পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ১১ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে মামলার বাদী দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম সাক্ষ্য দেন।
তার
সাক্ষ্য শেষে আগামী ২০
মে পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন রাখা হয়েছে
বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি সোহানুর রহমান। গত ৩ মে
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার
শুরুর আদেশ দেয় একই
আদালত। এর আগে গত
৮ মার্চ মামলার অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করে
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
দুদকের
উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৪
সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীরের
বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের
করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের
৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত
আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং
মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে অভিযোগপত্র দেন হাফিজুল ইসলাম।
মামলার
অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, বেনজীর
আহমেদ তার দাখিল করা
সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫
লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫
টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৫ কোটি
৭৪ লাখ ৮৯ হাজার
৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে তদন্তে
তার নামে ৭ কোটি
৫২ লাখ ৬৮ হাজার
৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি
১৫ লাখ ৩১ হাজার
২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়। এতে মোট
১৫ কোটি ৬৮ লাখ
টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে।
বৈধ
আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া
গেছে ৬ কোটি ৫৯
লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮
টাকা। ব্যয় বাদে নিট
সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩
লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫
টাকা। ফলে বেনজীর আহমেদ
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪
লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬
টাকার সম্পদ অর্জন করেন। অভিযোগ পত্রে আরও বলা হয়েছে,
‘বেনজীর আহমেদ এসব অর্থের অবৈধ
উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন
করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী
প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।’

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ১১ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে মামলার বাদী দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম সাক্ষ্য দেন।
তার
সাক্ষ্য শেষে আগামী ২০
মে পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন রাখা হয়েছে
বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি সোহানুর রহমান। গত ৩ মে
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার
শুরুর আদেশ দেয় একই
আদালত। এর আগে গত
৮ মার্চ মামলার অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করে
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
দুদকের
উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৪
সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীরের
বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের
করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের
৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত
আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং
মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে অভিযোগপত্র দেন হাফিজুল ইসলাম।
মামলার
অভিযোগ পত্রে বলা হয়েছে, বেনজীর
আহমেদ তার দাখিল করা
সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫
লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫
টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৫ কোটি
৭৪ লাখ ৮৯ হাজার
৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে তদন্তে
তার নামে ৭ কোটি
৫২ লাখ ৬৮ হাজার
৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি
১৫ লাখ ৩১ হাজার
২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়। এতে মোট
১৫ কোটি ৬৮ লাখ
টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে।
বৈধ
আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া
গেছে ৬ কোটি ৫৯
লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮
টাকা। ব্যয় বাদে নিট
সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩
লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫
টাকা। ফলে বেনজীর আহমেদ
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪
লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬
টাকার সম্পদ অর্জন করেন। অভিযোগ পত্রে আরও বলা হয়েছে,
‘বেনজীর আহমেদ এসব অর্থের অবৈধ
উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন
করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী
প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।’

আপনার মতামত লিখুন