সংবাদ

বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ১১:০২ পিএম

বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। তরুণ নারীদের প্রাধান্য দিয়ে একটি সমন্বিত ব্যবস্থা বাহোলিস্টিক ইকোসিস্টেমতৈরির মাধ্যমে সরকার এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোতে আয়োজিতপরিবেশ সংরক্ষণ টেকসই উন্নয়নে বৃক্ষরোপণ: এনজিওর ভূমিকাশীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের মধ্যে কোনো সংযোগ নেই। দক্ষতা এবং কারিগরি জ্ঞানই হচ্ছে এই দুইয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন।শুধু সনদের জন্য পড়াশোনা না করে, শিক্ষাকে বাস্তবমুখী ব্যবহারিক করার ওপর জোর দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্ঠা বলেন, ‘সবাইকে অনার্স-মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে হবে এমন নয় বরং কারিগরি বৃত্তিমূলক শিক্ষার (ভোকেশনাল এডুকেশন) মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা প্রয়োজন। ক্ষেত্রে শিল্প একাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে এনজিওগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।

দেশের সার্বিক উন্নয়নে এনজিওগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশের গৌরবময় পরিচিতি তুলে ধরতে এনজিওগুলোর বড় অবদান রয়েছে। একটি সরকারের মূল দায়িত্ব হলো পলিসি তৈরি করা এবং তা সহজতর করা।

তিনি আরও বলেন, সরকার লক্ষ্য নির্ধারণ করবে, আর তা বাস্তবায়নে সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, এনজিও এবং সব অংশীজনের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত জরুরি। সরকারের যেকোনো নীতি বাস্তবায়নে এনজিওগুলোকেবাস্তবায়ন সহযোগী’ (ইমপ্লিমেন্টেশন পার্টনার) হিসেবে পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

নির্বাচনী ইশতেহারের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা জানান, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, নারীর ক্ষমতায়ন, খাল খনন, মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী এবং কৃষকদের ঋণ সহায়তাসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি সরকার গঠনের প্রথম তিন মাসের মধ্যেই বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এসব প্রকল্পের প্রি-পাইলট পাইলট পর্যায় শেষে তা দেশব্যাপী ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

বর্তমান নির্বাচিত সরকারের তিন মাস পূর্তির কথা উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, ‘জনগণের বিশাল প্রত্যাশা রয়েছে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন থাকবে। বিগত ১৮ বছরে দেশে যা ছিল না, সেই বাকস্বাধীনতা এবং যৌক্তিক সমালোচনা করার অধিকার ফিরিয়ে আনাই এই সরকারের লক্ষ্য।

রাজনৈতিক বা মতাদর্শিক ভিন্নতা থাকলেও দেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং উন্নয়নের প্রশ্নে সবাইকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান মাহদী আমিন। বৃক্ষরোপণের মতো কাজেও দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে বৃক্ষরোপণের কাজে যাওয়া শ্রমিকদেরও ন্যূনতম প্রশিক্ষণ দিয়ে পাঠালে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

তিনি এনজিওগুলোকে কাজের পরিধি, ধরন দক্ষতা অনুযায়ী সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা, অনুপ্রেরণা প্রণোদনা প্রদানের আশ্বাস দেন এবং সবাইকে মিলে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। তরুণ নারীদের প্রাধান্য দিয়ে একটি সমন্বিত ব্যবস্থা বাহোলিস্টিক ইকোসিস্টেমতৈরির মাধ্যমে সরকার এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছে।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও বিষয়ক ব্যুরোতে আয়োজিতপরিবেশ সংরক্ষণ টেকসই উন্নয়নে বৃক্ষরোপণ: এনজিওর ভূমিকাশীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের মধ্যে কোনো সংযোগ নেই। দক্ষতা এবং কারিগরি জ্ঞানই হচ্ছে এই দুইয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন।শুধু সনদের জন্য পড়াশোনা না করে, শিক্ষাকে বাস্তবমুখী ব্যবহারিক করার ওপর জোর দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্ঠা বলেন, ‘সবাইকে অনার্স-মাস্টার্স বা পিএইচডি করতে হবে এমন নয় বরং কারিগরি বৃত্তিমূলক শিক্ষার (ভোকেশনাল এডুকেশন) মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা প্রয়োজন। ক্ষেত্রে শিল্প একাডেমিয়ার মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে এনজিওগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে।

দেশের সার্বিক উন্নয়নে এনজিওগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশের গৌরবময় পরিচিতি তুলে ধরতে এনজিওগুলোর বড় অবদান রয়েছে। একটি সরকারের মূল দায়িত্ব হলো পলিসি তৈরি করা এবং তা সহজতর করা।

তিনি আরও বলেন, সরকার লক্ষ্য নির্ধারণ করবে, আর তা বাস্তবায়নে সরকারি খাতের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, এনজিও এবং সব অংশীজনের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত জরুরি। সরকারের যেকোনো নীতি বাস্তবায়নে এনজিওগুলোকেবাস্তবায়ন সহযোগী’ (ইমপ্লিমেন্টেশন পার্টনার) হিসেবে পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

নির্বাচনী ইশতেহারের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা জানান, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, নারীর ক্ষমতায়ন, খাল খনন, মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী এবং কৃষকদের ঋণ সহায়তাসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি সরকার গঠনের প্রথম তিন মাসের মধ্যেই বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এসব প্রকল্পের প্রি-পাইলট পাইলট পর্যায় শেষে তা দেশব্যাপী ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

বর্তমান নির্বাচিত সরকারের তিন মাস পূর্তির কথা উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, ‘জনগণের বিশাল প্রত্যাশা রয়েছে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন থাকবে। বিগত ১৮ বছরে দেশে যা ছিল না, সেই বাকস্বাধীনতা এবং যৌক্তিক সমালোচনা করার অধিকার ফিরিয়ে আনাই এই সরকারের লক্ষ্য।

রাজনৈতিক বা মতাদর্শিক ভিন্নতা থাকলেও দেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং উন্নয়নের প্রশ্নে সবাইকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান মাহদী আমিন। বৃক্ষরোপণের মতো কাজেও দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে বৃক্ষরোপণের কাজে যাওয়া শ্রমিকদেরও ন্যূনতম প্রশিক্ষণ দিয়ে পাঠালে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

তিনি এনজিওগুলোকে কাজের পরিধি, ধরন দক্ষতা অনুযায়ী সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা, অনুপ্রেরণা প্রণোদনা প্রদানের আশ্বাস দেন এবং সবাইকে মিলে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের আহ্বান জানান।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত