সংবাদ

লাখাইয়ে ট্রলার থেকে ফেলে দেওয়া যুবকের লাশ উদ্ধার


প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ
প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ
প্রকাশ: ১ জুন ২০২৬, ০২:১০ পিএম

লাখাইয়ে ট্রলার থেকে ফেলে দেওয়া যুবকের লাশ উদ্ধার
লাখাই থানা, হবিগঞ্জ। ছবি : সংবাদ

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় চলন্ত ট্রলার থেকে নদীতে ফেলে দেওয়ার ৩৬ ঘণ্টা পর নিখোঁজ মো. ফখরুদ্দিনের (৩৫) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৩১ মে) দিবাগত রাত ১ টার দিকে উপজেলার ভলাকান্দি সেতু সংলগ্ন ‘মরা গাং’ নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ফখরুদ্দিন বুল্লা ইউনিয়নের ভরপুর্নী নোয়াহাটি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। এলাকায় তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ২ ব্যক্তিকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুপুরে বুল্লা বাজার থেকে সুজাতপুরগামী একটি যাত্রীবাহী ট্রলারে যাচ্ছিলেন ফখরুদ্দিন। ট্রলারটি ভরপুর্নী গ্রামের কাছে পৌঁছালে ফখরুদ্দিন ওই ট্রলারের যাত্রী ঝর্না চৌধুরী নামের এক নারীর কাছে টাকা চেয়ে তাকে জড়িয়ে ধরেন। এ সময় ঝর্না চিৎকার করলে তার স্বামী রাসেল মিয়া ও অপর যাত্রী বোরহান মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তারা ফখরুদ্দিনকে চলন্ত ট্রলার থেকে টেনে মরা গাং নদীতে ফেলে দেন। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি পানির নিচে তলিয়ে যান।

এ ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত রাসেল ও বোরহানকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে লাখাই থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। আটক রাসেল মিয়া মোড়াকরি গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে এবং বোরহান মিয়া বুল্লা বাজারের মৃত আমানুল্লাহর ছেলে।

লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬


লাখাইয়ে ট্রলার থেকে ফেলে দেওয়া যুবকের লাশ উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় চলন্ত ট্রলার থেকে নদীতে ফেলে দেওয়ার ৩৬ ঘণ্টা পর নিখোঁজ মো. ফখরুদ্দিনের (৩৫) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৩১ মে) দিবাগত রাত ১ টার দিকে উপজেলার ভলাকান্দি সেতু সংলগ্ন ‘মরা গাং’ নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ফখরুদ্দিন বুল্লা ইউনিয়নের ভরপুর্নী নোয়াহাটি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। এলাকায় তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ২ ব্যক্তিকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুপুরে বুল্লা বাজার থেকে সুজাতপুরগামী একটি যাত্রীবাহী ট্রলারে যাচ্ছিলেন ফখরুদ্দিন। ট্রলারটি ভরপুর্নী গ্রামের কাছে পৌঁছালে ফখরুদ্দিন ওই ট্রলারের যাত্রী ঝর্না চৌধুরী নামের এক নারীর কাছে টাকা চেয়ে তাকে জড়িয়ে ধরেন। এ সময় ঝর্না চিৎকার করলে তার স্বামী রাসেল মিয়া ও অপর যাত্রী বোরহান মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তারা ফখরুদ্দিনকে চলন্ত ট্রলার থেকে টেনে মরা গাং নদীতে ফেলে দেন। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি পানির নিচে তলিয়ে যান।

এ ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত রাসেল ও বোরহানকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে লাখাই থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। আটক রাসেল মিয়া মোড়াকরি গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে এবং বোরহান মিয়া বুল্লা বাজারের মৃত আমানুল্লাহর ছেলে।

লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত