টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে রফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৫ মে) সকালে উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়নের জামতলী ফকির বাড়ি এলাকার নিজ বাড়ির একটি গোয়ালঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, রফিকুলকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
নিহত রফিকুল ইসলাম জামতলী বাজারে মুদিদোকানি ছিলেন, পাশাপাশি গবাদিপশুর ব্যবসাও করতেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত মহর উদ্দিনের ছেলে।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রফিকুলের দুই স্ত্রী। দ্বিতীয় স্ত্রী রেহেনা বেগমের সঙ্গে তার প্রায়ই কলহ হতো। শুক্রবার ভোরে বাড়ির পাশে গোয়ালঘরের ধরণার সঙ্গে রফিকুলের মরদেহ ঝুলতে দেখেন স্বজনেরা। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
নিহতের ভাই সুলতান আহমেদ ও শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, রফিকুল একজন ভালো মানুষ ছিলেন। পারিবারিক কলহের জেরে তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হতে পারে বলে তাদের সন্দেহ। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। নিহতের ছেলে সোহাগ হোসেনও একে ‘পরিকল্পিত হত্যা’ দাবি করে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের জোর দাবি জানান।
তবে দ্বিতীয় স্ত্রী রেহেনা বেগম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘রাতে তিনি দোকান থেকে ফেরেননি। সকালে বাড়ির লোকজনের চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি গোয়ালঘরে লাশ ঝুলছে।’
ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরুস সালাম সিদ্দিক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে রফিকুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৫ মে) সকালে উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়নের জামতলী ফকির বাড়ি এলাকার নিজ বাড়ির একটি গোয়ালঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, রফিকুলকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
নিহত রফিকুল ইসলাম জামতলী বাজারে মুদিদোকানি ছিলেন, পাশাপাশি গবাদিপশুর ব্যবসাও করতেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত মহর উদ্দিনের ছেলে।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রফিকুলের দুই স্ত্রী। দ্বিতীয় স্ত্রী রেহেনা বেগমের সঙ্গে তার প্রায়ই কলহ হতো। শুক্রবার ভোরে বাড়ির পাশে গোয়ালঘরের ধরণার সঙ্গে রফিকুলের মরদেহ ঝুলতে দেখেন স্বজনেরা। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
নিহতের ভাই সুলতান আহমেদ ও শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, রফিকুল একজন ভালো মানুষ ছিলেন। পারিবারিক কলহের জেরে তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হতে পারে বলে তাদের সন্দেহ। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। নিহতের ছেলে সোহাগ হোসেনও একে ‘পরিকল্পিত হত্যা’ দাবি করে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের জোর দাবি জানান।
তবে দ্বিতীয় স্ত্রী রেহেনা বেগম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘রাতে তিনি দোকান থেকে ফেরেননি। সকালে বাড়ির লোকজনের চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি গোয়ালঘরে লাশ ঝুলছে।’
ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরুস সালাম সিদ্দিক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন