রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় দিনে-দুপুরে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই ও কয়েকজনকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান সাব্বির মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এই আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং উভয় পক্ষের
শুনানি শেষে আদালত আসামির
জামিন আবেদন নাকচ করেন। অন্যদিকে,
একই মামলায় রবু মিয়া নামে
অপর এক আসামি আদালতে
আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
পুলিশের
প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নতুন জুরাইনের আলমবাগ
এলাকা থেকে র্যাব-১০
এর একটি দল আসাদুজ্জামানকে
গ্রেপ্তার করে। বুধবার তাকে
আদালতে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা
কদমতলী থানার এসআই জহিরুল ইসলাম
তদন্ত শেষ না হওয়া
পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন
জানান।
শুনানির
সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক দাবি করেন, তার
মক্কেলকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এই
মামলায় জড়ানো হয়েছে এবং জামিন দিলে
তিনি পালিয়ে যাবেন না। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ
জামিনের জোরালো বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের যুক্তি
খণ্ডন শেষে আদালত প্রকৌশলী
আসাদুজ্জামানকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য,
গত ৬ মে বিকেলে
কদমতলীর ঢাকা ম্যাচ রেললাইন
সংলগ্ন বাজারে চাঞ্চল্যকর এই ছিনতাইয়ের ঘটনা
ঘটে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ব্যবসায়ী মো. হাসান ও
তার সঙ্গীরা প্রাইভেটকারে যাওয়ার সময় একদল সশস্ত্র
সন্ত্রাসী তাদের পথরোধ করে। হামলাকারীরা দেশীয়
অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে
গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের ওপর
ঝাঁপিয়ে পড়ে। সন্ত্রাসীরা পিস্তল
দিয়ে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে এলাকায়
চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং গাড়ি
থেকে ভুক্তভোগীদের টেনে বের করে
এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে ব্যবসায়ী হাসান,
রনি, মোতালেব ও নয়নসহ অন্তত
৭ জন গুরুতর আহত
হন। হামলাকারীরা গাড়ি থেকে নগদ
১৯ লাখ টাকা লুটে
নিয়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায়
পরদিন ৭ মে কদমতলী
থানায় একটি মামলা দায়ের
করা হয়। বর্তমানে পুলিশ
ঘটনার সাথে জড়িত বাকিদের
গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
রাজধানীর কদমতলী থানা এলাকায় দিনে-দুপুরে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই ও কয়েকজনকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান সাব্বির মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এই আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং উভয় পক্ষের
শুনানি শেষে আদালত আসামির
জামিন আবেদন নাকচ করেন। অন্যদিকে,
একই মামলায় রবু মিয়া নামে
অপর এক আসামি আদালতে
আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
পুলিশের
প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নতুন জুরাইনের আলমবাগ
এলাকা থেকে র্যাব-১০
এর একটি দল আসাদুজ্জামানকে
গ্রেপ্তার করে। বুধবার তাকে
আদালতে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা
কদমতলী থানার এসআই জহিরুল ইসলাম
তদন্ত শেষ না হওয়া
পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন
জানান।
শুনানির
সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক দাবি করেন, তার
মক্কেলকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এই
মামলায় জড়ানো হয়েছে এবং জামিন দিলে
তিনি পালিয়ে যাবেন না। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ
জামিনের জোরালো বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের যুক্তি
খণ্ডন শেষে আদালত প্রকৌশলী
আসাদুজ্জামানকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য,
গত ৬ মে বিকেলে
কদমতলীর ঢাকা ম্যাচ রেললাইন
সংলগ্ন বাজারে চাঞ্চল্যকর এই ছিনতাইয়ের ঘটনা
ঘটে। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ব্যবসায়ী মো. হাসান ও
তার সঙ্গীরা প্রাইভেটকারে যাওয়ার সময় একদল সশস্ত্র
সন্ত্রাসী তাদের পথরোধ করে। হামলাকারীরা দেশীয়
অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে
গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের ওপর
ঝাঁপিয়ে পড়ে। সন্ত্রাসীরা পিস্তল
দিয়ে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে এলাকায়
চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং গাড়ি
থেকে ভুক্তভোগীদের টেনে বের করে
এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে ব্যবসায়ী হাসান,
রনি, মোতালেব ও নয়নসহ অন্তত
৭ জন গুরুতর আহত
হন। হামলাকারীরা গাড়ি থেকে নগদ
১৯ লাখ টাকা লুটে
নিয়ে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায়
পরদিন ৭ মে কদমতলী
থানায় একটি মামলা দায়ের
করা হয়। বর্তমানে পুলিশ
ঘটনার সাথে জড়িত বাকিদের
গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন