সাফ জয়ী কৃতি নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমার ঘর নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতা কাটাতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক। বর্তমানে সরকারি সফরে তুরস্কে অবস্থান করলেও প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল রাঙামাটিতে ঋতুপর্ণার বাড়ি পরিদর্শন করেছেন।
সোমবার প্রতিমন্ত্রীর প্রেস সচিব এস এম আশরাফ এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের একজন কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত এই প্রতিনিধি দল ঋতুপর্ণার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। কয়েক বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও কেন ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি, প্রতিনিধি দলটি তার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করেন।
প্রতিনিধি দলটি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করলে জমি সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়টি সামনে আসে। রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফি জানান, জেলা প্রশাসন বাড়িটি নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। তবে ভূমি বন্দোবস্ত বা বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় আইনি জটিলতা থাকায় পুরো প্রক্রিয়াটি থমকে আছে।
২০২৫ সালের মার্চ মাসে ঋতুপর্ণা চাকমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১২ শতক খাসজমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ঋতুপর্ণা নিজে বরাদ্দকৃত জমি দেখে এলেও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন না পাওয়ায় তিনি জমির দখল বুঝে পাননি।
পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দলটি জানিয়েছে, রাঙামাটি সফর থেকে প্রাপ্ত সমস্ত তথ্য ও প্রতিবন্ধকতার বিস্তারিত প্রতিবেদন দ্রুততম সময়ের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া হবে। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রতিমন্ত্রী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে দেশের এই গর্বিত ফুটবলার দ্রুত তার প্রতিশ্রুত সরকারি বাড়ি বুঝে পান।
প্রতিমন্ত্রীর এই সরাসরি হস্তক্ষেপে ঋতুপর্ণার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিনের হতাশা কেটে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানাননো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
সাফ জয়ী কৃতি নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমার ঘর নির্মাণে দীর্ঘসূত্রতা কাটাতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক। বর্তমানে সরকারি সফরে তুরস্কে অবস্থান করলেও প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল রাঙামাটিতে ঋতুপর্ণার বাড়ি পরিদর্শন করেছেন।
সোমবার প্রতিমন্ত্রীর প্রেস সচিব এস এম আশরাফ এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের একজন কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত এই প্রতিনিধি দল ঋতুপর্ণার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। কয়েক বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও কেন ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি, প্রতিনিধি দলটি তার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করেন।
প্রতিনিধি দলটি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করলে জমি সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়টি সামনে আসে। রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফি জানান, জেলা প্রশাসন বাড়িটি নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। তবে ভূমি বন্দোবস্ত বা বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় আইনি জটিলতা থাকায় পুরো প্রক্রিয়াটি থমকে আছে।
২০২৫ সালের মার্চ মাসে ঋতুপর্ণা চাকমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১২ শতক খাসজমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ঋতুপর্ণা নিজে বরাদ্দকৃত জমি দেখে এলেও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন না পাওয়ায় তিনি জমির দখল বুঝে পাননি।
পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দলটি জানিয়েছে, রাঙামাটি সফর থেকে প্রাপ্ত সমস্ত তথ্য ও প্রতিবন্ধকতার বিস্তারিত প্রতিবেদন দ্রুততম সময়ের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া হবে। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রতিমন্ত্রী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে দেশের এই গর্বিত ফুটবলার দ্রুত তার প্রতিশ্রুত সরকারি বাড়ি বুঝে পান।
প্রতিমন্ত্রীর এই সরাসরি হস্তক্ষেপে ঋতুপর্ণার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিনের হতাশা কেটে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানাননো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন