আসন্ন ঈদুল আজহায় ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। গত ঈদুল ফিতরে সারা দেশে ২৫টি ভ্রাম্যমাণ আদালত সক্রিয় থাকলেও এবারের ঈদে তা বাড়িয়ে ৬৯টি করা হচ্ছে।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে রাজবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চেক বিতরণ ও সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাস টার্মিনালগুলো থেকে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। তবে অনেক সময় মহাসড়কের মাঝপথ থেকে যাত্রীরা অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গাড়িতে ওঠেন, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস ডুবির ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন উল্লেখ করে তিনি জানান, ওই দুর্ঘটনায় পরিবহনের যান্ত্রিক ত্রুটি ও চালকের গাফিলতি ছিল। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও দুর্ঘটনা রোধে সরকার বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রায় ৬০ হাজার চালক ও তাদের সহযোগীদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া প্রতিটি গাড়ির চালক ও সহকারীদের ডোপ টেস্ট করা হবে। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে।
অনুষ্ঠানে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস ডুবির ঘটনায় নিহত ২৪ জনের পরিবারসহ জেলার মোট ৬২টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ২ কোটি ৫৯ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি সাইফুল আলম, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ও শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান প্রমুখ।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
আসন্ন ঈদুল আজহায় ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। গত ঈদুল ফিতরে সারা দেশে ২৫টি ভ্রাম্যমাণ আদালত সক্রিয় থাকলেও এবারের ঈদে তা বাড়িয়ে ৬৯টি করা হচ্ছে।
রোববার (১৭ মে) দুপুরে রাজবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চেক বিতরণ ও সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাস টার্মিনালগুলো থেকে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। তবে অনেক সময় মহাসড়কের মাঝপথ থেকে যাত্রীরা অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গাড়িতে ওঠেন, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস ডুবির ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন উল্লেখ করে তিনি জানান, ওই দুর্ঘটনায় পরিবহনের যান্ত্রিক ত্রুটি ও চালকের গাফিলতি ছিল। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও দুর্ঘটনা রোধে সরকার বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রায় ৬০ হাজার চালক ও তাদের সহযোগীদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া প্রতিটি গাড়ির চালক ও সহকারীদের ডোপ টেস্ট করা হবে। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় সড়ক দুর্ঘটনা রোধে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে।
অনুষ্ঠানে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস ডুবির ঘটনায় নিহত ২৪ জনের পরিবারসহ জেলার মোট ৬২টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ২ কোটি ৫৯ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি সাইফুল আলম, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ও শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন