নির্মাণ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মাথায় ভেঙে পড়েছে টাঙ্গাইলের মধুপুরের বংশাই নদীর পাড় রক্ষার প্যালাসেডিং ব্লক। এতে নদীর পূর্ব পাড়ের একটি সড়কও ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজ ও সঠিক তদারকির অভাবে তৈরি হয়েছে এই পরিস্থিতি। দুর্নীতি আর অব্যবস্থাপনার কারণে অল্প বৃষ্টিতেই ভেঙে গেছে ব্লক বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
মধুপুরের ১ নম্বর কুড়ালিয়া ইউনিয়নের মলকা গ্রামে চুনিয়-মলকা সড়ক ও বংশাই নদীর ভাঙন রোধে এলজিইডির উদ্যোগে গাইডওয়াল ও প্যালাসেডিং ব্লক নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় প্রায় দুই কোটি ১৪ লাখ টাকা। বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় জামালপুরের সরিষাবাড়ীর মেসার্স মিতু ট্রেডার্স। পরে কাজটি সাব-ঠিকাদার মো. লিচু মিয়ার মাধ্যমে শেষ করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্মাণকাজে পাথর, বালি ও সিমেন্টের মান ঠিকভাবে ব্যবহার না করায় অল্প সময়েই ধসে পড়েছে ব্লক। একাধিকবার সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে বিষয়টি জানানো হলেও যথাযথ নজরদারি করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।
বেতবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মো. হাতেম আলী মুন্সি বলেন, ‘ঠিকাদারের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে কাজ হয়েছে নিম্নমানের।’ আরেক বাসিন্দা শামছুল হক জানান, ‘দুর্নীতি ও তদারকির অভাবে অল্প বৃষ্টিতেই ব্লক ভেঙে গেছে।’
সাব-ঠিকাদার মো. লিচু মিয়া অবশ্য অন্য কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘অসময়ে নদীর পানি বৃদ্ধি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ধসে পড়েছে ব্লক। বিষয়টি জানার পর দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ঈদের পর কাজটি সম্পন্ন করা হবে।’
এ বিষয়ে মধুপুর এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী খলিলুর রহমান জানান, নদীর পানি বৃদ্ধি ও ভারী বৃষ্টির কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এক বছরের চুক্তি রয়েছে, তাই তারা প্রয়োজনীয় মেরামত করবে বলে আশ্বস্ত করেছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, দুই কোটি ১৪ লাখ টাকার প্রকল্প নির্মাণ শেষ হওয়ার মাত্র ১৫ দিনেই ধসে পড়ল। এখন ফের মেরামতের নামে আরও কোটি কোটি টাকা খরচ হবে। দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
নির্মাণ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মাথায় ভেঙে পড়েছে টাঙ্গাইলের মধুপুরের বংশাই নদীর পাড় রক্ষার প্যালাসেডিং ব্লক। এতে নদীর পূর্ব পাড়ের একটি সড়কও ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের কাজ ও সঠিক তদারকির অভাবে তৈরি হয়েছে এই পরিস্থিতি। দুর্নীতি আর অব্যবস্থাপনার কারণে অল্প বৃষ্টিতেই ভেঙে গেছে ব্লক বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
মধুপুরের ১ নম্বর কুড়ালিয়া ইউনিয়নের মলকা গ্রামে চুনিয়-মলকা সড়ক ও বংশাই নদীর ভাঙন রোধে এলজিইডির উদ্যোগে গাইডওয়াল ও প্যালাসেডিং ব্লক নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় প্রায় দুই কোটি ১৪ লাখ টাকা। বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় জামালপুরের সরিষাবাড়ীর মেসার্স মিতু ট্রেডার্স। পরে কাজটি সাব-ঠিকাদার মো. লিচু মিয়ার মাধ্যমে শেষ করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নির্মাণকাজে পাথর, বালি ও সিমেন্টের মান ঠিকভাবে ব্যবহার না করায় অল্প সময়েই ধসে পড়েছে ব্লক। একাধিকবার সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে বিষয়টি জানানো হলেও যথাযথ নজরদারি করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।
বেতবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মো. হাতেম আলী মুন্সি বলেন, ‘ঠিকাদারের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে কাজ হয়েছে নিম্নমানের।’ আরেক বাসিন্দা শামছুল হক জানান, ‘দুর্নীতি ও তদারকির অভাবে অল্প বৃষ্টিতেই ব্লক ভেঙে গেছে।’
সাব-ঠিকাদার মো. লিচু মিয়া অবশ্য অন্য কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘অসময়ে নদীর পানি বৃদ্ধি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ধসে পড়েছে ব্লক। বিষয়টি জানার পর দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ঈদের পর কাজটি সম্পন্ন করা হবে।’
এ বিষয়ে মধুপুর এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী খলিলুর রহমান জানান, নদীর পানি বৃদ্ধি ও ভারী বৃষ্টির কারণে এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এক বছরের চুক্তি রয়েছে, তাই তারা প্রয়োজনীয় মেরামত করবে বলে আশ্বস্ত করেছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, দুই কোটি ১৪ লাখ টাকার প্রকল্প নির্মাণ শেষ হওয়ার মাত্র ১৫ দিনেই ধসে পড়ল। এখন ফের মেরামতের নামে আরও কোটি কোটি টাকা খরচ হবে। দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন