মোবাইল
ফোনের টাওয়ার থেকে নির্গত বিকিরণ
বা রেডিয়েশন মানুষ, পশুপাখি ও পরিবেশের ওপর
ঠিক কী ধরনের নেতিবাচক
প্রভাব ফেলছে, তা নিবিড়ভাবে খতিয়ে
দেখার উদ্যোগ নিয়েছে হাইকোর্ট। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি
পূর্ণাঙ্গ গবেষণা সম্পন্ন করে আগামী ছয়
মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বিটিআরসিকে
নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশবাদী
সংগঠন এইচআরপিবির এক আবেদনের প্রেক্ষিতে
বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি আজিজ
আহমেদ ভুঁয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ
বুধবার এই আদেশ প্রদান
করেন।
আদালতে
আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
মনজিল মোরসেদ। তিনি জানান, মোবাইল
টাওয়ারের রেডিয়েশন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই
উদ্বেগ রয়েছে। ইতিপূর্বে ২০১৯ সালে এক
রায়ে আদালত জনসমাগমস্থল যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
ও আদালত প্রাঙ্গণে টাওয়ার না বসানোর নির্দেশনা
দিয়েছিলেন। তবে বিটিআরসি বিকিরণের
মাত্রা নিয়ে যে প্রতিবেদন
দিয়েছিল, তাতে এইচআরপিবি আপত্তি
জানায়।
মনজিল
মোরসেদ বলেন, "ভারতসহ অনেক দেশে বিকিরণের
মাত্রা দশ ভাগের এক
ভাগে নামিয়ে আনা হয়েছে। বাংলাদেশেও
এই মাত্রা কমানোর জন্য আমরা বুয়েটের
বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলাম।"
আদালতের
তলবে বুয়েটের অধ্যাপক কামরুল হাসান ইতিমধ্যে তার মতামত ও
লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। সেই প্রতিবেদনে তিনি
বাংলাদেশে রেডিয়েশনের স্বাস্থ্যঝুঁকি নির্ণয়ে একটি সুনির্দিষ্ট গবেষণার
প্রস্তাব দেন। আইনজীবী মনজিল
মোরসেদ বলেন, "বুয়েটের অধ্যাপকের সুপারিশ অনুযায়ী আদালত বিটিআরসিকে একটি প্রজেক্টের মাধ্যমে
এই গবেষণা কাজ শেষ করার
নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়
এলাকায় টাওয়ার স্থাপন না করার যে
নির্দেশনা আগে দেওয়া হয়েছিল,
তা মোবাইল টাওয়ার গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত করে আদালতে কমপ্লায়েন্স
রিপোর্ট জমা দিতে বলা
হয়েছে।"
আগামী
২ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী
শুনানির দিন ধার্য করা
হয়েছে। দেশের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের আশঙ্কা ও পরিবেশগত ঝুঁকি
বিবেচনায় এই গবেষণা প্রতিবেদনটি
অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে বলে মনে
করছেন সংশ্লিষ্টরা। আদালতের এই কড়া নির্দেশনার
ফলে এখন দেখার বিষয়
বিটিআরসি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের সাথে নিয়ে রেডিয়েশনের
প্রকৃত ক্ষতির চিত্র কীভাবে তুলে ধরে। মূলত
জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই উচ্চ আদালত এই
গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
মোবাইল
ফোনের টাওয়ার থেকে নির্গত বিকিরণ
বা রেডিয়েশন মানুষ, পশুপাখি ও পরিবেশের ওপর
ঠিক কী ধরনের নেতিবাচক
প্রভাব ফেলছে, তা নিবিড়ভাবে খতিয়ে
দেখার উদ্যোগ নিয়েছে হাইকোর্ট। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি
পূর্ণাঙ্গ গবেষণা সম্পন্ন করে আগামী ছয়
মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বিটিআরসিকে
নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশবাদী
সংগঠন এইচআরপিবির এক আবেদনের প্রেক্ষিতে
বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি আজিজ
আহমেদ ভুঁয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ
বুধবার এই আদেশ প্রদান
করেন।
আদালতে
আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী
মনজিল মোরসেদ। তিনি জানান, মোবাইল
টাওয়ারের রেডিয়েশন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই
উদ্বেগ রয়েছে। ইতিপূর্বে ২০১৯ সালে এক
রায়ে আদালত জনসমাগমস্থল যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
ও আদালত প্রাঙ্গণে টাওয়ার না বসানোর নির্দেশনা
দিয়েছিলেন। তবে বিটিআরসি বিকিরণের
মাত্রা নিয়ে যে প্রতিবেদন
দিয়েছিল, তাতে এইচআরপিবি আপত্তি
জানায়।
মনজিল
মোরসেদ বলেন, "ভারতসহ অনেক দেশে বিকিরণের
মাত্রা দশ ভাগের এক
ভাগে নামিয়ে আনা হয়েছে। বাংলাদেশেও
এই মাত্রা কমানোর জন্য আমরা বুয়েটের
বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলাম।"
আদালতের
তলবে বুয়েটের অধ্যাপক কামরুল হাসান ইতিমধ্যে তার মতামত ও
লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। সেই প্রতিবেদনে তিনি
বাংলাদেশে রেডিয়েশনের স্বাস্থ্যঝুঁকি নির্ণয়ে একটি সুনির্দিষ্ট গবেষণার
প্রস্তাব দেন। আইনজীবী মনজিল
মোরসেদ বলেন, "বুয়েটের অধ্যাপকের সুপারিশ অনুযায়ী আদালত বিটিআরসিকে একটি প্রজেক্টের মাধ্যমে
এই গবেষণা কাজ শেষ করার
নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়
এলাকায় টাওয়ার স্থাপন না করার যে
নির্দেশনা আগে দেওয়া হয়েছিল,
তা মোবাইল টাওয়ার গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত করে আদালতে কমপ্লায়েন্স
রিপোর্ট জমা দিতে বলা
হয়েছে।"
আগামী
২ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী
শুনানির দিন ধার্য করা
হয়েছে। দেশের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের আশঙ্কা ও পরিবেশগত ঝুঁকি
বিবেচনায় এই গবেষণা প্রতিবেদনটি
অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হবে বলে মনে
করছেন সংশ্লিষ্টরা। আদালতের এই কড়া নির্দেশনার
ফলে এখন দেখার বিষয়
বিটিআরসি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের সাথে নিয়ে রেডিয়েশনের
প্রকৃত ক্ষতির চিত্র কীভাবে তুলে ধরে। মূলত
জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই উচ্চ আদালত এই
গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন