বিয়ের দাবিতে চাপ দেওয়ায় ফরিদপুরে প্রেমিকা ও তার ৩ বছরের কন্যাসন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ঘাতক প্রেমিক মো. উজ্জ্বল খানকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১৭ মে) দুপুরে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার উজ্জ্বল খান রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার মঙ্গলপুর ইউনিয়নের বকারটিলা খাসেরকোল গ্রামের মৃত শাহজাহান খানের ছেলে। নিহতরা হলেন- রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার আমজাদ শেখের স্ত্রী জাহানারা বেগম (৩০) ও তার একমাত্র মেয়ে সামিয়া (৩)।
পুলিশ জানায়, প্রায় ৩ বছর আগে রাজধানীর আমিন বাজারের একটি ইটভাটায় কাজ করার সময় উজ্জ্বলের সঙ্গে জাহানারার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৪ মে জাহানারা
বিয়ের দাবিতে চাপ দিলে উজ্জ্বল তাকে ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের কালিতলা এলাকায় একটি নির্জন পুকুরপাড়ে ডেকে নেয়। সেখানে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে উজ্জ্বল জাহানারাকে সজোরে আঘাত করেন। জাহানারা জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়লে উজ্জ্বল তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এ সময় শিশু সামিয়া কান্না শুরু করলে তাকেও একইভাবে হত্যা করা হয়। পরে পাশেই নিজের বাড়ি থেকে কোদাল এনে একাই গর্ত খুঁড়ে মা ও মেয়ের মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে কলাগাছ দিয়ে ঢেকে রাখেন তিনি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম জানান, গত ১৪ মে নিখোঁজের ১১ দিন পর পুকুরপাড় থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর জাহানারার বাবা লালন মোল্লা বাদী হয়ে মামলা করলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ১৬ মে রাজবাড়ী থেকে উজ্জ্বলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোদালটিও জব্দ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নিহত জাহানারার বাবা লালন মোল্লা তার মেয়ে ও নাতনি হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসেবে ঘাতক উজ্জ্বলের ফাঁসি দাবি করেন।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
বিয়ের দাবিতে চাপ দেওয়ায় ফরিদপুরে প্রেমিকা ও তার ৩ বছরের কন্যাসন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ঘাতক প্রেমিক মো. উজ্জ্বল খানকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১৭ মে) দুপুরে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার উজ্জ্বল খান রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার মঙ্গলপুর ইউনিয়নের বকারটিলা খাসেরকোল গ্রামের মৃত শাহজাহান খানের ছেলে। নিহতরা হলেন- রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার আমজাদ শেখের স্ত্রী জাহানারা বেগম (৩০) ও তার একমাত্র মেয়ে সামিয়া (৩)।
পুলিশ জানায়, প্রায় ৩ বছর আগে রাজধানীর আমিন বাজারের একটি ইটভাটায় কাজ করার সময় উজ্জ্বলের সঙ্গে জাহানারার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৪ মে জাহানারা
বিয়ের দাবিতে চাপ দিলে উজ্জ্বল তাকে ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের কালিতলা এলাকায় একটি নির্জন পুকুরপাড়ে ডেকে নেয়। সেখানে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে উজ্জ্বল জাহানারাকে সজোরে আঘাত করেন। জাহানারা জ্ঞান হারিয়ে লুটিয়ে পড়লে উজ্জ্বল তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এ সময় শিশু সামিয়া কান্না শুরু করলে তাকেও একইভাবে হত্যা করা হয়। পরে পাশেই নিজের বাড়ি থেকে কোদাল এনে একাই গর্ত খুঁড়ে মা ও মেয়ের মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে কলাগাছ দিয়ে ঢেকে রাখেন তিনি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাতেমা ইসলাম জানান, গত ১৪ মে নিখোঁজের ১১ দিন পর পুকুরপাড় থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর জাহানারার বাবা লালন মোল্লা বাদী হয়ে মামলা করলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ১৬ মে রাজবাড়ী থেকে উজ্জ্বলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোদালটিও জব্দ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নিহত জাহানারার বাবা লালন মোল্লা তার মেয়ে ও নাতনি হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হিসেবে ঘাতক উজ্জ্বলের ফাঁসি দাবি করেন।

আপনার মতামত লিখুন