রংপুর অঞ্চলে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হচ্ছে না; বরং প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। বুধবার (৩ জুন) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামে আক্রান্ত এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই অঞ্চলে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১২।
মারা যাওয়া শিশুর নাম বাবু (৬ মাস)। তার বাড়ি পঞ্চগড় জেলা শহরে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ২৭ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। তাদের মধ্যে দুই শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাবরিনা। হাসপাতালের কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, গত সাত দিনে ২৫ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে, আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৯ জন। এ পর্যন্ত ৪০০ এর বেশি শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।
হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, আক্রান্ত শিশুদের বেশির ভাগই এসেছে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও গাইবান্ধা জেলা থেকে। ৭ মাস বয়সী শিশু মারুফের মা আসমা বেগম জানান, ঈদের দুই দিন আগে ঠাকুরগাঁও হাসপাতালে ভর্তি করার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। এখন অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও শিশুটির সারা শরীরে এখনো ক্ষত বা র্যাশ রয়েছে। পঞ্চগড় থেকে আসা রাশেদুল ইসলামও তার ৮ মাস বয়সী কন্যাসন্তানের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
চিকিৎসকেরা বলছেন, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় আক্রান্তদের আলাদা রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। গত ২ বছর নিয়মিত হামের টিকা না দেওয়ায় অনেক শিশু এখন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালে বড়দের ও শিশুদের জন্য আলাদা দুটি আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে বিশেষ মেডিকেল বোর্ড। আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
রংপুর অঞ্চলে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হচ্ছে না; বরং প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। বুধবার (৩ জুন) রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হামে আক্রান্ত এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই অঞ্চলে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১২।
মারা যাওয়া শিশুর নাম বাবু (৬ মাস)। তার বাড়ি পঞ্চগড় জেলা শহরে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ২৭ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। তাদের মধ্যে দুই শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাবরিনা। হাসপাতালের কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, গত সাত দিনে ২৫ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে, আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৯ জন। এ পর্যন্ত ৪০০ এর বেশি শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।
হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে, আক্রান্ত শিশুদের বেশির ভাগই এসেছে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও গাইবান্ধা জেলা থেকে। ৭ মাস বয়সী শিশু মারুফের মা আসমা বেগম জানান, ঈদের দুই দিন আগে ঠাকুরগাঁও হাসপাতালে ভর্তি করার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। এখন অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও শিশুটির সারা শরীরে এখনো ক্ষত বা র্যাশ রয়েছে। পঞ্চগড় থেকে আসা রাশেদুল ইসলামও তার ৮ মাস বয়সী কন্যাসন্তানের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
চিকিৎসকেরা বলছেন, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায় আক্রান্তদের আলাদা রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। গত ২ বছর নিয়মিত হামের টিকা না দেওয়ায় অনেক শিশু এখন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালে বড়দের ও শিশুদের জন্য আলাদা দুটি আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। গঠন করা হয়েছে বিশেষ মেডিকেল বোর্ড। আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন