পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের পর্যটন কেন্দ্রগুলো। বিশেষ করে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও রামগঙ্গা চা বাগানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছেন হাজারো ভ্রমণপিপাসু। পাহাড়, আঁকাবাঁকা টিলা আর গহীন অরণ্যের মায়াবী হাতছানি পর্যটকদের মুগ্ধ করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ওয়াচ টাওয়ার, বন্যপ্রাণী ও চা বাগানের বিস্তীর্ণ সবুজ চাদরে ঢাকা প্রকৃতি দেখতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। ঢাকা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে এসেছেন তারা। ব্যস্ত নাগরিক জীবনের ক্লান্তি দূর করতে এখানকার নির্মল পরিবেশকে আদর্শ মনে করছেন দর্শনার্থীরা।
কিশোরগঞ্জ থেকে আসা সৌদি আরব প্রবাসী আলমগীর হোসেন বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে প্রথমবার সাতছড়ি ও রামগঙ্গা বেড়াতে এসেছি। সরাসরি এখানকার সৌন্দর্য দেখে আমরা অভিভূত।”
পর্যটকদের এই বাড়তি চাপে চা-স্টল, রেস্তোরাঁ ও পরিবহনের মতো স্থানীয় ব্যবসাগুলোতে চাঞ্চল্য ফিরেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, পর্যটকদের আগমনে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক গতি সঞ্চার হয়েছে। সাতছড়ি ছাড়াও রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্য ও গ্রিনল্যান্ড পার্কেও উল্লেখযোগ্য ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন নিয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার পাশাপাশি অতিরিক্ত স্বেচ্ছাসেবক ও টহল দল মোতায়েন করা হয়েছে।
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, ঈদের পর থেকেই পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। তাদের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে বন বিভাগ ও সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি সার্বক্ষণিক কাজ করছে।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। উদ্যান এলাকা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের পর্যটন কেন্দ্রগুলো। বিশেষ করে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও রামগঙ্গা চা বাগানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছেন হাজারো ভ্রমণপিপাসু। পাহাড়, আঁকাবাঁকা টিলা আর গহীন অরণ্যের মায়াবী হাতছানি পর্যটকদের মুগ্ধ করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ওয়াচ টাওয়ার, বন্যপ্রাণী ও চা বাগানের বিস্তীর্ণ সবুজ চাদরে ঢাকা প্রকৃতি দেখতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। ঢাকা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে এসেছেন তারা। ব্যস্ত নাগরিক জীবনের ক্লান্তি দূর করতে এখানকার নির্মল পরিবেশকে আদর্শ মনে করছেন দর্শনার্থীরা।
কিশোরগঞ্জ থেকে আসা সৌদি আরব প্রবাসী আলমগীর হোসেন বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে প্রথমবার সাতছড়ি ও রামগঙ্গা বেড়াতে এসেছি। সরাসরি এখানকার সৌন্দর্য দেখে আমরা অভিভূত।”
পর্যটকদের এই বাড়তি চাপে চা-স্টল, রেস্তোরাঁ ও পরিবহনের মতো স্থানীয় ব্যবসাগুলোতে চাঞ্চল্য ফিরেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, পর্যটকদের আগমনে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক গতি সঞ্চার হয়েছে। সাতছড়ি ছাড়াও রেমা-কালেঙ্গা অভয়ারণ্য ও গ্রিনল্যান্ড পার্কেও উল্লেখযোগ্য ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন নিয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার পাশাপাশি অতিরিক্ত স্বেচ্ছাসেবক ও টহল দল মোতায়েন করা হয়েছে।
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের রেঞ্জ কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, ঈদের পর থেকেই পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। তাদের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে বন বিভাগ ও সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি সার্বক্ষণিক কাজ করছে।
চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। উদ্যান এলাকা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন