তপ্ত গরমে সাধারণ মানুষের জনজীবনে যেন নতুন এক বজ্রপাত নেমে এলো। এবার গ্রাহক ও পাইকারি; উভয় পর্যায়েই একলাফে বাড়িয়ে দেওয়া হলো বিদ্যুতের দাম।
পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বাড়নো হয়েছে সঞ্চালন চার্জও।
বুধবার (৩ জুন) এ সংক্রান্ত ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। কমিশন জানিয়েছে, বর্ধিত বিল জুন মাস থেকেই কার্যকর হবে।
ফলে জুন মাস থেকেই গ্রাহকদের বর্ধিত বিল আসবে, পরিশোধ করতে হবে জুলাই মাসে।
বিইআরসি চেয়ারম্যন জালাল আহমেদ ঢাকার রমনায় কমিশন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুতের নতুন গান ঘোষণা করেন।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং খুচরা পর্যায়ে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় মূল্য ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেড়েছে।
বুধবার রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এ ঘোষণা দেন। কমিশনের আদেশ অনুযায়ী, জুন মাসের বিল থেকেই নতুন মূল্যহার কার্যকর হবে।
বিইআরসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের ভারিত গড় মূল্য প্রতি ইউনিট ৭ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তে তা ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় মূল্য ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ১০ টাকা ৬৩ পয়সায়।
এছাড়া বিদ্যুতের সঞ্চালন মূল্যহার বা হুইলিং চার্জও বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যমান ৩১ দশমিক ৩৫ পয়সা থেকে তা বাড়িয়ে ৩৮ দশমিক ৮৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসি জানায়, বিদ্যুৎ উৎপাদন, ক্রয় ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যয় এবং সার্বিক আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশনের হিসাবে, পাইকারি মূল্য বৃদ্ধি সত্ত্বেও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) ঘাটতি পূরণে সরকারকে বছরে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
তপ্ত গরমে সাধারণ মানুষের জনজীবনে যেন নতুন এক বজ্রপাত নেমে এলো। এবার গ্রাহক ও পাইকারি; উভয় পর্যায়েই একলাফে বাড়িয়ে দেওয়া হলো বিদ্যুতের দাম।
পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বাড়নো হয়েছে সঞ্চালন চার্জও।
বুধবার (৩ জুন) এ সংক্রান্ত ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। কমিশন জানিয়েছে, বর্ধিত বিল জুন মাস থেকেই কার্যকর হবে।
ফলে জুন মাস থেকেই গ্রাহকদের বর্ধিত বিল আসবে, পরিশোধ করতে হবে জুলাই মাসে।
বিইআরসি চেয়ারম্যন জালাল আহমেদ ঢাকার রমনায় কমিশন কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুতের নতুন গান ঘোষণা করেন।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং খুচরা পর্যায়ে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় মূল্য ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেড়েছে।
বুধবার রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এ ঘোষণা দেন। কমিশনের আদেশ অনুযায়ী, জুন মাসের বিল থেকেই নতুন মূল্যহার কার্যকর হবে।
বিইআরসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের ভারিত গড় মূল্য প্রতি ইউনিট ৭ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তে তা ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় মূল্য ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ১০ টাকা ৬৩ পয়সায়।
এছাড়া বিদ্যুতের সঞ্চালন মূল্যহার বা হুইলিং চার্জও বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যমান ৩১ দশমিক ৩৫ পয়সা থেকে তা বাড়িয়ে ৩৮ দশমিক ৮৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসি জানায়, বিদ্যুৎ উৎপাদন, ক্রয় ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যয় এবং সার্বিক আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশনের হিসাবে, পাইকারি মূল্য বৃদ্ধি সত্ত্বেও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) ঘাটতি পূরণে সরকারকে বছরে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন