সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শুরু হওয়া ‘৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে’ (ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলি) বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
আজ বৃহস্পতিবার
(২১ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর থেকে পাঠানো এক
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত ১৯ মে সম্মেলনের
মূল অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেন প্রতিনিধিদলের নেতা স্বাস্থ্য
প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তাঁর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল
স্বাস্থ্য খাতের সবচেয়ে বড় এই বৈশ্বিক আসরে যোগ দিয়েছেন।
মূল অধিবেশনে
দেওয়া বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত দেশের স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান
চ্যালেঞ্জ ও সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "নতুন সরকার জাতীয়
উন্নয়নের একদম কেন্দ্রবিন্দুতে স্বাস্থ্যকে স্থান দিয়েছে। তবে এখনো দেশের মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের
৭০ শতাংশের বেশি মানুষকে নিজের পকেট থেকে (আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার) দিতে হয়, যা
অনেক পরিবারকে নতুন করে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।"
এই পরিস্থিতি
বদলাতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, সরকার ধাপে ধাপে
সরকারি স্বাস্থ্য বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি সবার জন্য সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা,
কার্যকর রেফারাল সিস্টেম ও যুগোপযোগী ডিজিটালাইজেশনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
মূল অধিবেশনের
পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের একটি সাইড ইভেন্টে গ্লোবাল ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের
নীতি-নির্ধারণী সভায় বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে অংশ নেন ড. এম এ মুহিত।
সেখানে তিনি বর্তমান সরকারের চলমান স্বাস্থ্য সংস্কারের একটি সামগ্রিক রূপরেখা তুলে
ধরেন।
এ ছাড়া তৃণমূল
পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের
অভ্যাস গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন ধরনের বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করছে বলেও উল্লেখ করেন
প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শুরু হওয়া ‘৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে’ (ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলি) বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
আজ বৃহস্পতিবার
(২১ মে) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর থেকে পাঠানো এক
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত ১৯ মে সম্মেলনের
মূল অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেন প্রতিনিধিদলের নেতা স্বাস্থ্য
প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তাঁর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল
স্বাস্থ্য খাতের সবচেয়ে বড় এই বৈশ্বিক আসরে যোগ দিয়েছেন।
মূল অধিবেশনে
দেওয়া বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত দেশের স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান
চ্যালেঞ্জ ও সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "নতুন সরকার জাতীয়
উন্নয়নের একদম কেন্দ্রবিন্দুতে স্বাস্থ্যকে স্থান দিয়েছে। তবে এখনো দেশের মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের
৭০ শতাংশের বেশি মানুষকে নিজের পকেট থেকে (আউট অব পকেট এক্সপেন্ডিচার) দিতে হয়, যা
অনেক পরিবারকে নতুন করে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।"
এই পরিস্থিতি
বদলাতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, সরকার ধাপে ধাপে
সরকারি স্বাস্থ্য বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি সবার জন্য সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা,
কার্যকর রেফারাল সিস্টেম ও যুগোপযোগী ডিজিটালাইজেশনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
মূল অধিবেশনের
পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের একটি সাইড ইভেন্টে গ্লোবাল ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্সের
নীতি-নির্ধারণী সভায় বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে অংশ নেন ড. এম এ মুহিত।
সেখানে তিনি বর্তমান সরকারের চলমান স্বাস্থ্য সংস্কারের একটি সামগ্রিক রূপরেখা তুলে
ধরেন।
এ ছাড়া তৃণমূল
পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের
অভ্যাস গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন ধরনের বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করছে বলেও উল্লেখ করেন
প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত।

আপনার মতামত লিখুন