ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের তিস্তা ও গঙ্গার পানি বণ্টন ইস্যু যখনই আলোচনায় আসে, তখনই সামনে আসে যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি)। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় শুরু হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের ৯০তম বৈঠক। তিন দিনব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি আগামী শনিবার (২৩ মে) পর্যন্ত চলবে।
বৈঠকে
অংশ নিতে গতকাল বুধবারই
বাংলাদেশের একটি ছয় সদস্যের
উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল কলকাতায় পৌঁছেছেন।
এবারের
বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান এজেন্ডা
হলো গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ। ১৯৯৬ সালে
স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক এই চুক্তির ৩০
বছরের মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ
হতে যাচ্ছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে
দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের
এটাই শেষ বৈঠক, যার
ফলে এবারের আলোচনার গুরুত্ব অপরিসীম।
আজ বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে যাবেন। সেখানে বৈঠকের ফাঁকে ফারাক্কা ব্যারাজ এলাকায় গঙ্গা নদীর পানির প্রবাহ
সরাসরি পরিমাপ করবেন তারা। এরপর প্রতিনিধিদল কলকাতায়
ফিরে একটি অভিজাত হোটেলে
মূল দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন।
বাংলাদেশ
দলের নেতৃত্বে রয়েছেন যৌথ নদী কমিশনের
সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কাদীর। প্রতিনিধিদলের অন্য
সদস্যরা হলেন:
সাজ্জাদ
হোসেন (প্রধান প্রকৌশলী, হাইড্রোলজি বিভাগ, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড)
মো.
আবু সৈয়দ (পরিচালক, বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন)
মো.
শামসুজ্জামান
(উপসচিব, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়)
মোহাম্মদ
বাকি বিল্লাহ (পরিচালক, সাউথ এশিয়া উইং,
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
মো.
রুমানুজ্জামান
(উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড)
এ ছাড়া এই দলে
আরও যোগ দেবেন দিল্লিতে
নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এবং কলকাতায় নিযুক্ত
বাংলাদেশ উপদূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দ।
অন্যদিকে,
ভারতের পক্ষে বৈঠকে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে দেশটির
কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব
এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের একজন
প্রধান প্রকৌশলীর।
১৯৯৬
সালের ১২ ডিসেম্বর ভারত
ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি
স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাসের
শুষ্ক মৌসুমে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে দুই
দেশের মধ্যে পানি বণ্টন করা
হয়।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের তিস্তা ও গঙ্গার পানি বণ্টন ইস্যু যখনই আলোচনায় আসে, তখনই সামনে আসে যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি)। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় শুরু হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের ৯০তম বৈঠক। তিন দিনব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি আগামী শনিবার (২৩ মে) পর্যন্ত চলবে।
বৈঠকে
অংশ নিতে গতকাল বুধবারই
বাংলাদেশের একটি ছয় সদস্যের
উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল কলকাতায় পৌঁছেছেন।
এবারের
বৈঠকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান এজেন্ডা
হলো গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরণ। ১৯৯৬ সালে
স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক এই চুক্তির ৩০
বছরের মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ
হতে যাচ্ছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে
দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের
এটাই শেষ বৈঠক, যার
ফলে এবারের আলোচনার গুরুত্ব অপরিসীম।
আজ বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে যাবেন। সেখানে বৈঠকের ফাঁকে ফারাক্কা ব্যারাজ এলাকায় গঙ্গা নদীর পানির প্রবাহ
সরাসরি পরিমাপ করবেন তারা। এরপর প্রতিনিধিদল কলকাতায়
ফিরে একটি অভিজাত হোটেলে
মূল দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন।
বাংলাদেশ
দলের নেতৃত্বে রয়েছেন যৌথ নদী কমিশনের
সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কাদীর। প্রতিনিধিদলের অন্য
সদস্যরা হলেন:
সাজ্জাদ
হোসেন (প্রধান প্রকৌশলী, হাইড্রোলজি বিভাগ, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড)
মো.
আবু সৈয়দ (পরিচালক, বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন)
মো.
শামসুজ্জামান
(উপসচিব, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়)
মোহাম্মদ
বাকি বিল্লাহ (পরিচালক, সাউথ এশিয়া উইং,
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
মো.
রুমানুজ্জামান
(উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড)
এ ছাড়া এই দলে
আরও যোগ দেবেন দিল্লিতে
নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এবং কলকাতায় নিযুক্ত
বাংলাদেশ উপদূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দ।
অন্যদিকে,
ভারতের পক্ষে বৈঠকে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে দেশটির
কেন্দ্রীয় পানিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব
এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের একজন
প্রধান প্রকৌশলীর।
১৯৯৬
সালের ১২ ডিসেম্বর ভারত
ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি
স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাসের
শুষ্ক মৌসুমে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে দুই
দেশের মধ্যে পানি বণ্টন করা
হয়।

আপনার মতামত লিখুন