ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত এক ব্যক্তির মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করতে বাধা দেওয়ায় রণক্ষেত্রে পরিণত হলো হাসপাতাল চত্বর। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে সেখানকার ইবোলা কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন তাঁবুতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।
গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) মধ্য আফ্রিকার দেশ কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের একটি শহরে এই ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সম্প্রতি কঙ্গোর একটি শহরে ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়। নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতাল প্রশাসন ওই যুবকের মরদেহ দাফনের জন্য তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে বাধা দেয়। এতে মৃতের আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ক্ষুব্ধ হন।
একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই বিক্ষুব্ধ জনতা হাসপাতালটির ইবোলা আক্রান্ত রোগীদের আলাদা করে রাখার আইসোলেশন ক্যাম্পে আগুন ধরিয়ে দেয়।
চিকিৎসকদের মতে, ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তির শরীর অত্যন্ত সংক্রামক হয়ে থাকে। মৃতদেহের সংস্পর্শে আসলে সুস্থ মানুষের মাঝেও এই মরণঘাতী ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার তীব্র ঝুঁকি থাকে। তাই ভাইরাসের বিস্তার রোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রোটোকল অনুযায়ী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে মরদেহ দাফনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।
বর্তমানে কঙ্গোতে ইবোলা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী: দেশটিতে ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে অন্তত ১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত এক ব্যক্তির মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করতে বাধা দেওয়ায় রণক্ষেত্রে পরিণত হলো হাসপাতাল চত্বর। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে সেখানকার ইবোলা কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন তাঁবুতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা।
গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) মধ্য আফ্রিকার দেশ কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের একটি শহরে এই ঘটনা ঘটে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, সম্প্রতি কঙ্গোর একটি শহরে ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়। নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতাল প্রশাসন ওই যুবকের মরদেহ দাফনের জন্য তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে বাধা দেয়। এতে মৃতের আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ক্ষুব্ধ হন।
একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা হাসপাতালের ভেতরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই বিক্ষুব্ধ জনতা হাসপাতালটির ইবোলা আক্রান্ত রোগীদের আলাদা করে রাখার আইসোলেশন ক্যাম্পে আগুন ধরিয়ে দেয়।
চিকিৎসকদের মতে, ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তির শরীর অত্যন্ত সংক্রামক হয়ে থাকে। মৃতদেহের সংস্পর্শে আসলে সুস্থ মানুষের মাঝেও এই মরণঘাতী ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার তীব্র ঝুঁকি থাকে। তাই ভাইরাসের বিস্তার রোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রোটোকল অনুযায়ী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে মরদেহ দাফনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।
বর্তমানে কঙ্গোতে ইবোলা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী: দেশটিতে ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে অন্তত ১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন