭ মিনিটে স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগের বড় ভুলের সুযোগ নিয়ে লিড নেয় ব্রাজিল। সেন্টার-ব্যাক স্কট ম্যাককেনার পাস ব্লক করে দেন তরুণ উইঙ্গার রায়ান, আর সেই বল পেয়ে যান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
স্কটিশ গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানকে দারুণভাবে ফাঁকি দিয়ে ফাঁকা জালে বল জড়াতে কোনো ভুল করেননি এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। এরপর স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডার হেনড্রির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে ভিনিসিয়ুস আরও একটি গোল করলেও মাঠের রেফারি ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) যাচাই করে দেখেন যে বল নেওয়ার আগে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের পায়ে আঘাত লেগেছিল। ফলে ফাউলের কারণে সেই গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
গোল বাতিলের ধাক্কা সামলে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে আবারও জালের দেখা পান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডাররা বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে ডান দিক থেকে ব্রুনো গুমাইরেসের বাড়ানো ক্রস পেছনের পোস্টে ফাঁকায় পেয়ে যান ভিনি। নিখুঁত এক হেডে বল জালে পাঠিয়ে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়ে বিরতিতে যান তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেও ব্রাজিলের আক্রমণের ধার কমেনি। ম্যাচের ৬১ মিনিটে দলের পক্ষে তৃতীয় গোলটি করেন মাথেউস কুনহা। এরপর ৭৬ মিনিটে কুনহার বদলি হিসেবে নেইমার মাঠে নামলে গ্যালারিতে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত ৩-০ ব্যবধানের সহজ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি স্টেডিয়ামে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের চোখধাঁধানো নৈপুণ্যে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের গ্রুপসেরা হয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছে ব্রাজিল। ‘সি’ গ্রুপের এই ম্যাচে জোড়া গোল করে সেলেসাওদের জয়ের নায়ক বনে যান ভিনি। প্রথম দুই ম্যাচে একটি করে গোল করার পর এই ম্যাচেও নিজের গোলবন্যা ধরে রাখলেন এই ফরোয়ার্ড।
ব্রাজিলের দাপুটে পারফরম্যান্সের দিনে খেলার ৭৬ মিনিটে গ্যালারির দর্শকদের উল্লাসে ভাসিয়ে দীর্ঘ ৩২ মাস পর জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামেন সুপারস্টার নেইমার। তবে বাকি সময়ে তিনি কোনো গোল পাননি।
ম্যাচের শুরু থেকেই স্কটিশদের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে হলুদ জার্সিধারীরা। খেলার ৭ মিনিটে স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগের বড় ভুলের সুযোগ নিয়ে লিড নেয় ব্রাজিল। সেন্টার-ব্যাক স্কট ম্যাককেনার পাস ব্লক করে দেন তরুণ উইঙ্গার রায়ান, আর সেই বল পেয়ে যান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
স্কটিশ গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানকে দারুণভাবে ফাঁকি দিয়ে ফাঁকা জালে বল জড়াতে কোনো ভুল করেননি এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। এরপর স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডার হেনড্রির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে ভিনিসিয়ুস আরও একটি গোল করলেও মাঠের রেফারি ভিএআর (ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি) যাচাই করে দেখেন যে বল নেওয়ার আগে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের পায়ে আঘাত লেগেছিল। ফলে ফাউলের কারণে সেই গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
গোল বাতিলের ধাক্কা সামলে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে আবারও জালের দেখা পান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডাররা বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে ডান দিক থেকে ব্রুনো গুমাইরেসের বাড়ানো ক্রস পেছনের পোস্টে ফাঁকায় পেয়ে যান ভিনি। নিখুঁত এক হেডে বল জালে পাঠিয়ে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়ে বিরতিতে যান তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেও ব্রাজিলের আক্রমণের ধার কমেনি। ম্যাচের ৬১ মিনিটে দলের পক্ষে তৃতীয় গোলটি করেন মাথেউস কুনহা। এরপর ৭৬ মিনিটে কুনহার বদলি হিসেবে নেইমার মাঠে নামলে গ্যালারিতে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত ৩-০ ব্যবধানের সহজ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।

আপনার মতামত লিখুন