আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ছড়িয়ে পড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাবের সামগ্রিক পরিস্থিতি আরও আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে। দেশটিতে ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি 'উচ্চ' থেকে বাড়িয়ে এবার 'অতি উচ্চ' পর্যায়ে নির্ধারণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২২ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এই উদ্বেগের কথা জানান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক। আজ শনিবার (২৩ মে) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ডব্লিউএইচও-এর নতুন মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইবোলার এই প্রাদুর্ভাবটি জাতীয় পর্যায়ে 'অত্যন্ত উচ্চ' মাত্রার ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া আঞ্চলিক পর্যায়ে এর ঝুঁকি 'উচ্চ' এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে ঝুঁকি 'নিম্ন' মাত্রার বলে জানানো হয়েছে। কঙ্গোর সীমানা ছাড়িয়ে এই বিপজ্জনক ভাইরাসটি ইতিমধ্যেই পার্শ্ববর্তী দেশ উগান্ডাতেও ছড়িয়ে পড়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী:
এখন পর্যন্ত মোট ৮২ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে ইবোলা সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
নিশ্চিত হওয়া আক্রান্তদের মধ্যে ৭ জন মারা গেছেন। এছাড়া আরও প্রায় ৭৫০টি সন্দেহভাজন সংক্রমণ এবং ১৭৭টি সন্দেহভাজন মৃত্যুর ঘটনা রয়েছে, যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক একটি উদ্বেগের বিষয় তুলে ধরে জানান, কঙ্গোতে এবারের ইবোলা সংক্রমণটি মূলত 'বুন্ডিবুগিও' (Bundibugyo) ভাইরাসজনিত কারণে ছড়াচ্ছে। অত্যন্ত সংক্রামক ও বিপজ্জনক এই ভাইরাসটির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এখন পর্যন্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানে অনুমোদিত কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধ কিংবা কার্যকর ভ্যাকসিন (টিকা) তৈরি হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ছড়িয়ে পড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাবের সামগ্রিক পরিস্থিতি আরও আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে। দেশটিতে ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি 'উচ্চ' থেকে বাড়িয়ে এবার 'অতি উচ্চ' পর্যায়ে নির্ধারণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২২ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এই উদ্বেগের কথা জানান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক। আজ শনিবার (২৩ মে) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ডব্লিউএইচও-এর নতুন মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইবোলার এই প্রাদুর্ভাবটি জাতীয় পর্যায়ে 'অত্যন্ত উচ্চ' মাত্রার ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া আঞ্চলিক পর্যায়ে এর ঝুঁকি 'উচ্চ' এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে ঝুঁকি 'নিম্ন' মাত্রার বলে জানানো হয়েছে। কঙ্গোর সীমানা ছাড়িয়ে এই বিপজ্জনক ভাইরাসটি ইতিমধ্যেই পার্শ্ববর্তী দেশ উগান্ডাতেও ছড়িয়ে পড়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী:
এখন পর্যন্ত মোট ৮২ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে ইবোলা সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
নিশ্চিত হওয়া আক্রান্তদের মধ্যে ৭ জন মারা গেছেন। এছাড়া আরও প্রায় ৭৫০টি সন্দেহভাজন সংক্রমণ এবং ১৭৭টি সন্দেহভাজন মৃত্যুর ঘটনা রয়েছে, যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক একটি উদ্বেগের বিষয় তুলে ধরে জানান, কঙ্গোতে এবারের ইবোলা সংক্রমণটি মূলত 'বুন্ডিবুগিও' (Bundibugyo) ভাইরাসজনিত কারণে ছড়াচ্ছে। অত্যন্ত সংক্রামক ও বিপজ্জনক এই ভাইরাসটির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এখন পর্যন্ত চিকিৎসাবিজ্ঞানে অনুমোদিত কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধ কিংবা কার্যকর ভ্যাকসিন (টিকা) তৈরি হয়নি। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন