মিরপুরে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের প্রায় ১৫০ একর জমি গত কয়েক বছর ধরে প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে রয়েছে। এই জমির বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। দখলদাররা সেখানে বস্তি, টিনশেড ঘর, বহুতল ভবন এবং সুপার মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তুলেছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
অবাক করার বিষয় হলো, রাজনৈতিক আদর্শের বিরোধ থাকলেও রাষ্ট্রের জমি দখলে সব দখলদার একজোট। দখলদারদের সিন্ডিকেট জমি দখল করছে, পজিশন বিক্রি করছে। এমনকি সরকারি ৪০ ফুট রাস্তাও তারা দখল করে রেখেছে।
রাষ্ট্রেরে জমি সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহারের কথা। রাষ্ট্র্রের জমিতে অবৈধভাবে ঘর, দোকানপাট, বহুতল ভবন ও মার্কেট গড়ে ওঠা প্রমাণ করে যে আইনের শাসনের বড় ধরনের দুর্বলতা রয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় ও ক্ষমতার প্রভাব ব্যবহার করে রাষ্রোদর সম্পদ দখল করা হলে মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, জমি দখলের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। দখলদারদের কোনো ছাড় না দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আশার কথা, গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ এই অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে জমি উদ্ধারে সক্রিয় হয়েছে। রূপনগর থানায় একাধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জানা গেছে, ৩শ’ কোটি টাকার জমি ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে।
আমরা আশা করব, রাষ্ট্রের প্রতি ইঞ্চি জমি উদ্ধার করা হবে। দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। রাষ্ট্রের সম্পদ উদ্ধারে কোনো ছাড় দেয়া চলবে না।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
মিরপুরে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের প্রায় ১৫০ একর জমি গত কয়েক বছর ধরে প্রভাবশালীদের অবৈধ দখলে রয়েছে। এই জমির বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা। দখলদাররা সেখানে বস্তি, টিনশেড ঘর, বহুতল ভবন এবং সুপার মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে তুলেছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
অবাক করার বিষয় হলো, রাজনৈতিক আদর্শের বিরোধ থাকলেও রাষ্ট্রের জমি দখলে সব দখলদার একজোট। দখলদারদের সিন্ডিকেট জমি দখল করছে, পজিশন বিক্রি করছে। এমনকি সরকারি ৪০ ফুট রাস্তাও তারা দখল করে রেখেছে।
রাষ্ট্রেরে জমি সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহারের কথা। রাষ্ট্র্রের জমিতে অবৈধভাবে ঘর, দোকানপাট, বহুতল ভবন ও মার্কেট গড়ে ওঠা প্রমাণ করে যে আইনের শাসনের বড় ধরনের দুর্বলতা রয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় ও ক্ষমতার প্রভাব ব্যবহার করে রাষ্রোদর সম্পদ দখল করা হলে মানুষের মধ্যে ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, জমি দখলের প্রশ্নে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। দখলদারদের কোনো ছাড় না দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আশার কথা, গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ এই অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে জমি উদ্ধারে সক্রিয় হয়েছে। রূপনগর থানায় একাধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জানা গেছে, ৩শ’ কোটি টাকার জমি ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে।
আমরা আশা করব, রাষ্ট্রের প্রতি ইঞ্চি জমি উদ্ধার করা হবে। দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। রাষ্ট্রের সম্পদ উদ্ধারে কোনো ছাড় দেয়া চলবে না।

আপনার মতামত লিখুন