কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় খোলা মাঠে খেলতে গিয়ে বজ্রপাতে রানা মিয়া (১৬) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় লাবন্য মিয়া (১২) নামে অপর এক কিশোর আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর ২ টার দিকে উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম আঠারপাইকার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রানা মিয়া ওই গ্রামের আফজাল মিয়ার ছেলে। আহত লাবন্য মিয়া একই গ্রামের জাহিদুল হকের ছেলে। তারা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।
স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবার জানায়, দুপুরে বাড়ির পাশের একটি জমিতে খেলছিল রানা ও লাবন্য। এ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে তারা দুজনই গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রানার মৃত্যু হয়। আহত লাবন্য বর্তমানে শংকামুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহত রানার চাচাতো ভাই রাজু মিয়া বলেন, ‘ওরা দুজন বাড়ির পাশের মাঠে খেলছিল। হঠাৎ বজ্রপাতে দুজনই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই রানা মারা যায়।’
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দীক বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় খোলা মাঠে খেলতে গিয়ে বজ্রপাতে রানা মিয়া (১৬) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় লাবন্য মিয়া (১২) নামে অপর এক কিশোর আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর ২ টার দিকে উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম আঠারপাইকার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রানা মিয়া ওই গ্রামের আফজাল মিয়ার ছেলে। আহত লাবন্য মিয়া একই গ্রামের জাহিদুল হকের ছেলে। তারা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।
স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবার জানায়, দুপুরে বাড়ির পাশের একটি জমিতে খেলছিল রানা ও লাবন্য। এ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে তারা দুজনই গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে রানার মৃত্যু হয়। আহত লাবন্য বর্তমানে শংকামুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহত রানার চাচাতো ভাই রাজু মিয়া বলেন, ‘ওরা দুজন বাড়ির পাশের মাঠে খেলছিল। হঠাৎ বজ্রপাতে দুজনই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই রানা মারা যায়।’
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দীক বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন