বাংলা সংবাদপত্র জগতের এক প্রাচীন ও গৌরবময় নাম ‘দৈনিক সংবাদ’। কেবল সংবাদ পরিবেশনই নয়, গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে মুক্তচিন্তা, প্রগতিশীল রাজনীতি এবং বাঙালি সংস্কৃতি বিকাশের এক অনন্য সারথি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে এই পত্রিকাটি। ১৯৫৪ সালে মালিকানা বদলের পর থেকেই এটি হয়ে ওঠে প্রগতিশীল চিন্তাধারার মূল কেন্দ্রবিন্দু।
আহমেদুল কবিরের
দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং কিংবদন্তি সম্পাদক জহুর হোসেন চৌধুরীর হাত ধরে ‘সংবাদ’ এক নতুন
দিগন্তে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে বজলুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এই ধারাকে আরও বেগবান
করে। কালের পরিক্রমায় সাংবাদিকতা ও সাহিত্যের দিকপালরা এই ঠিকানাকে আপন করে নিয়েছিলেন।
রণেশ দাশগুপ্ত,
সত্যেন সেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, মোনাজাতউদ্দিন ও সন্তোষ গুপ্তের ক্ষুরধার লেখনী এবং
তোয়াব খান ও কামাল লোহানীর তীক্ষ্ণ সম্পাদনা পত্রিকাটিকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়।
সেই সাথে মোহাম্মদ ফরহাদ ও আলী আকসাদের মতো রাজনৈতিক চিন্তাবিদদের পদচারণায় মুখর ছিল
এই অফিস। পরবর্তীতে মতিউর রহমান এবং মতিউর রহমান চৌধুরীর মতো গুণী ব্যক্তিত্বরাও এই
দীর্ঘ পথচলার সাক্ষী হয়েছেন।
দৈনিক পত্রিকাগুলোর
মধ্যে ‘সংবাদ’-ই প্রথম নারীদের জন্য আলাদা পাতা চালু করে ইতিহাস গড়ে, যার হাল ধরেছিলেন
লায়লা সামাদ। হাবীবুর রহমানের মায়াবী কলমে পত্রিকার ‘খেলাঘর’ পাতাটি হয়ে উঠেছিল এক
অনন্য ও জনপ্রিয় সংযোজন। রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী পালন থেকে শুরু করে আইয়ুব বিরোধী
আন্দোলন সবখানেই প্রগতির পক্ষে ও শোষণের বিরুদ্ধে ‘সংবাদ’-এর অবস্থান ছিল আপসহীন।
একটি সংবাদপত্র
কীভাবে সমাজের দর্পণ হতে পারে, ‘দৈনিক সংবাদ’ তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ। দীর্ঘ ৭০ বছরেরও
বেশি সময় ধরে সত্যের পথে অবিচল থেকে পত্রিকাটি আজও বাংলার গণমানুষের অধিকার রক্ষা এবং
প্রগতির পথে অবিচ্ছেদ্য সারথি হিসেবে তার গৌরবময় যাত্রা অব্যাহত রেখেছে।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
বাংলা সংবাদপত্র জগতের এক প্রাচীন ও গৌরবময় নাম ‘দৈনিক সংবাদ’। কেবল সংবাদ পরিবেশনই নয়, গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে মুক্তচিন্তা, প্রগতিশীল রাজনীতি এবং বাঙালি সংস্কৃতি বিকাশের এক অনন্য সারথি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে এই পত্রিকাটি। ১৯৫৪ সালে মালিকানা বদলের পর থেকেই এটি হয়ে ওঠে প্রগতিশীল চিন্তাধারার মূল কেন্দ্রবিন্দু।
আহমেদুল কবিরের
দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং কিংবদন্তি সম্পাদক জহুর হোসেন চৌধুরীর হাত ধরে ‘সংবাদ’ এক নতুন
দিগন্তে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে বজলুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এই ধারাকে আরও বেগবান
করে। কালের পরিক্রমায় সাংবাদিকতা ও সাহিত্যের দিকপালরা এই ঠিকানাকে আপন করে নিয়েছিলেন।
রণেশ দাশগুপ্ত,
সত্যেন সেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, মোনাজাতউদ্দিন ও সন্তোষ গুপ্তের ক্ষুরধার লেখনী এবং
তোয়াব খান ও কামাল লোহানীর তীক্ষ্ণ সম্পাদনা পত্রিকাটিকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়।
সেই সাথে মোহাম্মদ ফরহাদ ও আলী আকসাদের মতো রাজনৈতিক চিন্তাবিদদের পদচারণায় মুখর ছিল
এই অফিস। পরবর্তীতে মতিউর রহমান এবং মতিউর রহমান চৌধুরীর মতো গুণী ব্যক্তিত্বরাও এই
দীর্ঘ পথচলার সাক্ষী হয়েছেন।
দৈনিক পত্রিকাগুলোর
মধ্যে ‘সংবাদ’-ই প্রথম নারীদের জন্য আলাদা পাতা চালু করে ইতিহাস গড়ে, যার হাল ধরেছিলেন
লায়লা সামাদ। হাবীবুর রহমানের মায়াবী কলমে পত্রিকার ‘খেলাঘর’ পাতাটি হয়ে উঠেছিল এক
অনন্য ও জনপ্রিয় সংযোজন। রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী পালন থেকে শুরু করে আইয়ুব বিরোধী
আন্দোলন সবখানেই প্রগতির পক্ষে ও শোষণের বিরুদ্ধে ‘সংবাদ’-এর অবস্থান ছিল আপসহীন।
একটি সংবাদপত্র
কীভাবে সমাজের দর্পণ হতে পারে, ‘দৈনিক সংবাদ’ তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ। দীর্ঘ ৭০ বছরেরও
বেশি সময় ধরে সত্যের পথে অবিচল থেকে পত্রিকাটি আজও বাংলার গণমানুষের অধিকার রক্ষা এবং
প্রগতির পথে অবিচ্ছেদ্য সারথি হিসেবে তার গৌরবময় যাত্রা অব্যাহত রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন