মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম জেলা সফরেই অত্যন্ত কড়া বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। ডায়মন্ড হারবারে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি ঘোষণা করেন যে, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে পুলিশ ওয়েলফেয়ার বোর্ড। একই সঙ্গে একের পর এক আইপিএস আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, "যারা অন্যায় করেছে, কাউকে ছাড়া হবে না।" ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তিন পুলিশ অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং আরও তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।
এখানেই শেষ নয়, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অফিসারদের কল রেকর্ড এবং হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট খতিয়ে দেখারও নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই তথ্য সামনে এলে আগের সরকারের অন্ধকার দিক প্রকাশ্যে চলে আসবে দাবি করে তিনি বলেন, "সব বের করে আনব—কে কী করেছে, মানুষ জানবে।" এরপরই সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানায় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিস্ফোরক দাবি করেন যে, ‘Lips & Bounds’-এর নামে কলকাতায় ২৪টি সম্পত্তি এবং আমতলায় প্রাসাদতুল্য অফিস রয়েছে, যার সব কিছুর হিসাব চাওয়া হবে। তবে এই অভিযোগ আগেই অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
ফলতা উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, গত কয়েক বছরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বহু মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেননি। কাটমানি, অত্যাচার ও মহিলাদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, "এবার মানুষ নিজের ভোট নিজে দেবে, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে।" মুখ্যমন্ত্রীর ভাষায় এই লড়াই শুধু রাজনীতির নয়, বরং "এটা বাংলার দ্বিতীয় স্বাধীনতার লড়াই।"
অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। আরজি কর মামলা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, আরজি কর মামলায় সিবিআই এখনও নতুন কোনো অভিযুক্তকে চিহ্নিত করতে পারেনি, তাহলে কি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই ইস্যু তোলা হচ্ছে? তবে ‘Lips & Bounds’ সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে দলগতভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি তিনি।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম জেলা সফরেই অত্যন্ত কড়া বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। ডায়মন্ড হারবারে পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি ঘোষণা করেন যে, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে পুলিশ ওয়েলফেয়ার বোর্ড। একই সঙ্গে একের পর এক আইপিএস আধিকারিকের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, "যারা অন্যায় করেছে, কাউকে ছাড়া হবে না।" ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তিন পুলিশ অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং আরও তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।
এখানেই শেষ নয়, ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অফিসারদের কল রেকর্ড এবং হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট খতিয়ে দেখারও নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই তথ্য সামনে এলে আগের সরকারের অন্ধকার দিক প্রকাশ্যে চলে আসবে দাবি করে তিনি বলেন, "সব বের করে আনব—কে কী করেছে, মানুষ জানবে।" এরপরই সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানায় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিস্ফোরক দাবি করেন যে, ‘Lips & Bounds’-এর নামে কলকাতায় ২৪টি সম্পত্তি এবং আমতলায় প্রাসাদতুল্য অফিস রয়েছে, যার সব কিছুর হিসাব চাওয়া হবে। তবে এই অভিযোগ আগেই অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
ফলতা উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, গত কয়েক বছরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বহু মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেননি। কাটমানি, অত্যাচার ও মহিলাদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, "এবার মানুষ নিজের ভোট নিজে দেবে, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে।" মুখ্যমন্ত্রীর ভাষায় এই লড়াই শুধু রাজনীতির নয়, বরং "এটা বাংলার দ্বিতীয় স্বাধীনতার লড়াই।"
অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। আরজি কর মামলা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, আরজি কর মামলায় সিবিআই এখনও নতুন কোনো অভিযুক্তকে চিহ্নিত করতে পারেনি, তাহলে কি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই ইস্যু তোলা হচ্ছে? তবে ‘Lips & Bounds’ সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে দলগতভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি তিনি।

আপনার মতামত লিখুন