উড্ডয়নের ঠিক আগমুহূর্তে জার্মানির ফ্র্যাঙ্কফুট বিমানবন্দরে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে একটি যাত্রীবাহী বোয়িং-৭৮৭ বিমান। রানওয়েতে থাকা অবস্থায় আচমকা বিমানটির সামনের চাকা বা ‘নোজ গিয়ার’ ভেঙে ধসে পড়ে। এই ঘটনায় বিমানের ভেতরে থাকা বেশ কয়েকজন ক্রু সদস্য আহত হয়েছেন।
আজ শুক্রবার
(৫ জুন) জার্মানির ফ্র্যাঙ্কফুট বিমানবন্দরে এই আকস্মিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিমানটি পরিচালনা
করছিল বিখ্যাত বিমান সংস্থা ‘লুফতহানসা’।
লুফতহানসা কর্তৃপক্ষ
এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বোয়িং-৭৮৭ বিমানটি জার্মানির ফ্র্যাঙ্কফুট বিমানবন্দর থেকে মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের উদ্দেশ্যে রওনা করার জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
বিমানটি যখন রানওয়েতে উড্ডয়নের ঠিক আগের মুহূর্তে ছিল, তখনই আকস্মিক এর নোজ গিয়ারটি
(সামনের চাকা) ভেঙে নিচের দিকে ধসে পড়ে।
তীব্র ঝাঁকুনির
কারণে বিমানের ভেতরে থাকা ক্রু ও গ্রাউন্ড স্টাফরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে
পড়েন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান।
বিবৃতিতে স্বস্তির
খবর জানিয়ে বলা হয়, দুর্ঘটনার সময় সৌভাগ্যবশত বিমানটির ভেতরে কোনো সাধারণ যাত্রী ছিলেন
না। তবে বেশ কয়েকজন ক্রু সদস্য ও গ্রাউন্ড স্টাফ সেখানে নিজেদের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
"ঘটনার
পরপরই বিমানবন্দরে থাকা জরুরি উদ্ধারকারী দল এবং চিকিৎসকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
তারা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা
করেন।"
কী কারণে উড্ডয়নের
শেষ মুহূর্তে এসে বিমানের এমন যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিল, তা খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে
তদন্ত শুরু করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও লুফতহানসা।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
উড্ডয়নের ঠিক আগমুহূর্তে জার্মানির ফ্র্যাঙ্কফুট বিমানবন্দরে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে একটি যাত্রীবাহী বোয়িং-৭৮৭ বিমান। রানওয়েতে থাকা অবস্থায় আচমকা বিমানটির সামনের চাকা বা ‘নোজ গিয়ার’ ভেঙে ধসে পড়ে। এই ঘটনায় বিমানের ভেতরে থাকা বেশ কয়েকজন ক্রু সদস্য আহত হয়েছেন।
আজ শুক্রবার
(৫ জুন) জার্মানির ফ্র্যাঙ্কফুট বিমানবন্দরে এই আকস্মিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিমানটি পরিচালনা
করছিল বিখ্যাত বিমান সংস্থা ‘লুফতহানসা’।
লুফতহানসা কর্তৃপক্ষ
এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বোয়িং-৭৮৭ বিমানটি জার্মানির ফ্র্যাঙ্কফুট বিমানবন্দর থেকে মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের উদ্দেশ্যে রওনা করার জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
বিমানটি যখন রানওয়েতে উড্ডয়নের ঠিক আগের মুহূর্তে ছিল, তখনই আকস্মিক এর নোজ গিয়ারটি
(সামনের চাকা) ভেঙে নিচের দিকে ধসে পড়ে।
তীব্র ঝাঁকুনির
কারণে বিমানের ভেতরে থাকা ক্রু ও গ্রাউন্ড স্টাফরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে
পড়েন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান।
বিবৃতিতে স্বস্তির
খবর জানিয়ে বলা হয়, দুর্ঘটনার সময় সৌভাগ্যবশত বিমানটির ভেতরে কোনো সাধারণ যাত্রী ছিলেন
না। তবে বেশ কয়েকজন ক্রু সদস্য ও গ্রাউন্ড স্টাফ সেখানে নিজেদের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
"ঘটনার
পরপরই বিমানবন্দরে থাকা জরুরি উদ্ধারকারী দল এবং চিকিৎসকরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
তারা আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা
করেন।"
কী কারণে উড্ডয়নের
শেষ মুহূর্তে এসে বিমানের এমন যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিল, তা খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে
তদন্ত শুরু করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও লুফতহানসা।

আপনার মতামত লিখুন